দর্শন ও মনস্তত্ত্ব

শূন্যের সপ্তক: ১৮



এই কারণেই একজন মানুষ তোমার জীবনে এসে তোমাকে কেবলই ভালোবাসে না; সে তোমাকে অনুবাদও করে। তোমার নিজের কাছেই তোমার পাঠোদ্ধার করে। তুমি যে-শূন্যতা দীর্ঘকাল বয়ে বেড়িয়েছ, তার নাম সে উচ্চারণ করে; তুমি যে-অপেক্ষাকে ভুল করে নিঃসঙ্গতা ভেবেছিলে, তার ভেতরে অর্থের দীপ্তি জ্বেলে দেয়; তুমি যে-ক্ষতকে নিছক দুর্ভাগ্য বলে মেনে নিয়েছিলে, তার গভীরে লুকোনো দরজাটিও সে দেখিয়ে দেয়। তখন ধীরে ধীরে বোঝা যায়, কিছু মানুষ কেবল সঙ্গী নয়, কেবল প্রিয়জন নয়, কেবল স্মরণীয় নয়, তারা এক-একটি বার্তা। তাদের আগমন আমাদের শেখায় যে, মহাবিশ্ব আসলে উদাসীন নয়; আল্লাহ্‌র রহমত দূরের কোনো বজ্রধ্বনি হয়ে নেমে আসে না সবসময়, অনেকসময় তা খুব নিকটের একটি কণ্ঠস্বর, একটি হাত, একটি উপস্থিতি। তখন আরও বোঝা যায়, পথ হারানোই শেষ সত্য নয়; কারণ হারিয়ে যাবার মধ্যেই প্রেরিত হয় পথপ্রদর্শক।

হয়তো ফেরেশতার গভীরতর অর্থও এইখানেই। ফেরেশতা শুধু ডানা-ওয়ালা অতিলৌকিক সত্তা নয়; ফেরেশতা এমন এক আগমনও, যা তোমাকে তোমার ভাঙনের মধ্যেও পরিত্যক্ত হতে দেয় না। এমন এক উপস্থিতি, যা তোমার অন্ধকারে এসে নীরবে বসে থাকে, যতক্ষণ না তুমি আলোকে আবার চিনতে শেখো। এমন এক শিক্ষা, যা প্রথমে ক্ষতের মতো এসে লাগে, পরে দিকনির্দেশ হয়ে ওঠে, আর শেষপর্যন্ত নেয়ামতের রূপ পায়।

তাই তাকে বিশ্বাস করো, এমনকি যদি সে এক হাতে আগুন আর অন্য হাতে বৃষ্টি নিয়েও আসে। বিশেষ করে, যদি তার শিক্ষার ভাষা ব্যথা হয়। কারণ ব্যথা আসলে কী? ব্যথা হলো আত্মার সেই উচ্চারণ, যার মাধ্যমে সে বলে, তুমি এখনও তোমার চেয়ে ছোটো কোনো বৃত্তে আবদ্ধ হয়ে আছ। ব্যথা হলো সেই হাতুড়ির আঘাত, যা ভাস্কর মার্বেলের ওপর আনেন। মার্বেল ভাবে, সে ভেঙে যাচ্ছে; কিন্তু ভাস্কর জানেন, তিনি আসলে মুক্ত করে আনছেন সেই মূর্তিকে, যে পাথরের অন্তরে বহুদিন ধরে বন্দি ছিল।

