ভাঙার পরেও যা থেকে যায়
কাচের শরীরে একবার ফাটল ধরলে সত্যিকারের জোড়া আর লাগে না, আঠার দাগটুকু থেকে যায়, আলোয় ধরলে ধরা পড়ে সেই ক্ষতচিহ্ন। তবু আমরা জুড়তে থাকি। জুড়তে থাকা ছাড়া আর কোনো কাজ জানি না।
পোকার ক্ষুধা জানে, কত ফুল ঝরে যায় কাউকে না জানিয়ে, কত গুচ্ছ সরল কবিতা মাটির ভেতর মুখ গুঁজে পড়ে থাকে, উচ্ছল ও উন্মুখ, ফোটার আগেই ক্লান্ত।
তুমি আমি পরস্পরের বুকের গোলাপ; পাশাপাশি দুটো মন, তবু দুই ভিন্ন ব্রহ্মাণ্ড। জীবন আমাদের যতবার ভেঙেছে, ততবারই আমরা নতুন করে পুতুল সেজেছি—রং মেখে, হাসি এঁকে নিয়ে, ভেতরের ফাটল আড়াল করে।
অন্যদিন আসবে। হয়তো। সেদিন ভোরের আলোয় এই আঠার দাগই ঝলমল করে উঠবে।
তৃষ্ণার আরেক অভিধান
চৈত্রের এই রোদ শুধু আলো নয়, একটা দীর্ঘ জিজ্ঞাসা। মাঠ নিজের শরীর পুড়িয়ে জিজ্ঞেস করে যায়: তুমি কতটুকু সহ্য করতে পারো? শালবনে মঞ্জরীর গন্ধ ভেসে আসে বাতাসে, দূরে মাদলের ডাক। উৎসব আসছে যেন, কিন্তু পায়ে পায়ে হেঁটে, দেরি করে।
বুকে জ্বলে আরেক আগুন; এই আগুনের কোনো ইন্ধন নেই, এ পোড়ে নিজেকে, নিজেই। জল দাও। কঠিন এই পিপাসা চিরকালের।
ভালোবাসা অন্য নাম যার—স্বচ্ছস্রোত নির্ঝরণী, সুন্দরের সহজ বিকাশ।
পথিক নিজেই নদীর কাছে আসে। নিজেই নতজানু হয়। তৃষ্ণার জল বাটিতে ঢেলে দেওয়া যায় না।
যে-আশা মরে না
নিজের ছবি মুছে ফেলি বার বার, তবু ভেতরে একটা আশা থাকে, যথেচ্ছাচারী, বাঁকা, একগুঁয়ে। পথে যত দূরে যাই, জোনাকি জ্বলে ওঠে ঘন সন্ধের বনঝুলিতে, গাছেদের নকশা-আঁকা গাঁয়ের আঁচলে।
রুপোর কাঠি, সোনার কাঠি—জীবন আর মরণ, একই মুদ্রার দুই পিঠ। মেঘের মেয়েরা গহন ঘুমের ঘোরে স্বপ্নে হাঁটে, সোনার হরিণ আঘাত হানে বুকের ধনের গায়ে, ভুবনে তার চিরজীবী প্রেম।
কত ক্ষণে ক্ষণে ছবি, অনুরাগ, রঙিন সংলাপ। কাড়ে যত, দেয় দুই হাতে ততোধিক। শেষপর্যন্ত গ্লানি আর জ্বালার দংশন নিয়েও চিরজীবীরাই বাঁচার ভূমিকায় থেকে যায়।
বসন্তের শেষরাতে একটা পাখি ডাকে, নাম-না-জানা।
নদীর দুই পার একই শরীর
কখনও নিঃসঙ্গ নই; ঘনীভূত প্রাচীন অরণ্যে শীত আসে, শীত চলে যায়। আকাশের ওপারে আরেক আকাশ মিলিয়ে আছে।
পাখি ওড়ে, নদীতীরের দুই প্রান্ত সমাহিত সুখে। মাটির কংকাল চিরে ভিড় করে ঘাস। দিগন্ত ছাড়িয়ে চলে যাও, পাতার আসরে বাজে শিশিরের ভোরের নূপুর…গন্ধে, স্পর্শে, প্রণিধানে, ক্ষণে ক্ষণে বুক ভরপুর।
একলা থাকা আর একা থাকা এক নয়। এ-পার থেকে ও-পার দেখা যায়, কিন্তু দুই পারের মধ্যে বয়ে যায় যে-জল, সে কখনও থামে না, কখনও ফেরে না।
শ্মশানের ঘাসে লেখা জীবন
ভাঙা পুল, নড়বড়ে সাঁকো পেরিয়ে রোদেলা সহজ সকাল। জীবনের জীর্ণ যাদুঘরে অবাক হয়ে দেখি কখনো বুকের প্রতিমা; কে যেন সাজিয়ে রেখে গেছে, একা একা, অন্ধকারে।
হয়তো ইচ্ছে হলো, শ্মশানের ধুলোর উপরে সবুজ জাজিম পেতে দেওয়া যায়। সুখ, দুঃখ ভাঙো, গড়ো। আমি নিজে আমারই বিধাতা।
শ্মশানের ঘাস একদিন সবুজ হয়; নিঃশব্দে, রাতের শেষে, কারো অনুমতি না নিয়ে।
বিচ্ছেদের পাথেয়
তোমার দু-চোখে জ্বলা তারার আকাশ নিভে গেলে, মুছে যায় ঘনকৃষ্ণ আরণ্যক কেশের কবিতা। তবু তোমার স্মৃতি বেঁচে থাকে ধুলোয় মাখা স্মৃতির ভেতর, প্রিয় মুহূর্তের জীবাশ্ম হয়ে।
কালের মুঠিতে ভরা প্রত্যক্ষ পাথেয়—এমনকি বিরহও। শ্মশানের বামাচারী ঘাসে পা ফেলে হাঁটতে হয় একদিন। তবু থাকে কিছু, থাকে।
যে-কথা বলা হয়নি, সে কথা বাতাসে থাকে। দীর্ঘদিন।
সময়ের কাছে একটি প্রশ্নচিহ্ন
সব স্বপ্ন ভাঙে যদি, ফুলগুলো তবে ক্রমাগত ঝরে অথবা রক্তাক্ত হয় বুকের গোপন দূর বাতায়ন। মেঘ আসে রোমাঞ্চিত ইতিহাস ছুঁয়ে, ছবিতে নয়।
তাহলে কী লাভ এই ছন্দে গেঁথে শব্দ শব্দ খেলায়? জীবনের মানে খুঁজে চলে আততায়ী সময়ের কাছে?
তবু স্মৃতির ভিড়ে প্রতিদিন সুদূর বিস্ময় আমাকে আকাশ করে। অন্ধকারে মাটির অনেক নিচে নতুন তৃণাঙ্কুর জাগে। মুহূর্তে অমৃতের স্বাদ, মুহূর্তেই মৃত্যুঞ্জয় স্পর্ধার স্বাক্ষর।
প্রশ্নচিহ্নটি বাঁকা হয়ে দাঁড়িয়েই থাকে। যুগের পর যুগ।
অঘোষিত মিছিল
আমাকে বিমর্ষ করো আকাশের এপার ওপার; মেঘের মেজাজে, মাটির মতো পরিপূর্ণ নরম সবুজে। হাতে দাও মৃত্যুর পাথেয়। বুকদুটো পিপাসায় ভস্মীভূত হোক।
শিলাভূত অন্ধকার কোষাগার ভেঙে কিছু কিছু নামুক আলোক।
আমার রক্তের টানে বার বার পদক্ষেপ তার, জীবনে জনতার ভিড়; বাঁচার বাতাস নিয়ে মিছিল, মিছিল। পৃথিবীর শেষতম ঘৃণা আমাকে আহ্বান করুক। তারপর দিনের দীপালি আনো, নিষ্কম্প নক্ষত্র প্রদীপে।
রাস্তার শেষে একটা বাঁক আছে। সেই বাঁকের পরে কী, মিছিল এখনও জানে না। তবু হাঁটে।
অন্তরের অফুরন্ত ধন
