আপুর বিয়ে হয়ে যাবার পর থেকে শাড়ি আর মেহেদি খুব একটা পরতাম না। এর কারণ, সব আপুই পরিয়ে দিত, আমি পরতে পারতাম না।
এখন কখনও কখনও শাড়িটা পরলেও মেহেদি পরা হয় না। এবার ইদে মেহেদি পরেছিলাম, দু-হাতেই। এক হাতে আপু পরিয়ে দিয়েছিল, আরেক হাতে আমিই হিজিবিজি এঁকেছিলাম। আমার আঁকা কিচ্ছু হয়নি, জানি, তবু দেখতে খুব ভালো লাগছিল।
কেন পরেছিলাম মেহেদি, জানো? তুমি আসবে বলে!
মেহেদির খয়েরি-কমলা রংটা হালকা হতে হতে ধীরে ধীরে সাদা হয়ে গেল... রংগুলি উঠে যাবার সময় খুব কষ্ট হচ্ছিল... মেহেদির মতোই ছোপ ছোপ কষ্ট!
আবার পরেছি আজ এবং আবারও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি! এবারও যদি তুমি পৌঁছোবার আগেই রং উঠে যায় বা উঠতে শুরু করে, তাহলে তোমার কি শাস্তি পাওয়া উচিত না? তোমার কী মনে হয়??
মেয়েরা ভালোবাসার মানুষের জন্য কত যত্ন করে, মায়া মেখে হাতে মেহেদি দেয়... আর ভালোবাসার মানুষটা আসে কিনা মেহেদির রং ফ্যাকাশে হবার পর! আসতে দেরি করে ফেললে, আহা, কত কী যে হারিয়ে যায়!
মেহেদির অপেক্ষা
লেখাটি শেয়ার করুন