এই অবস্থার মনকে বলা হয়েছে পোড়া দড়ির মতো—রূপ আছে, কিন্তু শক্তি নেই। যেমন পোড়া দড়ি আর কিছু বাঁধতে পারে না, তেমনি জ্ঞানপ্রাপ্ত সাধকের মনও আর কোনো বন্ধন রচনা…
শেষে বলা হয়েছে—“ইত্যেষা পরমার্থতা”, অর্থাৎ এ-ই পরমার্থ সত্য। এই অবস্থায় ব্রহ্ম একমাত্র সত্য; জগৎ, সৃষ্টি, সাধনা, মুক্তি—সবই আপেক্ষিক ও ব্যাবহারিক স্তরের ঘটনা, যা পরম দৃষ্টিতে কেবল মায়ার রূপ।গৌড়পাদ…
বিবরণ-বাদে চৈতন্যই চূড়ান্ত আলোক—যে নিজের মধ্যেই দীপ্ত, এবং তার আলোয়ই সমগ্র জগৎ ও সমস্ত জ্ঞান সম্ভব। বিবরণ-বাদ এই স্বয়ংপ্রকাশ চৈতন্যকে “জ্ঞানস্বরূপ ব্রহ্ম” হিসেবে স্থাপন করে। এখানে মন বা…