তাসের মিনারে খ্যাতির প্রাসাদ, রাত গেলে স্বপ্ন-সমাপিকা। ঐশ্বর্যে তবু আনন্দ নেই, ভালোবাসা স্মৃতিভ্রষ্ট, বিষণ্ন।
আমি খুঁজি অনাতুর ধন; অফুরন্ত, অবারিত আত্মার বিকাশ। নিজস্ব নিবিড় চেতনা। অসংখ্য দুঃখের মাঝেও সৃষ্টিশীল জীবন যোজনা।
যা হারানো যায় না, তা চুপ করে থাকে, ভেতরে, আলোর মতো।
শোক যেভাবে রথ টানে
জীবনের কিছু কিছু শোক আঘাতে উজ্জ্বল হয়ে ওঠে, হয়ে ওঠে বিগলিত শ্লোক। হঠাৎ কখনো কোনো ঋণমগ্ন দিনে সূর্যকে প্রণাম করে ঊর্ধ্বমুখ, উদ্ভিন্ন সত্তা, চুপি চুপি হয়ে ওঠে সুভাষিত আকাঙ্ক্ষার নম্র সূর্যমুখী।
কোনো কোনো সোনার স্বপ্নপথ নিজহাতে নিজেই টানে হৃদয়ের রথ। সেই রথের ঘোড়া কাঁদে না, শুধু ছোটে, পেছনে মাটিতে আঁকা থাকে চাকার গভীর দাগ।
এখনও ফোটে
এখনও ফুলেরা দেখো রং নিয়ে ফোটে। জীবন বহুধা, তবু কোনো কোনো তুচ্ছ জলাশয়ে তৃষ্ণার পানীয় রেখে যায় কেউ। নাটকের পার্শ্বচরিত্রের অভিনয় উদ্বেল, ফেনিল, তীক্ষ্ণ হৃদয়ের উর্মিল সবুজে আপ্লুত।
তবুও অবাক দৃষ্টিতে দেখি, বেহুলার বাসরের সাপ আজও বেঁচে আছে। বিষ ঢেলে আজও দেখো দুধ আর কদলির আপ্যায়ন খোঁজে সে। মৃত্যু আর জীবন এভাবেই পাশাপাশি চলে।
ইচ্ছার গভীরে হঠাৎ জমে ওঠে শব। জানি না, কোথায় হবে নবনীত আকাশের শুরু। কুঁড়ি থাকে। থাকে।
মুখোশের মিছিলে মুখ
মানুষের অবিকল, অবিকৃত মুখ এখনও তো নিরন্তর খুঁজি। আশ্চর্য মুহূর্তে দেখি, আনন্দে উদ্ভিন্ন কিংবা হিংসায় অঙ্গার, কখনোবা উদাস।
রূপকথার প্রেমের প্রলাপ মাঝে মাঝে অকস্মাৎ বাঁক নেয় নিষ্ঠুরতায়। অনেক খুঁজেছি তাকে। সুন্দর পাণ্ডুলিপিদেহে, জ্যোৎস্নার শরীরে, শুচিস্মিত নিমিত জীবনে, স্বপ্নে ও প্রণয়ে।
মুখ কোথায়? যেখানেই খুঁজি, মুখোশের মিছিল আর মিছিল, সব মুখেই দেখি।
আয়নার সামনে দাঁড়াই। সেখানেও।
বৃষ্টির ভাষায় ডাকো
দুই চোখে ঘুম আনো, শ্যামল রোমাঞ্চিত সুখ ইন্দ্রিয়ের লালিত ইঙ্গিতে। মেঘ আনো, ঝিরিঝিরি মিহি ধারাপাত। ইতিহাসের ধুলায় রাজারানি উজির নাজির, সময়ের পুরোনো উঠোনে সব শব্দ মুছে যায়, সাথে সব দীর্ঘশ্বাস।
আকাশ কোল পেতে দেয়। অন্য কোনো হৃদয়ের বিচিত্র ইঙ্গিতে নতুন সংলাপ শোনে।
তুমি এসো উজ্জ্বল উদ্ভাসে, নীলকণ্ঠ-দীপ্তু ভালোবাসায়। আলো আনো, যার উৎসমুখ সুনীল চেতনা। অম্লান প্রেম আনো। মেঘ আনো, তার সাথে ঝিরিঝিরির মৃদু ধারাপাত।
জানালার কাচে বৃষ্টি পড়ছে। শুনছ?
স্বপ্নই বৃক্ষ, স্বপ্নই মাটি
মাঝে মাঝে কঠিন নিঃসঙ্গতা জীবনের সহজ ভার থেকে ঠেলে সরিয়ে দেয়। তবুও তো…ভাঙা ঘর আরেকবার বাঁধার প্রয়াসে আবার সংশয়ের শুরু। খড়কুটো থেকে, বুকের পরাগ খুঁজে-ফেরা মেঘ থেকে, রোদ থেকে, সদা অন্তরাল থাকে সে।
কখনোবা কারো কারো বুক ভেঙে ভেঙে শতখান হয়, শোকে, দুঃখে, আঘাতে আঘাতে। তা-ও বুঝি জোড়া লাগে কম্পমান বুকের ফেনিলে, বিমর্ষ কস্তুরীর মতো।
স্বপ্ন কিন্তু শেষবার ভাঙলে আর কখনও জোড়া লাগে না। স্বপ্নহীন, শূন্য যত রূপায়িত জীবনের আনন্দ উৎসব, সবই বৃথা বিজ্ঞাপন মাত্র।
স্বপ্নই বাঁচার বৃক্ষ। স্বপ্নই মাটি। স্বপ্নই জীবন।
তুমি এখন কোথায়
কত রূপকথা শুনেছি, তোমার বসন্তে দেখেছি রকমারি ছবি। রুপোলি স্রোতের নদীর দু-পাড়ে বনস্পতির ছায়া। দিন ফুরোলে যখন অল্প অল্প করে আলো নিভে আসে, পরিবর্তনশীল আকাশটা প্রণামের ভঙ্গিতে অঞ্জলি তুলে দাঁড়ায়, তখন ওপারের সাঁকোর ওপর দিয়ে হাটুরেরা ঠিক পাখির মতো ফিরে আসে ঘরে।
এখন শহরের খাঁচায় আমি দূরের দিন গুনি। অন্য এক জীবনের ময়লা ঘাটে ঘাটে। প্রায়ই শুনি মরা মাঠ, খরা, বন্যার ও বাতাসের নিম্নচাপের শব্দ। তোমার নাকি অসুখ ভীষণ?
একেবারেই সময় নেই। তবু পারলে ফিরে ডাকো। জানাবার চেষ্টা করো, তোমার বর্তমান খবর কী, এবং তুমি এখন কেমন আছ।
হে নিত্য ফাল্গুনী
ফুলে ঘেরা, তবু সেই উজ্জ্বল, অবিনশ্বর আলোর রূপ মলিন হয়নি; তাঁর দুই চোখে চিরন্তন স্নেহের আলো জ্বলছে। আবেগে-ভরা বুকের ভেতর তবু একটাই প্রশ্ন জেগে থাকে: নৈতিকতা হারানো মানুষ ঈশ্বরের ক্ষমা কীভাবে পাবে?
তোমার মহান পথের সব অন্ধকার আর ছায়া আমরা নিজের হাতে সরিয়ে দিই। সেখানে দয়া নেই, ভালোবাসাও নেই; আছে শুধু নিষ্ঠুর বিদ্বেষ, ধড়হীন প্রেতের মতো অন্ধকার, তীব্র হত্যেচ্ছায় আচ্ছন্ন মূর্খ উন্মত্ততা, আর বিষাক্ত, আত্মবিনাশী, কুণ্ডলী-পাকানো হিংস্রতা।
হে চিরনবীন ফাগুনের প্রতীক, তোমার অটল বিশ্বাসে আবার চিরন্তন মঙ্গলবার্তা নিয়ে এসো, নবজাগ্রত জীবনে অমৃতের সঞ্জীবনী ফিরিয়ে দাও। তুমি এসো এক নির্মল ভোরের কোমল আগমনী সুর হয়ে।
পাখিটা ডাকছে। ভোর হবেই।
যেটুকু হলে ভালোবাসা
সব নদী সমুদ্রে যায় না। সব মেঘ ঝরে না সবুজে। মাটিমাত্রই হয় না প্রতিমা। প্রদীপ জ্বালালে ঘরে ঘরে জ্বলে না আশা।
বুকের উত্তাপ পেলে প্রাণের কথাই তো হয় ভালোবাসা। যে-ফুল ফোটেনি, তারও গন্ধ থাকে—মাটির ভেতরে, বীজের স্বপ্নে। রাতের শিশির সব জানে।
অন্ধকারের অন্য নাম
দুই হাতে বীজ বুনি; ভালোবাসা, ম্লান উজ্জ্বলতা, জলছবি যত। সব প্রান্তরের নীলাভ জোনাকি মিলে আমাকে মুকুট পরিয়ে রাখে, রক্তে আনে মদিরার আলোছায়া। এ এক অশরীরী ভিড়।
যখন ফসল কাটি, তুলে রাখি সঞ্চয়ের মাটির সিন্দুকে। মুঠো দুই খড়কুটো, ভাঙাচোরা দুপুর বিকেল, বন্দি আলোর অন্বেষা। তখন হয়তো বুঝি, এই অন্ধকার যত, অন্য নামে সে-ই তো আলোর ঠিকানা।
রাত গভীর হলে তারারা ফোটে। এভাবেই।
পোড়ার সৌভাগ্য
আগুন শুধু পোড়ায় না, পুড়িয়ে পুড়িয়ে উদ্ভাসিত স্বচ্ছ করে দেয় সব কিছু। যা-কিছু ক্লেদাক্ত, সত্তার গভীরে জমে আছে আর মরচে-ধরা, তা-ও করে দেবে ঝকঝকে।
নিকষিত শিল্প একটাই, আগুনে পোড়া।
সকলে পোড়ে না। সব বুকে জ্বলে না আলোও। যন্ত্রণায় নিরত সৃজনের আহূতি; সব শব্দ যে ভাস্কর্যও নয়।
আগুন হলো, পুড়লো। ছাইয়ের মধ্যে কিছু-একটা চকচক করে শেষে।
ডানার যন্ত্রণা
অনেক আগে কোনো এক আষাঢ়ের ভোরে বুনোহাঁস দেখেছিলাম একটি। তখন বুকের সব কথা চেনা ছিল। চেতনায় রক্তের নতুন সংবাদ। হাঁসটিও ছিল আনন্দিত; খোলা ডানায়, স্বাধীনতার ঘ্রাণে।
সেই ডাক। হাতুড়ির শব্দের মতো রক্তে আমার মিশেছিল এক অসহ্য সৌন্দর্যের যন্ত্রণা।
অনেক বেলা গেছে। অনেক পথ। কোনো এক জীবনের শেষে আষাঢ়ের সকালে হঠাৎ যেন ডাকটা আবার শুনতে পেলাম।
বিদ্যুতের সেই স্রোত এখনও বুকের কোণে কোণে। লুকোতে পেরেছি, ভোলাতে পারিনি।
হাঁসটা এখনও উড়ছে, কোথাও। সেটুকুই যথেষ্ট।
যতটুক রয়ে গেল: এক
লেখাটি শেয়ার করুন