গল্প ও গদ্য

নিজের নিয়মে

আমার খুব আনন্দ হয় যখন বুক ভরে বাঁচতে পারি, আমার খুব বেশিই আনন্দ হয় যখন অন্য কাউকে নিজের চোখের সামনে বাঁচতে দেখি।
এখনকার জামানায় যে ঠিকঠাকভাবে বাঁচতে পারাটাই বিরাট সাফল্য।

যে অন্য কারুর কথা না শুনে প্রাণ খুলে বাঁচতে পারে, সে-ই একজন শিল্পী।
আমি অন্য কারও বেঁধে দেওয়া নিয়মে চলায় বিশ্বাসী নই,
কাউকে আমার বিশ্বাসে বাধ্য করাতেও বিশ্বাসী নই,
আরে ভাই, এত সময় আছে নাকি আমার হাতে?
নিজের হাতে সকাল সকাল মধু-দেওয়া এক কাপ ব্ল্যাক কফিই আমার কাছে সাফল্য।
"এগুলো কেউ খায়!" এই ধরনের কথাগুলোকে না শুনে জীবন কাটিয়ে দেবার নামই আমার কাছে জীবন।

আমি যা করে সুখ পাই, তা-ই আমার কাছে বড়ো।
সেজন্যই আমি খুব সুখী।
অল্পতে হাসতে পারি, মন চাইলেই কাঁদতে পারি।
কাঁদার সময় ভাবতে হয় না, কে কী ভাবছে।
কান্নাকে সহজভাবে প্রকাশ করতে শেখাও অনেক বড়ো একটা ব্যাপার,
যেটাকে ভালো সমাজ নাম দিয়েছে লজ্জা।

সেই ভালো সমাজের খাতা থেকে আমার নাম অবশ্য অনেক আগেই কাটা গেছে!
আমার তাতে থোড়াই কেয়ার!
আমার খাতায় শুধুই আমার নাম, আমার সুখের পসরা, আনন্দের গল্প, বেঁচে থাকার গান।

ওহে, সমাজের নিয়ম-বানানো কর্তামশাইয়েরা, পারলে নিজের ইচ্ছেমতো বেঁচে থেকে দেখাও দেখি?
চ্যালেঞ্জ করে বলছি, তোমরা পারবে না।
লেখাটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *