কিছু অপ্রিয় সত্য বলি। তুমি সুন্দর হলেই কেউ তোমার সঙ্গে থেকে যাবে, এমন নয়। তুমি সৎ থাকলেই কেউ তোমার সঙ্গে থেকে যাবে, এমন নয়। তুমি বিশ্বস্ত থাকলেই কেউ তোমার সঙ্গে থেকে যাবে, এমন নয়। তুমি কারও সঙ্গে ভালো আচরণ করলেই সে তোমার সঙ্গে থেকে যাবে, এমন নয়। তুমি কারও জন্য সব কিছু করতে রাজি থাকলেই সে তোমার সঙ্গে থেকে যাবে, এমন নয়। তুমি খুব আন্তরিকভাবে কারও যত্ন নিলেই সে তোমার সঙ্গে থেকে যাবে, এমন নয়। তুমি খুব ভালোভাবে চেষ্টা করলেই কেউ তোমার সঙ্গে থেকে যাবে, এমন নয়। তুমি কারও প্রতি তোমার সমস্ত মনোযোগ দিলেই সে তোমার সঙ্গে থেকে যাবে, এমন নয়। তুমি কাউকে তার মনের মতো সময় দিলেই সে তোমার সঙ্গে থেকে যাবে, এমন নয়। হয়তো তোমার ইচ্ছেগুলি চমৎকার, তোমার অনুভূতিগুলি শুদ্ধ, একজন নারী হিসেবেও তুমি অতুলনীয়, এত কিছুর পরও, তুমি হয়তো তোমার মনের মানুষটিকে ধরে রাখতে পারবে না। এর কারণটা কী, জানো? একজন পুরুষকে তুমি শুধু তখনই ধরে রাখতে পারবে, যখন সে নিজে এটা চাইবে। মানে সে চাইবে, তুমি তাকে ধরে রাখো। আর যদি সে তা না চায়, তবে তুমি তাকে ধরে রাখতে সত্যিই ব্যর্থ হবে, তুমি যতই নির্ভুল ও সেরা মানুষ হও না কেন! কাউকে জোর করে সঙ্গে রেখে দেওয়া যায় না। কারও কাছে ভিখিরির মতো হাত পেতেও লাভ নেই, যদি সে নিজেই তোমার সঙ্গে থাকতে না চায়। তুমি কাউকে যতই ভালোবাসো না কেন, সে নিজে না চাইলে তুমি তাকে ভালোবাসাতে পারবেই না! একতরফা ভালোবাসা পরিণতি মোটামুটি এরকমই। যখন তোমাদের সম্পর্কটা একটু ঝামেলার মধ্য দিয়ে যায়, তখন তোমার পছন্দের মানুষটি যদি নিজে না চায় সম্পর্কটা রাখতে, তবে সে তখন হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকবে; এমনও হতে পারে, সে তখন ইচ্ছে করে সেইসব কাজই করতে থাকবে, যে কাজগুলি তোমাদের সম্পর্কটাকে শেষ করে দেবে। সম্পর্কের টানা-পড়েনই তার উদ্দেশ্যটাকে সহজ করে দেবে। একজন পুরুষ কখনওই সেই নারীর জন্য যুদ্ধে নামে না, যাকে সে তার জীবনে রাখতে চায়ই না। তুমি নিজেই বুঝতে পারবে, কখন সে চায় না যে তুমি তাকে ধরে রাখো। তখনও, ধরে রাখার কিংবা থেকে যাবার চেষ্টা করাটা একদমই নিরর্থক। অল্প কথায় বলি। যে মানুষটা তোমার সঙ্গে থাকতে চায় না, তাকে জোর করে ধরে রেখো না। না, এর মানে এ নয় যে, তুমি হাল ছেড়ে দিচ্ছ। সে নিজেই হালটা ছেড়ে দিচ্ছে, এবং এটা বুঝে নিয়ে তোমার সরে যাওয়া উচিত। অনেকটা সময় ইতোমধ্যে নষ্ট করেই ফেলেছ, সময় আরও নষ্ট কোরো না। সময় যত নষ্ট করবে, ততই তোমার জীবনে অহেতুকই কিছু কষ্ট বাড়বে। তুমি যখন কারও সঙ্গে সম্পর্কে থাকবে, তখন তোমাকে তিনটি জরুরি বিষয় মাথায় রাখতে হবে: কখন তোমার জীবন থেকে তাকে যেতে দিতে হবে, কখন তার জীবন থেকে তোমাকে সরে যেতে হবে, কখন তাকে ধরে রাখার চেষ্টা করা পুরোপুরিই থামিয়ে দিতে হবে। যতই জোর করবে, যতই চেষ্টা করবে, যতই ধরে রাখবে, ততই…নিজের মানসম্মান নিজেই কমাবে। এর বাইরে আর কোনও লাভই হবে না।
কিছু অপ্রিয় সত্য
লেখাটি শেয়ার করুন
ভালো লাগলো অনেক ❤️❤️
সত্যি দাদা আপনার লেখা যত পড়ি ততই মুগ্ধ হই কেন জানি আমার সাথে সব কিছু মিলে যায় 😊😊
ছেড়ে যেতে ইচ্ছে না করলেও কখনো হয়তো ছাড়তে হয় অথবা ছেড়ে দিতে হয় বা যেভাবেই আঁকড়ে ধরে রাখতে হয়।
আচ্ছা যদি প্রশ্ন করা হয় কি ধরে রাখতে চান?
১.পরিবার এবং ক্যারিয়ার
২.প্রিয় মানুষ?
পরিবার ও কেরিয়ার।
আপনার লেখা পরলে নিজেকে অনেকটা হালকা মনে হয়
Excellent
যদিও আমি এইসএসসি এর ছাত্র….। ভালোবাসা কি বুঝি না খুব একটা……। তবে এই লেখাটুকু পড়ে এতটুকু সিওর হইলাম…….. যে এই বয়সে যদি সত্যি ভালোবাসা সম্ভব হয়,,, তাহলে আমি বেসেছি কাওকে…।
আজকেই তার সাথে একটা বড় রকমের ঝামেলা হয়ছে….। সে রাখতে চায় না আমাকে আপনার ভাষায়…..।
তো….. আমি দ্বিতীয় বার এর মতো branding Bangladesh… এর ভিডিও দেখে ওয়েব সাইট এ আসলাম……. যাক একটু ভালোলাগতেছে……….
যদিও আপনি রেগে যাবেন কমেন্ট টা পড়ে….. কারণ আমি বাচ্চা পোলাপািন হয়ে এরকম বিরক্তিকর কমেন্ট করলাম….. মাফ করবেন 🥺🥺
পারছি না ভুলে যেতে
পারছি তাকে চলে যেতে দিতে
পরছিনা তাকে কাছ থেকে চলে আসতে
পারছি তাকে তাকে পাওয়ার পুরুপুরি থামিয়ে দিতে
তাকে যে বড্ড বেশি ভালোবাসি
It’s true dada.But I didn’t know it.
মুগ্ধ হয়ে গেলাম দাদা।
আসসালামু আলাইকুম ভাই, আপনি এতো সুন্দর করে লেখেন আমার অনেক মন খারাপ এর মধ্যে আপনার লেখা পড়ে নিজেকে জাগিয়ে তুলতে চেষ্টা করি। সত্যি অসাধারণ প্রতিটা লেখা।
❤️❤️
আপনাকে দেখে দেখে জীবন বদলে ফেলেছি। শতকোটি প্রণাম নিবেন।