'পরিণীতা' মুভিটাতে শুভশ্রীর পারফরম্যান্স দেখে আমি মেয়ে হয়েও ওর প্রেমে পড়ে গেছি। একটা মানুষকে যে এতটা ভালোবাসা যায়, এই মুভি না দেখলে বোঝা যাবে না।
মুভিতে মেয়েটা যার ভালোবাসা কোনোদিনই পায়নি, তার জন্যে নিজেকে উৎসর্গ করেছে। যাকে ভালোবেসেছে, তাকে মুখ ফুটে কখনও বলতেই পারেনি নিজের ভালোবাসার কথা। যখন সে জানতে পারল, ওর ভালোবাসার মানুষটা অন্য একজনকে ভালোবাসে, খুব কষ্ট পেয়েছে তখন। কিন্তু ছেলেটা বলা নেই কওয়া নেই হঠাৎ সুইসাইড করে বসে যখন, তারপর শুভশ্রীর নিঃস্বার্থ ভালোবাসার তীব্রতা বোঝা গেছে।
ছেলেটা মারা যাবার পর নিজের দারিদ্র্যকে উপেক্ষা করে ছেলের মায়ের সব দায়িত্ব সে নেয়। ছেলেটার সুইসাইডের কারণটা আমি প্রথমে বুঝতে পারিনি, এটা একটা টুইস্ট ছিল। মেয়েটা যে কোম্পানিতে জব নেয়, সেখানে সে তার ভালোবাসার মানুষের মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে যায় আসলে। ছেলেটা যে মেয়েকে ভালোবাসত, ওই মেয়েটাই তার সুইসাইডের জন্যে দায়ী ছিল।
আমার নিজেকে এই পরিণীতার মতো মনে হয়; আমি অনেক খারাপ মেয়ে হয়ে গেছি, কিন্তু আমার অনুভূতি নষ্ট হয়ে যায়নি, তোমার কোনও কষ্ট আমার সহ্য হয় না, আমার ইচ্ছে করে পৃথিবীর সব সুখ তোমার হাতে তুলে দিতে! তোমাকে কষ্ট পেতে দেখতে চাই না; তুমি এমন একটা মানুষ, যার জন্যে যে-কোনও স্যাক্রিফাইস করা সম্ভব। তুমি চাইলে যাচাই করে নিয়ো তোমার জন্যে আমি সত্যি সত্যি সব স্যাক্রিফাইস করতে পারি কি না।
আমি অফিসে নিজের পারসোনালিটি এমন রাখার চেষ্টা করি যাতে কেউ আমার সাথে ক্লোজ হবার সুযোগ না পায়। গল্প যতই করি, একটা ডিসট্যান্স মেইনটেইন করে চলি, আমার সিক্রেট লাইফ যেমনই হোক, সেটা কাউকে বুঝতে দেওয়া যাবে না... ঠিক পরিণীতার মতো... মিশি, তবে কখনও মিলে যাই না।
পরিণীতার মতো
লেখাটি শেয়ার করুন