: নিজেকে অনেক একা-করে ফেলেছি। দিব্যি লাগছে! তোকে ছেড়ে যেতে হবে, সে কথা এখনও মেনে নিতে পারিনি; মানসিকভাবে এখনও তোর সাথেই থেকে গিয়েছি, যদিও এর কোনো কারণ জানা নেই আমার।
এই যে এতগুলো মনের কথা নির্দ্বিধায় বলতে পারছি তোকে, অমন সযত্নে কখনো পেরেছিলাম কি কারও স্মৃতি ধরে রাখতে? স্মৃতি নিয়ে বাঁচা যে বড়ো কঠিন; মানুষ নিয়ে বাঁচা ভীষণ সহজ, তবে মানুষগুলোকে পেছনে ফেলে এসেছি; তোর বুকের গভীরে কান পেতে শুনেছি, একাও যে বাঁচা যায়।
নিজেকে ভালোবেসে ফেলার চেষ্টা করেছি যত বার, তোকেই খুঁজেছি সহস্র পরাজয় মেনে তত বার, তোকে ভেবেই লিখেছি বিবর্ণ কাগজে-মোড়া নিঃশব্দে থেমে যাওয়া অনুভূতির প্রকাশ।
তুই কি বুঝতে পারিস আমাকে? আহত এ সময়ের ভিড়ে আমি চাই না, কেউ কক্ষনো আমার পাশে থাকুক, আমাকে বুঝতে শিখুক; তবুও আমি খুব করে চাই, তুই এমনটা করে আমার ভাবনায় থেকে যা আরও কিছুক্ষণ, তোর ঘোরে ডুবে থাকার নেশাটা আজও কমেনি, বিন্দুমাত্র কমেনি, বিশ্বাস কর!
: কাঁদছিস কেন?
: এ অশ্রু নয়; আমার অনুভূতিগুলো তোর জন্য এখনও জীবন্ত, যা তোকে বোঝাতে আমি অক্ষম; আমি নির্বোধ নই, আমি বস্তুত তোর ছোঁয়া চেয়েছি, স্পর্শ নয়। আবেগশূন্য হয়ে কি কারও মায়ায় আটকে রাখা যায় নিজেকে? কারও চোখে নিজেকে ফিরে দেখা যায়, বল?
আমাকে বোঝার সময় হলো না যার, তার কাছে থেকে নিজেকে আড়াল করে ফেলাটাই কি শ্রেয় নয়?