সুফি ঐতিহ্যে বহুলপ্রচলিত একটি আধুনিক পঙ্‌ক্তিসুর প্রায়ই রুমির নামে ঘোরে; প্রামাণ্য উদ্ধৃতি হিসেবে নিশ্চিত না হলেও তার আধ্যাত্মিক সত্য গভীর: যে-ক্ষত আলোকে প্রবেশের পথ দেয়, আলোও সেখান দিয়েই আসে। আবার রাবেয়ার নামে প্রচলিত প্রার্থনাময় সুরে যেন ধ্বনিত হয় এই মর্মটিই: আমি যদি সম্পূর্ণভাবে তাঁর হয়ে যাই, তবে তিনি যা পাঠান, ব্যথা হোক বা আনন্দ, সবই আমার জন্য নেয়ামত। এখানেই রিদা, সেই সন্তুষ্টি, যা সুফি পথের উচ্চতম মাকামগুলোর একটি; যেখানে মানুষ আর হিসেব কষে না, কোনটা মধুর, কোনটা তিক্ত, কোনটা পছন্দনীয়, কোনটা বেদনাদায়ক; বরং সব কিছুকেই মাশুকের দান বলে গ্রহণ করতে শেখে।

তুর্কি সুফি কবি ইউনুস এমরে, আনাতোলিয়ার সেই ভ্রাম্যমাণ দরবেশ, যাঁর সহজ অথচ অগ্নিময় কবিতা শতাব্দীর পর শতাব্দী মানুষের মুখে মুখে বেঁচে আছে, এক জায়গায় বলেছিলেন: “ইলিম ইলিম বিলমেকতির / ইলিম কেন্দিন বিলমেকতির”, অর্থাৎ, জ্ঞান মানে কেবল তথ্য সঞ্চয় নয়; জ্ঞানের পরম অর্থ নিজেকে জানা। যে নিজেকে জানল না, সে কিছুই জানল না। রিদায় পৌঁছোনো মানে এই আত্মজ্ঞান পূর্ণ হওয়া, যেখানে জানা আর মেনে নেওয়া পরস্পর থেকে আলাদা থাকে না, বরং এক অভিন্ন আত্মসমর্পণে এসে মিলিত হয়।

সুফি পথে আরও কিছু মাকাম আছে, যাদেরকে এখানে স্মরণ করা প্রয়োজন। যেমন ওয়ারা বা সতর্কতা, সংযম, আত্মরক্ষার সূক্ষ্ম নৈতিক বোধ। এর অর্থ শুধু হারাম এড়ানো নয়; বরং সন্দেহজনক সব কিছুর দিক থেকেও সরে থাকা। যেন কাচভরা পথে খালিপায়ে হাঁটার সময় মানুষ শুধু কাচকেই নয়, কাচের সম্ভাব্য ছায়াকেও এড়িয়ে চলে। তারপর আসে শুকর বা কৃতজ্ঞতা। আরাম ও প্রাপ্তিতে কৃতজ্ঞ থাকা সহজ; কিন্তু প্রকৃত শুকর তখনই, যখন মানুষ দুঃখের মধ্যেও কৃতজ্ঞ থাকতে শেখে। কারণ যে-সত্তা সুখ দেন, কষ্টও তিনিই দেন; আর উভয়ই তাঁর দান। যেমন মেষশাবকের পশম কেটে দিলে মুহূর্তে ব্যথা লাগে, কিন্তু সেই ব্যথাই তাকে হালকা করে, গ্রীষ্মের দাহ থেকে রক্ষা করে।

সবশেষে আছে ইহসান বা আধ্যাত্মিক সৌন্দর্যের সেই অবস্থা, যেখানে জীবন আর কেবল নিয়মপালন নয়, অন্তর্লীন উপস্থিতি হয়ে ওঠে। হাদিস-ই-জিবরিলে, সহীহ মুসলিমে, এই ইহসানের সংজ্ঞা এসেছে এভাবে: “আন তা‘বুদাল্লাহা কা-আন্নাকা তারাহু, ফা-ইন লাম তাকুন তারাহু ফা-ইন্নাহু ইয়ারাকা”, অর্থাৎ, আল্লাহ্‌র ইবাদত এমনভাবে করো, যেন তুমি তাঁকে দেখছ; আর যদি তুমি তাঁকে দেখতে না পাও, তবে জেনে রাখো, তিনি তোমাকে দেখছেন। ইহসান সেই মাকাম, যেখানে রান্না করা, হাঁটা, কথা বলা, নীরব থাকা, সবই আল্লাহ্‌র সম্মুখে সম্পন্ন এক-একটি কর্মে রূপান্তরিত হয়। এইখানে ভগবদ্‌গীতা (৪.২৪)-য় বর্ণিত ব্রহ্মার্পণম্ ধারণার সঙ্গে আশ্চর্য এক অন্তরঙ্গ সাদৃশ্য দেখা যায়: প্রতিটি কর্মই পবিত্র, যদি কর্তা জানে, কার সামনে সে দাঁড়িয়ে আছে।

এখানেই আসে সুফি পথের কঠিনতম শিক্ষাগুলোর একটি, যা রুমির সতর্কবাণীর সুরে ধ্বনিত হয়। তুমি এই আত্মাকে ভালোবাসতে পারো, কিন্তু সে তোমার কাছে থেকে যাবার জন্য আসেনি। সে তোমাকে “বাঁচাতে” আসেনি, কারণ সে এসেছে তোমাকে এটা দেখাতে যে, তুমি আদৌ ডুবছিলে না। তুমি যাকে ডুবে যাওয়া ভেবেছিলে, তা ছিল সাঁতার শেখার প্রক্রিয়া; তুমি যাকে অন্ধকার বলেছিলে, তা ছিল তোমারই বন্ধ চোখের পাতার অন্তর্গত রং; তুমি যাকে সমাপ্তি ভেবেছিলে, তা ছিল কেবল এক বাঁকের আড়ালে গোপন হয়ে থাকা সূচনা।

আর যখন এই জানা সম্পূর্ণ হয়ে যায়, ফেরেশতা সরে যায়। শরতে পাতা যেমন গাছ ছেড়ে ঝরে পড়ে, কারণ তার কাজ শেষ, কারণ যতটুকু সূর্যালোক ধারণ করার ছিল, সে তা ধারণ করেছে, আর এখন গাছকে শীতের জন্য হালকা হতে হবে, তেমনি ফেরেশতাও ছেড়ে দেয় তোমার দেহ, তোমার জীবন, তোমার গল্প। যে একসময় অচেনা ছিল, সে আবার অচেনাই হয়ে ওঠে। দরজা বন্ধ হয়। পরবর্তীকালে রাস্তায় যদি আবার দেখা হয়, চোখে চেনার কোনো নিশ্চিত ভাষা থাকে না; থাকে শুধু এক অস্পষ্ট কম্পন, যেন কোনো সুরের ক্ষীণ অবশেষ, যাকে ধরতে গেলেই তা মিলিয়ে যায়।

তখন তোমার হাতে যা অবশিষ্ট থাকে, তা কেবল ডানার স্মৃতি। আর তার চেয়েও গভীর হঠাৎ জেগে-ওঠা এক ভয়ংকর, মহিমান্বিত বোধ যে, ডানাগুলো আসলে চিরকাল তোমারই ছিল। তুমি কেবল তাদের শরীরের সঙ্গে এত জোরে চেপে রেখেছিলে যে, তারা ক্ষতের মতো অনুভূত হচ্ছিল। এখানে শ্রীঅরবিন্দের দৃষ্টিও এক অসামান্য সমান্তরাল উপস্থিতি নিয়ে আসে। তিনি বলেছিলেন, মানুষ এখনও সম্পূর্ণ সত্তা নয়; সে এক ক্রান্তিকালীন অস্তিত্ব, যে পশু থেকে মানুষ হয়েছে, মানুষ থেকে আরও উচ্চতর চেতনার দিকে যাচ্ছে। সেই উত্তরণের পথে প্রতিটি ক্ষত, প্রতিটি ভাঙন, প্রতিটি অন্ধকার আসলে রূপান্তরের বেদনা, যেমন শুঁয়োপোকা প্রজাপতি হবার সময় যে-অস্বস্তি, যে-বিঘটন, যে-অবলুপ্তি অনুভব করে, তা ধ্বংস নয়, রূপান্তরেরই অন্তর্গত ব্যাকরণ। যেমন শিশু মুষ্টিবদ্ধ হাত নিয়ে ঘুমিয়ে থাকে, আর জেগে উঠে আবিষ্কার করে, হাত খুললে পুরো আকাশকে ছুঁয়ে ফেলা যায়।

দোঁহা: ফেরেশতা এসে বলে যায়, তুমি তো ডানাওয়ালা রে! মুষ্টি খোলো, চোখ খোলো; আকাশটা তোমার সামনেই পড়ে রে!

“এত অন্ধকার। কোথাও আলো দেখি না।”

কারণ প্রদীপ তো তোমার ভেতরেই, প্রিয়। ভগবদ্‌গীতা (১০.২০)-য় কৃষ্ণ অর্জুনকে বলেন: “অহমাত্মা গুড়াকেশ সর্বভূতাশয়স্থিতঃ / অহমাদিশ্চ মধ্যং চ ভূতানামন্ত এব চ”, অর্থাৎ, আমি সকল প্রাণীর অন্তঃস্থিত আত্মা; আমিই তাদের আদি, মধ্য ও অন্ত। এই বাণীতে কৃষ্ণ বাইরের কোনো দূরবর্তী দেবতার দিকে পাঠাচ্ছেন না; তিনি অন্তরের গভীরতম প্রকোষ্ঠের দিকে ফিরিয়ে দিচ্ছেন। বলছেন, আমি তোমার ভেতরে, তোমার হৃদয়ের সেই স্থানে, যেখানে তুমি নিজেও হয়তো এখনও পুরোপুরি পৌঁছাওনি। “সর্বভূতাশয়স্থিতঃ” বা সকল প্রাণীর আশ্রয়, অর্থাৎ হৃদয়ে অবস্থানকারী, মানে পিঁপড়ের বুকেও তিনি, হাতির বুকেও তিনি, তুমি যে-মানুষটিকে সারাজীবন খুঁজে ফিরেছ, তার বুকেও তিনি, আর তোমার নিজের বুকেও সেই একই সত্তা জেগে আছেন।

এই সত্য সূরা আন-নূরের আলোকবাণীর সঙ্গে এক গভীর অনুরণন সৃষ্টি করে। সূরা আন-নূর (২৪:৩৫) ঘোষণা করে: “আল্লাহু নূরুস্‌ সামাওয়াতি ওয়াল আরদ”, অর্থাৎ, আল্লাহ্ আসমান ও জমিনের নুর। সেই নুর কেবল বাইরে ছড়িয়ে-থাকা কোনো অতিদূর আলোকরাশি নয়; সে অন্তরেও জ্বলে। চোখ নিজের মুখ নিজে দেখতে পায় না, আয়নার প্রয়োজন হয়। সূর্যও নিজের উষ্ণতা আলাদা করে অনুভব করে না। তেমনি মানুষ প্রায়ই নিজের ভেতরের আলোকে ভুলে যায়, অথচ সেই আলোতেই সে অন্য সব আলোকে চিনতে শেখে।

রামপ্রসাদ সেন এই অন্তর্গত সম্ভাবনার ভাষাই বাংলার মাটি থেকে তুলেছিলেন। তাঁর বিখ্যাত গান “মন রে, কৃষিকাজ জানো না / এমন মানবজমিন রইল পতিত, আবাদ করলে ফলতো সোনা” আসলে মানুষের হৃদয়কে এক অনাবাদী ক্ষেত্র হিসেবে দেখতে শেখায়। এই মানবজমিনের ভেতর কী আছে, আমরা জানি না; অথচ তার গর্ভে আছে সোনা, আলো, ঈশ্বরের সম্ভাবনা। রামপ্রসাদের সাধনায় অন্ধকার আলোর বিপরীত নয়; অন্ধকারই আলোর গর্ভ, মা কালীর কৃষ্ণবর্ণ আবরণেই লুকিয়ে আছে চেতনার গভীরতম জ্যোতি।

তাই যখন তুমি বলো, “আমি আলো খুঁজছি”, তখন হয়তো তুমি এখনও ভুল জায়গায় তাকিয়ে আছ। তোমার চারপাশে পৃথিবীর যত পতঙ্গ, তারা তোমার বুকের চারদিকে ঘুরছে, আর তুমি নিজে একটি মোমবাতি খুঁজে মরছ! অথচ আলো তো তুমি নিজেই। খোঁজা বন্ধ করো। জ্বলা শুরু করো।

কবীরের বাণীতেও এই একই সুর শোনা যায়: জ্যোতি থেকে জ্যোতি জাগে। একটি প্রদীপ আর-একটি প্রদীপকে খুঁজে বেড়ায় না; সে জ্বলে, আর তার জ্বলন থেকেই অন্য প্রদীপে আগুন লাগে। তেমনি তুমি যদি আলো খুঁজে বেড়াও, তবে তুমি হয়তো এখনও ভুলে আছ যে, তুমি নিজেই আগুন। আর আগুনের কাজ খোঁজা নয়, আগুনের কাজ জ্বলা।

কিন্তু জ্বলা সহজ নয়। জ্বলা মানে নিজেকে খরচ করতে রাজি হওয়া। মোমবাতি জ্বলে বলেই ক্ষয় হয়; কিন্তু সেই ক্ষয়ই তার আলোর ভাষা। যে নিজেকে খরচ করতে প্রস্তুত, সে-ই জানে, আমার ভেতরে যা আছে, তা কেবল আমার ক্ষুদ্র সঞ্চয় নয়; তার উৎস আরও গভীরে। আমার আগুন আমার ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়; তা তাঁরই অর্পণ। তাই জ্বলে যাওয়া নিঃশেষ হওয়া নয়; বরং উৎসের সঙ্গে সংযুক্ত হবার আর-এক নাম।

ইকবাল যেন গর্জে ওঠেন: “খুদি কা সির্‌র-ই-নিহাঁ—লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ; খুদি হ্যায় তেগ, ফসান ইসকা—লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ।” অর্থাৎ খুদির গুপ্ত রহস্যও “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ”, তার ধার, তার দীপ্তি, তার শাণও “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ”। এই উচ্চারণে মানুষকে ভিখারি নয়, সম্রাট হিসেবে কল্পনা করা হয়, এমন এক সম্রাট, যে নিজের মুকুট ভুলে রাস্তায় বসে আছে, অথচ এখনও জানে না, তার রাজ্য তারই অন্তরে।

‘খুদি’ হলো আল্লামা ইকবালের দর্শনে মানুষের অন্তর্গত সত্তাশক্তি; নিজের সত্য মর্যাদা, আত্মসচেতনতা, আত্মমর্যাদা, সৃজনশীল প্রাণশক্তি এবং স্রষ্টামুখী ব্যক্তিত্বের দীপ্ত কেন্দ্র। একে শুধু “অহং” বললে ভুল হবে। কারণ সাধারণ অহং বা ইগো প্রায়ই আত্মগর্ব, স্বার্থপরতা, বা আলাদা হয়ে ওঠার মোহ বোঝায়; কিন্তু ইকবালের খুদি তার উলটো অর্থে গভীরতর। এটি সেই শক্তি, যার দ্বারা মানুষ নিজের মধ্যে লুকিয়ে-থাকা সম্ভাবনাকে জাগায়, নিজেকে ভিখিরি নয়, খলিফা বা প্রতিনিধি হিসেবে চিনতে শেখে, এবং আল্লাহ্‌র সামনে মাথা নত করেই ভেতরে আরও দৃঢ় হয়।
লেখাটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *