ভাবনার বনসাই

ভাবনার বনসাই: দুই-শো দশ

১. : তোমার মন খারাপ?
: না, আমি ঈর্ষান্বিত।




২. প্রিয়, মন খারাপ করে থাকার চাইতে বরং
আমাকে গালাগালি করে হলেও
মনটা ভালো রেখো।




৩. একটা আস্ত মানুষকে আমি আমার ভেতরে ধারণ করে চলি।
কে জানে…এ কি মোহ-মায়া, না কি প্রেম, না কি ভালোবাসা…




৪. তোমাকে খুব বলতে ইচ্ছে করছে…
আমার জীবনটা তোমাকে ছাড়া
অসম্পূর্ণ!




৫. সারাটা জীবনই কাটিয়ে দিলাম সেই মানুষটার কাছ থেকে একটু মনোযোগ পাবার চেষ্টা করে করে,
যার মনে আমি ভুলেও থাকি না কখনোই।




৬. আমরা কি খুব বেশি জড়িয়ে পড়ছি?




৭. আমাদের প্রার্থনা কবুল হ‌ওয়ার সময়টা যে কখন,
তা আমরা কেউই বলতে পারি না।




৮. যাকে প্রশংসা করার লোক যত কম,
নিন্দা করার লোক তার তত বেশি।




৯. তুমি মানুষের এমন নিন্দে করে বেড়াও কেন?
তোমাকে প্রশংসা করার মানুষের এত‌ই বুঝি অভাব পড়ল?




১০. যে হৃদয়ের প্রায় পুরোটা জুড়েই তুমি,
তা-ও আবার আমার হয় কী করে?




১১. আমি হেরে গেলাম,
কখনও জিততে না চেয়েও!




১২. মানুষ কত বড়ো বড়ো কিছুর জন্য অধীর অপেক্ষায় থাকে…
তোমাকে পাবার পর বুঝেছি,
খুব তুচ্ছ কিছুর অপেক্ষায় আমি বহুদিন ধরে বসে ছিলাম।




১৩. ভালো কি যাকে-তাকে সত্যিই বেসে ফেলা যায়…
ছুটে-যাওয়া যে-কোন‌ও খালি ট্রেনে উঠে পড়তে ইচ্ছে হবার মতন?




১৪. পারলে তো ওরা আকাশটাও বেচে দিত!




১৫. মানুষের হৃদয় যখন খুব তৃষ্ণার্ত থাকে, তখন তার জীবনে এমন কেউ আসে, যে তাকে অমৃতের বদলে বিষ ঢেলে দেয়।
মানুষ তখন জল দেখলেও তা আর পান করতে পারে না; তৃষ্ণায় মরে যায়, তবু পান করতে ভয় পায়।




১৬. কিছু মানুষ নিঃসঙ্গ হয়ে বাঁচতে বাঁচতে একসময় নিঃসঙ্গতায় অভ্যস্ত হয়ে পড়ে। তখন সেখান থেকে সে আর বেরোতে চায় না।




১৭. আমি শুধু এইটুকুই চাই:
আমি যেন আমার অনুভূতিগুলো বোঝানোর প্রশ্রয়টুকু তোমার কাছে পাই।




১৮. 'আমি তোমাকে ভালোবাসি, কিন্তু বিশ্বাস করি না।'...এমন সম্পর্কের চাইতে অনেক ভালো
'আমি তোমাকে বিশ্বাস করি, কিন্তু ভালোবাসি না।'...এমন সম্পর্ক।




১৯. আমি বাবাকে অনেক ভালোবাসি।
কিন্তু আমি বাবার অফিসকে একটুও ভালোবাসি না।
বাবাকে কেন অফিসে যেতে হয়?




২০. সে আমার কেউই নয়,
তবু সে যেন আমার সব কিছুই।
লেখাটি শেয়ার করুন

One response to “ভাবনার বনসাই: দুই-শো দশ”

Leave a Reply to Apurbo Roy Lokkhon Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *