এই! আমার সমুদ্র খুব ভালো লাগে।
কোনও এক ভরা-জোছনারাতে আমি মায়ামি বিচে শুয়ে জোছনা দেখব, শখ আছে।
বুড়াকালে যাব ভাবছি, কিন্তু ততদিন তো তুমিও বাঁচবে না, আমিও বাঁচব না।
আচ্ছা, কেন জিন্দেগি না মিলেগি দোবারা? মানুষকে ঈশ্বর এত কম সময় দিয়ে কেন পাঠায়? সকালে ঘুম থেকে উঠেই তো দুপুর হয়ে যায়, দুপুর গড়াতে না গড়াতেই আবার সূর্য ডুবে যায়।
আচ্ছা, একটা মানুষ যদি বারো ঘণ্টার দিনে আট ঘণ্টা অফিস করেই কাটায়, তবে এক দিনে কয় ঘণ্টা তার নিজের জন্য থাকে? সপ্তাহে কতদিন? মাসে? বছরে?
এই হিসেবে যদি একটা মানুষ ত্রিশ বছর চাকরি করে, তাহলে তার হাতে সময় থাকে কত? সে নিজের জন্য বাঁচল তবে কয় দিন?
বাকি যে রাতের বারো ঘণ্টা আছে, সেই বারো ঘণ্টা তো মানুষ ঘুমে বা আলসেমিতেই কাটিয়ে দেয়। ঘুম আর মৃত্যুর মধ্যে তো কোনও তফাত নেই।
হিসাব করে দেখেছ কখনো? আমরা আমাদের জীবনের নব্বই ভাগ সময়ই আদতে বাঁচি না। দশ ভাগ যা বাঁচি, তার ভেতরে অনান্য বিষয় আছে। খেয়াল করেছ কখনো... আমরা আদতে বাঁচিই না, হয় খাটাখাটি করি, নয় অন্যের জন্য বাঁচি, নাহলে বাঁচিই না।
কাজই যদি জীবন হয়, তাহলে বেঁচে থাকার মানে কী?
এসব ভাবতে ভাবতে আমার সবকিছু থেকে পালাতে ইচ্ছে করছে।
আচ্ছা, আরেকটা কথা। তুমি কি জানো, পৃথিবীর আশি ভাগ মানুষকেই নিজের অপছন্দের নিয়মেই বাঁচতে হয়?
আমি বুঝি না, আমি এত ফাউ ফাউ ভাবি কেন!
ভালো লাগছে না। আমার লম্বা ছুটি দরকার জীবন থেকে, নিজের কাছ থেকে।
সময়ের ঋণ
লেখাটি শেয়ার করুন