কথোপকথন

ঘ্রাণের অসুখ



: অবশ্য জীবন বদলে যাবার প্রতিক্রিয়াটা সেদিনই প্রথম শুরু হয়েছিল, যেদিন প্রথমবারের মতো সে আমাকে গভীরভাবে স্পর্শ করল। সেই আলিঙ্গনই আমাকে তাকে নিজের করে পেতে বাধ্য করেছিল। তার শরীরের ঘ্রাণ ক্রমশই রক্তে মিশে যেতে শুরু করল। জানি না, এক অজানা আতঙ্ক কেন শরীর ও মনকে অবশ করে ফেলত প্রতিক্ষণে! তার দিকে বেশিক্ষণ তাকিয়ে থাকা যেত না।

আমি লক্ষ করেছি, মেয়েদের মধ্যে একটা ব্যাপার আছে—একবার ঘনিষ্ঠতা হয়ে গেলে তারা উন্মাদের মতো ভালোবাসতে শুরু করে। সম্ভবত, এই শরীরটাই তাদের ভোগান্তির একমাত্র কারণ।

: আপনি সম্ভবত মনোজগতের গভীরে গিয়ে লেখালেখি করেন। তবে মানুষ সম্পর্কে আপনার অনাগ্রহ কিন্তু সে-কথা বলে না। সেই মানুষটার প্রতি মোহ ঠিক কতখানি বেড়েছিল? না কি ওটাকে তীব্রতা বলে?

: আমি তার কাছে আমার গভীর অনুভূতির প্রত্যেকটা শব্দ ভাগাভাগি করি—যে-ভুলটা সাংঘাতিক।

: আপনি কেন লেখালেখি বন্ধ করলেন?

: তার সাথে হঠাৎ কথা থেমে গিয়েছিল।

একটু ঘোরের মধ্যে আছি। ঘোরটা কেটে গেলেই আমি তার ভালোবাসা পাবার জন্য অস্থির হয়ে উঠব, যেমন লেখালেখিটা কেবল গভীর অনুভূতির মানুষকে দিয়েই সম্ভব।
লেখাটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *