সেদিন হঠাৎ আবিষ্কার করেছি, রাতের জার্নিটা অসাধারণ। ইনসিকিউরিটি, ভয়, একাকিত্ব... আবার একধরনের উচ্ছলতাও। আমি যখন-তখন বিপন্ন হতে পারি... এই বোধের মধ্য দিয়ে যে কখনও যায়নি, তার আবার জীবন কীসের?!
আসলে জীবনে সব সুখ থাকলে হয় না, ঝালমুড়ির মতন সবকিছুর মিক্সার থাকতে হয়, নইলে জীবন উপভোগ্য হয় না। একটু-আধটু অনিশ্চয়তা না থাকলে জীবনটাকে গোয়ালঘর গোয়ালঘর লাগে। গোছানো জীবন সবসময়ই খুব নগণ্য জীবন। জীবনে সুখ ও মহত্ত্ব কখনও একসাথে থাকে না।
তোমরা যে জীবনটা যাপন করো, তা পৃথিবীর ছয়-শো নিরানব্বই কোটি নিরানব্বই লক্ষ মানুষই যাপন করে। বাকি যে কয়েক হাজার মানুষ আছে, তারা আমার মতোই। আমরা আয়নার উলটো পিঠে চেহারা দেখি। আয়নায় যা দেখা যায় আর আয়নায় যা দেখতে হয়, এই দুইয়ের মধ্যে অনেক দূরত্ব আছে। এই দূরত্ব পেরোতে যে সাঁকোটা লাগে, তার নাম দুঃখ। দুঃখই প্রকৃত ঐশ্বর্য।
দুঃখের সাঁকো
লেখাটি শেয়ার করুন