Bonsai of Thoughts (Translated)

ভাবনার বনসাই: এক-শো ছিয়াশি

১. তোমাদের সভার একটাই নিয়ম:
খনাকে পেরোতে ওর জিভ কেটে নাও!
পেশির দম্ভে মগজের লম্ফন! ছিঃ!




২. সামনে এসো। দেখবে,
আমি কতটা নরম!
দূর থেকে আমি গরম ততোধিক,
যাতে সামনে না আসো।




৩. যার আগুনটাই মরে,
সে কি আর থাকে বেঁচে?
বাঁচো কি মরো,
ভেতরের আগুন জ্বালিয়ে রেখো।




৪. ছেলেরা বান্ধবীর জন্য যতটা উদার,
স্ত্রীর বেলায় উদার কি ততটা?
এসব না ভেবে
চলো, দুধ-চা'য়ে ভিজিয়ে মুড়ি খাই!




৫. এখানে মেয়েরা রাজা হয় না,
রাজার ব‌উ হয়।
এখানে এটাই নিয়ম।




৬. বুকে নয়,
পারো যদি,
হাত রাখো
আমার ক্ষতে।
বুকে তো হাত সবাই-ই রাখে!




৭. ভালোবাসতে পারার বেলায়,
ঘৃণা করতে পারার বেলায়...
মেয়েদের ধারেকাছেও নেই পুরুষেরা।




৮. পৌরুষের উৎকট গন্ধ
গায়ে না মেখে
ভালোবাসে যে,
প্রেমিক বলি তাকেই।




৯. নারী অধিকার।
প্রপাগ্যান্ডাটা কি সত্যিই
আইওপেনার?
না কি স্রেফ আইওয়াশ?




১০. নারীর জিভ...
ধর্মের যম!




১১. গতকালের ভুল
শোধরাই আজ,
আজকের ভুল শোধরাব কাল।
ভুল একটা থেকেই যায় আয়ুর সঙ্গে।




১২. তবে কি এ পৃথিবীর সবাই
মরণোত্তর ভালো লোক?




১৩. : পাগলের ছেলে পাগল হবে না তো কী হবে?
: কিন্তু ও তো আমার‌ও ছেলে! আমার মতো‌ও তো হতে পারত!
: চুপ থাকো তুমি!




১৪. নদীর জলে আগুনের ঢেউ দেখে পড়ল মনে,
নদীতীরে বসে কেঁদেছিলাম সেদিন।




১৫. কেউ বলে, দেখতে একদম প্রতিমার মতন!
কেউ বলে, দেখতে একদম পুতুলের মতন!
ওদের কার‌ও কাছেই, প্রতিমা কি পুতুল,
নয় প্রাণহীন।




১৬. যারা দ্যাখে না চোখে
তোমার খুনের মূল্য দিতে,
ওরাও কিন্তু স্বপ্ন দ্যাখে!




১৭. এক ফোঁটা জল
তপ্ত বালির উপর---
অস্তিত্বে, জেনো, সত্য সে-ও!




১৮. কারও বাসায় কেউ খেতে যায় না, এটা যেমন সত্য,
কেউ বাসায় এলে খেতে দিতেই হয়, এটাও তেমন সত্য।




১৯. অপরিচিত কেউ...কাবাব বানিয়ে পাঠিয়ে দিল।
খুব চেষ্টা করেও তাকে কোথাও খুঁজে পাইনি।
ভালোবাসা কি বলে না একে?




২০. একটা মেয়ের পুরো জীবনেই,
যাদের সঙ্গে তার দেখা হয়,
তাদের সবাই-ই মেহমান!
আফসোস, মেহমান তাকে করে না কেউই!
লেখাটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *