অনুপ্রেরণামূলক

বৃদ্ধ বয়সের সুখতত্ত্ব

মানুষ এখন আগের চেয়ে বেশিদিন বাঁচে; আর আগের চেয়ে কম স্বস্তি নিয়ে মরে। কিন্তু কেন এমন হয়? কী করলে পরে মানুষ তার বৃদ্ধ বয়সে সুখে বাঁচতে পারে?

উত্তরটা সহজ। যা করতে আমাদের ভালো লাগে, যদি তা করা বন্ধ করে না দিই, অন্যান্য কাজের পাশাপাশি ভালোলাগার কাজটা করে যাই, তাহলে বাঁচতে আমাদের ততটা খারাপ লাগবে না।

এই যেমন, কেউ গাইতে ভালোবাসে, কেউ ছবি আঁকতে ভালোবাসে, কেউ লিখতে ভালোবাসে, কেউ বাগান করতে ভালোবাসে, কেউ হাতের কাজ করতে ভালোবাসে, এবং এরকম আরও অনেক কিছু। এইসব কাজ‌ই মানুষকে ভালো রাখে, দিনযাপনের ক্লান্তি ভুলতে সাহায্য করে। মস্তিষ্কের সচলতা মানুষকে ভালো রাখে, অপ্রয়োজনীয় চিন্তাভাবনা থেকে দূরে রাখে।

মানুষ বুড়িয়ে যায় মূলত মনকে ভালো রাখতে পারে না বলে, আত্মার যত্ন ঠিকভাবে নিতে পারে না বলে। বয়সের ভারে যে অবসাদ আসে, তাতে শরীরের ও ভাবনার শক্তি ক্রমশ ক্ষয়ে যেতে থাকে... যদি মস্তিষ্কের আলস্যকে প্রশ্রয় দেওয়া হয়। যা করতে ভালো লাগে, তা করার সময় মানুষ সাধারণত শারীরিক ও মানসিক নানান বিষাদ ভুলে সুন্দর সময়ে বাঁচতে পারে।

শখের কাজে বয়স‌ও হার মানে। ক্লান্তি ও অবসাদ ভুলতে ভালোলাগার কাজ অব্যর্থ ওষুধের মতো কাজ করে। এতে মনের ক্ষমতার জোরে সকল ধরনের বাধা সরিয়ে মানুষ কর্মক্ষম থাকে, সুখের অনুষঙ্গ নিয়ে বৃদ্ধ বয়সেও হাসিমুখে থাকতে পারে।
লেখাটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *