ভাবনাদেয়ালের পলেস্তারা

ভাবনাদেয়ালের পলেস্তারা: ১৫২

এক। টিচার: আচ্ছা, ধরো, তোমাকে আমি দুটো আপেল দিলাম; একটা বড়ো, আরেকটা ছোটো। যদি বলি, দুটোর যে-কোনোটিকে সমান দুই ভাগ করে এক ভাগ তুমি নেবে, আরেক ভাগ তোমার ভাইকে দেবে, তাহলে তুমি কোন আপেলটিকে ভাগ করবে?
ছাত্র: মিস, আমার কোন ভাইয়ের কথা বলছেন? বড়ো ভাই? না কি ছোটো ভাই?

রাষ্ট্র যখন সম-অধিকারের কথা বলে, তখনও ঠিক এক‌ই ঘটনা ঘটে। সমান অধিকার দেবার বেলায় রাষ্ট্র দেখে, যে অধিকারের কথা বলা হচ্ছে, তা যাদের মধ্যে সমভাবে ভাগ হবে, সেই জনগোষ্ঠীতে কাদের প্রাধান্য বেশি? অধিক পেশিশক্তির সংখ্যাগুরুদের? না কি অল্প পেশিশক্তির সংখ্যালঘুদের? রাষ্ট্র পরিস্থিতি বুঝে অধিকারের মাত্রা নির্ধারণ করে।

দুই। Life is good with a cup of Starbucks with no fans or followers around. Life dances when no one around knows or judges you.

তিন। Hide your tears and show your smiles. No one is interested in your sad stories.

By the way, meet Mr Lokesh! He is a nice hairdresser at Toni & Guy.

চার। OK, I understand that you are prettier than most of the girls you know.
But please try to understand that you are also uglier than many other girls I know.
Know more people to know the truth.

পাঁচ। তোমরা যারা নিজের দুঃখের বিজ্ঞাপন করে বেড়াও, তাদের কি কোনও ধারণা আছে, যার কাছে ওসব দুঃখের কথা বলে বেড়াচ্ছ, সে নিজে কীসের মধ্যে আছে? যে কখনোই নিজের কষ্টের কথা শেয়ার করে না, তাকে যখন এমন কষ্টের ঘ্যানরঘ্যান সহ্য করতে হয়, যে কষ্ট তার নিজের বর্তমান পরিস্থিতির কাছে একেবারেই নস্যি, তখন তার কতটা বিরক্ত লাগে, তা কখনো ভেবে দেখেছ? যে শুনতে চায় না, তাকে জোর করে নিজের কষ্টের কাহিনি শোনানো ইতরামি-ফাজলামি ছাড়া আর কিছু নয়। Grow up, idiots!

ছয়। মেয়েদের কখনও ভালো চাইতে নেই। মেয়েরা যা চায়, কেবল তা-ই চাইতে হয়; এমনকী তার চাইতে ভালো কিছু তোমার মাথায় এলেও শান্তির স্বার্থে ওদের চাওয়াটাই পূরণ করা ভালো।

সাত। আমরা সত্যিই তেমন কাউকে মনে রাখি না। জীবন সহজ কিছু নয়। সবাইকে এখানে রাখা যায় না। তাই কে মনে রাখল আর কে ভুলে গেল, তা নিয়ে পড়ে থাকলে কষ্টটা নিজেকেই পেতে হয়।

যার জন্য একদিন জীবন দিতেও রাজি ছিলেন, আজ সে হয়তো আপনার ফোনটাও ধরে না। কী এসে যায়! জীবন কার জন্য থেমে থাকে? যে থেকে গেল, সে তো থেকেই গেল; আর যে চলে গেল, তার স্মৃতি তো থেকে গেল! কিছু মানুষের নাম স্মৃতি।

মানুষ কি আর মনের মতো হয়! মানুষ তো কেবল মানুষেরই মতো হয়!

পুনশ্চ। উপরের কথাগুলোর সাথে পোস্টের ছবির কোনও সম্পর্ক নেই। ছবিটা আমার খুব পছন্দের, তাই শেয়ার করলাম। মেয়েটির শার্টে কী লিখেছিলাম, মনে নেই; তবে অনুভূতিটুকু বেঁচে আছে। এ পৃথিবীতে এক অনুভূতিই অমর।

আট। What is the use of all your achievements when you've lost someone for whom you're ready to sacrifice even your life?

নয়। যে আঘাত দেয়‌ই না, মানুষ তাকে মনে রাখে না। মানুষ তাকেই মনে রাখে, যে আঘাত দিয়ে ক্ষতটা সারিয়ে দেয়।

দশ। তাহলে দেখা হচ্ছে আজ টাঙ্গাইলে।

ক্যারিয়ার আড্ডার ভেন্যু: মাভাবিপ্রবি ক্যাম্পাসের মুক্তমঞ্চ

অনুষ্ঠান শুরু হবে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে, চলবে গোধূলিমুহূর্ত পর্যন্ত বা যতক্ষণ আমাকে আটকে রাখতে পারবেন।

আমার একটাই গুণ: আমি ভূতের মতো খাটতে পারি। তাই আমার স্ট্যামিনা-লেভেল অবিশ্বাস্য রকমের বেশি।

মন চাইলে চলে আসুন। আমার হেটাররাও আসুন, কথা হবে; কথা হলে অপ্রয়োজনীয় দূরত্ব কমে। হৃদয়ের উষ্ণতা কষ্ট তাড়ায়। এ কারণেই হাগ কখনো কখনো মেডিসিনের মতো কাজ করে।

উল্লেখ্য, এই প্রথম এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে আমার অনস্টেজ আড্ডা হচ্ছে, আগেরটা হয়েছিল অনলাইনে।

জয়কালী'র স্বর্গীয় স্বাদের চমচম কেউ খাওয়াতে চাইলে ফিরিয়ে দেবো না, পাক্কা কথা দিলাম।

এগারো। কুড়িখাই মেলা ঘুরে এসে তিন-কম-কুড়িখাই-শেষে তবু মনে হচ্ছে... অতি অল্প হ‌ইল!

বুঝলেন না তো? তবে ঝেড়ে কাশছি।

কুড়িখাই মেলা একদমই গ্রাম্য একটি মেলা। মাটি ও মানুষের মেঠো ঘ্রাণ পেতে চাইলে কয়েক শতাব্দীপ্রাচীন মাজারকেন্দ্রিক এই মেলা থেকে ঘুরে আসতে পারেন। ননস্টপ কুড়মুড়ে পিঁয়াজু আর মাষকলাই ডালের জিলাপি খেতে খেতে মেলায় ঘুরে ঘুরে মেলার নেশায় বুঁদ হয়ে মানুষের চোখ আর কথা উপভোগ করতে ভালো লাগবে। হাতে সময় নিয়ে এলেই ভালো। মেলাটা বেশ বড়ো পরিসরেই হয়। এখনও পুরোপুরি শুরু হয়নি, তবু প্রস্তুতিপর্বটিও যথেষ্ট চমৎকার। এই মেলায় অনেক বড়ো বড়ো মাছ ওঠে, যা মেলার মূল আকর্ষণ। আগামী সপ্তাহে মেলা শুরু হবে পুরোদমে। আজ মেলায় ঘুরতে ঘুরতে হঠাৎ 'পদ্মা নদীর মাঝি'র মেলাটির কথা মনে পড়ছিল।

মেলা থেকে বেরিয়ে সবাই মিলে আমাদের এক নিভৃত আড্ডাঘরে যেমন-খুশি-তেমন-খাও স্টাইলে হাঁসের মাংস দিয়ে চালের রুটি খেলাম। সতেরো পিস রুটি আর চার প্লেট মাংস খেয়ে থেমে গেলাম এজন্য নয় যে, আর খেতে পারছিলাম না। অত খাবার আশেপাশের কেউ খেতে পারছিল না দেখে কীরকম জানি লজ্জা পেয়ে গেলাম! পেটুক হতে পারি, তবে নির্লজ্জ ন‌ই! আর তা ছাড়া যথেষ্ট পরিমাণে স্বাস্থ্যসচেতন হবার সুবাদে মাঝে মাঝে কম খাওয়া শরীরের জন্য ভালো বলেই আমি বিশ্বাস করি। তা না হলে আজকের খাওয়া হতো নির্ঘাত আট প্লেটসমেত ছয়-কম-ডাবলকুড়িখাই! বলা বাহুল্য, কুড়িখাই মেলায় ঝালমুড়ি, পিঁয়াজু, জিলাপি যতটুকু খেয়েছি, তা-ও মোটামুটি এক কেজির কাছাকাছি হবার কথা।

যদি আমায় ভালোবাসেন, তবে আমায় 'দাওয়াত' দিন।

বারো। স্বর্গে গেলে ইচ্ছেমতো মিষ্টি খাওয়া যাবে তো? না যায় যদি, আমার জন্য তবে নরক‌ই ভালো। ভুঁড়ি বাড়ে তো বাড়ুক, প্রেয়সী চলে যায় তো যাক, তবু মিষ্টি আমি খাব‌ই খাব! কোথাও ঘুরতে গেলে প্রথমেই খোঁজ নিই, ওখানকার সেরা মিষ্টি কোথায় পাওয়া যায়। যে মেয়ে মিষ্টি খেতে দেয় না, সে মেয়ে নয়, সাক্ষাৎ ডাইনি!

আমার কী ভালো লাগে বা লাগে না, তা নিয়ে আমি কখনোই কার‌ও মতামতের তোয়াক্কা করি না। জীবন আমার, মৃত্যুটাও আমার; আত্মাকে খুশি রাখতে জিভের যত বাড়াবাড়ি, তার সমস্ত দায়‌ও আমার। লোকের কথায় মিষ্টি খায় না যে, লোকের কথায় সে মানুষ‌ও খুন করতে পারে!

অষ্টগ্রামের এক দোকানে রসমালাই খেয়ে আজ আমার দশা হয়েছে মুজতবা আলীর 'রসগোল্লা' গল্পের সেই বড়োকর্তাটির মতন! আপনাদের মনে না পড়লে মনে করিয়ে দিই...

"... বড়োকর্তা একটি মুখে তুলেই চোখ বন্ধ করে রইলেন আড়াই মিনিট। চোখ বন্ধ অবস্থায়ই আবার হাত বাড়িয়ে দিলেন। ফের আবার।"

হ্যাঁ, আমার ক্ষেত্রেও আজ ঠিক এমন‌ই হলো... ফের আবার! হাতে সময় থাকলে আরও দু-প্লেট হাপিশ করে দিতে পারতাম অনায়াসেই!

শেষ কবে এমন চমৎকার রসমালাই খেয়েছি, মনে নেই। গরম গরম এই অমৃত খেয়ে মরলেও বুঝি শান্তি! অষ্টগ্রামের 'আকাশ সুইটমিট' নামের দোকানে সুযোগ পেলে একবার ঢুঁ মেরে আসুন। রসমালাইয়ের স্বাদ বহুদিন মনে থাকবে।

বাসায় ফিরে সময় পেলে আজকের হাওড়াঞ্চল-ভ্রমণ নিয়ে লিখব।

তেরো। তবে কি... আমার মৃত্যু আসন্ন, এমন আশ্বাস পেলে তুমি আমাকে ঠিক আমার মতো করে বাঁচতে দিতে?

চৌদ্দ। Chanting is so POWERFUL!!!

পনেরো। যদি কখনো দেখি, ঈশ্বরের সাথে আমার একধরনের দূরত্ব তৈরি হয়েছে, তখন ঠিক বুঝে নিই, দূরে আদতে কে সরে গেছে... আমি? না কি ঈশ্বর?

তখন স্থির হয়ে ধীরে ধীরে নিজের হৃদয়ের বারান্দায় ফেরার চেষ্টা করি।

ষোলো। একটা সত্যি কথা বলি। 🤐

আমি সাধারণত মোবাইলে কত পার্সেন্ট চার্জ আছে চেক করি না। তবে যখন‌ই চেক করি, প্রায় নাইনটিনাইন পার্সেন্ট সময়ই দেখি, রিমেইনিং চার্জ সিক্সটিনাইন (69)। সত্যি সত্যি এই সংখ্যাটাই চোখের সামনে বার বার ফিরে আসে। এ এক অদ্ভুত ব্যাপার! 😑

কেন এমন হয়? আমার অন্যতম প্রিয় তামিল সিনেমা 'নাইনটিসিক্স ('96), তাই? না কি অন্য কোনও রহস্য আছে এর পেছনে? 🤔

সতেরো। ঈশ্বর ও দেবতার মধ্যে পার্থক্য নিয়ে ভাবতে গিয়ে মনে হলো: ঈশ্বর হৃদয়ের ভেতরে থাকেন, আর দেবতা থাকেন হৃদয়ের বাইরে। দেবতাকে হৃদয়ে ধারণ করতে পারলে তিনিও ঈশ্বর হয়ে যান।

আপনাদের কী মনে হয়?

আঠারো। চশমার দোকানের গ্লাসডোরে এই লেখাটি সেঁটে দেওয়া:

যখন চোখ খারাপ হয়, চোখে ঠিকমতো দেখতে পান না, তখন আমাদের কাছে আসুন।
যখন মন খারাপ হয়, মনে ঠিকমতো ভাবতে পারেন না, তখন ঈশ্বরের কাছে যান।

কোন চশমার দোকানের দরোজায়? আমি চশমা বেচলে যে দোকানটা খুলতাম, ওটার।

উনিশ। আজ গাড়িতে ওঠার সময় মাথা নিচু করতে ভুলে গিয়েছিলাম বলে মাথায় বাড়ি খেয়ে প্রচণ্ড আঘাত পেয়েছি। হঠাৎ মনে হলো, জীবনে চলার পথে বেশিরভাগ আঘাত‌ই আসে কেবল সময়মতো মাথা নিচু করতে ভুলে যাই বলেই!

বিশ। মানুষকে খুব বেশি আপন ভেবে আসলে কোনও লাভ নেই। বেশিরভাগ মানুষই, যতক্ষণ আপনাকে কাজে লাগছে, ততক্ষণই আপন হয়ে থাকে। কাজ ফুরোলে কেউ ফোন করে খোঁজখবর নেওয়া দূরে থাক, ঠিকমতো ফোনটাও আর ধরে না। তখন দুঃখ পেতে হয়। নিজেকে কীরকম জানি বোকা বোকা লাগে।

পৃথিবীর প্রায় সব সম্পর্কই স্বার্থ ও কাজের সুতোয় ও ছুতোয় বাঁধা।

একুশ। শান্তিপ্রিয় মানুষেরা তাদের পার্টনারের সাথে অভিনয় করে হলেও শান্তি বজায় রাখার চেষ্টা করে।
ভালোবাসাপ্রিয় মানুষেরা তাদের পার্টনারের সাথে অশান্তি করে হলেও ভালোবাসা আদায় করার চেষ্টা করে।

প্রথম ক্যাটাগরির মানুষ শান্তি নষ্ট হবার ভয়ে মিথ্যা করে হলেও ভালোবাসা দেখায়। ওদের অভিনয় শান্তির জন্য।
দ্বিতীয় ক্যাটাগরির মানুষ ভালোবাসার ছদ্মবেশে মূলত ভয় আদায় করে। ওদের ভালোবাসা ভয়ে রাখার জন্য।

মানুষ ভালোবাসা পাবার লোভে সম্পর্কে জড়ায়, তার পরে বাকিটা জীবন ভয় আর অভিনয়ের দাসত্ব করে কাটিয়ে দেয়।

অভিনয় ছাড়া সংসার চলে না।

বাইশ। যাঁরা এখনও ঘুমাননি... ইচ্ছে করেই; কী করতে মন চাইছে, বুঝতে পারছেন না, তবে একটা মুভি দেখতে শুরু করাই যায়, মনের এমন প্রস্তাবে আপত্তি নেই, তাঁদের জন্য একটা মুভি রিকমেন্ড করছি: কালা (Qala)।

এই অপূর্ব চিত্রায়ণের কনসেপ্ট ও মেকিং আপনাকে মুগ্ধ করবে।

আমি এই মুহূর্তে দেখছি। মুভি, চকলেট, বাদাম, চিপস আর... পঞ্চম উপাদান যা-ই হোক, তা না থাকলেও নেশা ধরে যেত কেবল এই মুভির আলো-আঁধারি ভাষা আর স্বর্গীয় সুরের জোরেই!

আসুন, সিনেমা খাই, শীত তাড়াই।

তেইশ। মানুষ কষ্ট পেতেই নষ্ট করে।

চব্বিশ। সবশেষে, মানুষ আবারও কিছু স্মৃতি জমিয়ে রাখে। বেঁচে থাকার জন্য তার আর কিছুই যে নেই সঙ্গে রাখার মতো!

... সবশেষে, মানুষ খুব যত্ন করে আরও কিছু কষ্ট বুকের মধ্যে লুকিয়ে রাখে।

তবু, মনে পড়ে... মনে পড়ে যায়... আয়ুর প্রায়শ্চিত্ত করতে।

পঁচিশ। একদিন অনুভব করবেন, আপনার জন্য কেউ কোথাও অপেক্ষা করে নেই।

সেদিন থেকেই বার্ধক্যের শুরু... সেদিন আপনার বয়স হোক কুড়ি কিংবা আশি... বার্ধক্যের শুরু সেদিন‌ই।

মানুষ বয়সের কারণে বুড়ো হয় না, অপেক্ষা করার মানুষের অভাবে হঠাৎ বুড়িয়ে যায়।

ছাব্বিশ। যে মানুষটা আমার জন্য একসময় তার জীবনের সবকিছুই হারাতে প্রস্তুত ছিল, তাকে জীবন থেকে হারিয়ে ফেলার চাইতে বড়ো দুঃখ আর হয় না।

সাতাশ। কিছু মানুষ প্রশংসা করতে করতে রীতিমতো বিরক্ত করে ছাড়ে।

... ওদেরকে শয়তান বলে।

আটাশ। দারিদ্র্য আর রাগের সহাবস্থান দেখতে বড্ড বেমানান।

উনত্রিশ। Either let things happen or make things happen.

ত্রিশ। মেয়েরা বড়ো অদ্ভুত। ওরা যা জেনেই কার‌ও সাথে সম্পর্কে জড়ায়, পরবর্তীতে তা-ই মেনে নিতে ওদের ভীষণ কষ্ট হয়। তখন নিজেও কষ্ট পায়, ভালোবাসার মানুষটাকেও কষ্ট দেয়। আবার এমনও দেখেছি, সম্পর্কে জড়াবার আগে যা যা সে মেনে নেওয়া দূরে থাক, শুনতেও পারত না, সম্পর্ককে টিকিয়ে রাখতে তার সব‌ই মেনে নেয় পরিস্থিতির কারণে বা ভালোবাসার লোভে।

একত্রিশ। অতিরিক্ত রাগী লোককে এক বার ক্ষমা করার শাস্তি হলো, তাকে বার বার ক্ষমা করতে হবে।

তবু কখনও কখনও জেনেবুঝেই শাস্তিকে আমন্ত্রণ জানাতে হয়। আর কিছুই করার থাকে না।

বলতে পারেন, রাগী মানুষের মন ভালো হয়।

সবসময় যে হয়, তা নয়। তার চাইতে বড়ো কথা, মন তো দেখা যায় না, কিন্তু খারাপ আচরণ দেখা যায়।

বত্রিশ। একসময় আমি মানুষের উপর বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছিলাম।
আর ঠিক তখনই, আমি তোমার প্রেমে পড়লাম।

আজ বুঝি, মানুষকে অবিশ্বাস করতে জানা
এবং সেই অবিশ্বাসকে বাঁচিয়ে রাখতে জানা...
দুই-ই অনেক বড়ো গুণ।

তেত্রিশ। অদ্বৈত-বেদান্তের সকল মূল ধারণা নিয়ে যে কয়েকটি ছোটো আকৃতির ব‌ই রয়েছে, সেগুলির মধ্যে একটি হচ্ছে দৃগ্-দৃশ্য-বিবেক। ওখান থেকে প্রথম ৭টি শ্লোক নিয়ে আজ স্বামী বিবেকানন্দের ১৬১তম জন্মতিথি-উৎসবে বলার চেষ্টা করব।

আগ্রহীরা হাতে সময় থাকলে সন্ধ্যা ৭টায় চলে আসুন চট্টগ্রাম রামকৃষ্ণ মিশনে।

চৌত্রিশ। এক ছেলে আমার প্রায় পোস্টের নিচেই কমেন্ট করত, ভাইয়া, আপনাকে ভালোবাসি।

সম্প্রতি সে বিয়ে করেছে। বিয়ের পর ব‌উকে বলেছে, এ জীবনে এক তুমি বাদে আর কাউকেই কোনোদিন ভালোবাসিনি।

আচ্ছা, সব ছেলেই কি এমন বাটপার প্রো-ম্যাক্স? 🤔

সাদিয়াকে বলে, তোমাকে ছাড়া আমি বাঁচব না।
মিমকে বলে, তোমাকে ছাড়া আমি বাঁচব না।
নুসরাতকে বলে, তোমাকে ছাড়া আমি বাঁচব না।
মিতুকে বলে, তোমাকে ছাড়া আমি বাঁচব না।
সুমিকেও বলে, তোমাকে ছাড়া আমি বাঁচব না।

কিছুই বুঝলাম না! একটা ছেলের বাঁচতে কয়জনকে লাগে? 🤨 অথচ একটা মেয়ে কেবল অক্সিজেন পেলেই দিব্যি বেঁচে থাকতে পারে! 🙄

Girls are good. Boys, be like girls! 🤐

পঁয়ত্রিশ। জীবন থেকে প্রিয় মানুষ হারিয়ে গেলে মানুষ একা হয়ে যায়। আর জীবন থেকে বন্ধু হারিয়ে গেলে মানুষ পঙ্গু হয়ে যায়।

একাকিত্বের চেয়ে পঙ্গুত্ব ভয়ংকর।

এ কারণেই প্রেমিকা হারানোর চেয়ে বন্ধু হারানোর কষ্ট অনেক বেশি। আর যখন প্রেমিকা হয়ে ওঠে সবচাইতে বিশ্বস্ত বন্ধু, তখন তাকে হারিয়ে ফেলা আর মরে যাওয়ার মধ্যে তেমন কোনও পার্থক্য নেই। প্রেমের সমাপ্তির নাম যদি হয় বিচ্ছেদ, বন্ধুত্বের সমাপ্তির নাম তবে মরণ।

ছত্রিশ। বন্ধু আঘাত করলেও সহ্য করা যায়, কিন্তু ভুল বুঝলে তখন আর সহ্য করা যায় না। বন্ধুও যাকে বুঝতে পারে না, তার যাবার আর কোনও জায়গা থাকে না।

সাঁইত্রিশ। Showing proper responsibility is the first sign of love. Irresponsible people can never be good lovers. Where there is love, there must exist responsibility. Love means nothing without responsibility.

If you plan to be with an irresponsible person, you actually plan to suffer.

আটত্রিশ। এ পৃথিবীতে কিছু মানুষ আছে, যারা খুব করে চাইলেও হারিয়ে যেতে পারে না। ওরা আছে কি নেই, এ নিয়েই কারুর কোনও মাথাব্যথা নেই। ওদের অস্তিত্ব মেনে নিতে এ সমাজের অস্বস্তি, আবার অস্তিত্ব অস্বীকার করতে আর‌ও বড়ো অস্বস্তি। ওদের থেকে যাওয়া কেবল অনুভব করতেই ভালো লাগে, কেননা অনুভূতির এই ম‌ইটি বেয়ে মানুষ কখনো কখনো বেশ উঁচুতে উঠে যায়।

ওরা কখনও হারায় না। ওদের যে অস্তিত্বই নেই! আর নেই বলেই চোখের সামনে থেকে উধাও হলেও কেউ টেরই পায় না, আর টের পেলেও কেউ ওদের খোঁজার গরজ‌ই করে না। যাকে কেউই খুঁজতে চায় না, সে আবার হারায় কী করে?

উনচল্লিশ। জীবনে কখনো কখনো এমন সময় আসে, যখন মানুষ কাছের জিনিসকে দূরে সরিয়ে রেখে দূরের জিনিসে শান্তি খুঁজে বেড়ায়। তখন না থাকে কাছের জিনিস, না পায় দূরের জিনিস, না মেলে শান্তি। ঠিক এমন মুহূর্তে মানুষ একদমই শূন্যতায় ডুবে যায়। ডোবার ঠিক আগে যে আবছা আলো দেখে, হাত বাড়িয়ে তা ছুঁতে যাবার আগেই সমস্ত শক্তি নিঃশেষ হয়ে যায়... হাত বাড়াতে সে আর পারে না, পাথরের মতো টুক করে ডুবে যায়।

কীসের ভালোবাসা? কীসের প্রেম? কীসের বন্ধন? কীসের সংস্কার? কীসের পিছুটান?
... শান্তি, হ্যাঁ, শান্তিই মানুষকে থামায়; আবার এই শান্তিই মানুষকে ছোটায়।

চল্লিশ। I love winter, but if winter gives me pain, I stop loving winter and start thinking about another season.
I love you, but if you give me pain, I stop loving you and start thinking about another girl.
When comfort is away, my love is away. It's what I'm.

একচল্লিশ। সেই পুরোনো তুমি'র ফিরে আসার অপেক্ষায় নিজেকে জোর করে আটকে রাখতে রাখতে একসময় আমি পুরোনো আমি'কেই কোথায় যেন হারিয়ে ফেললাম। আজ বুঝতে পারি, মানুষকে কখনও বদলানো যায় না; বরং বদলাতে চাইলে চরম আঘাত পেতে হয়। মানুষ অভিনয় করতে ও লুকোতে শিখে নেয়, কিন্তু বদলায় না।

বিয়াল্লিশ। মানুষ যাকে প্রার্থনা করেও পায় না, সে তার সারাজীবনের প্রার্থনা হয়ে যায়।

এমন সৌভাগ্য নিয়ে ক-জন মানুষ‌ই-বা বাঁচতে পারে, যাদের প্রার্থনা ও প্রার্থনার ঘর একই!

এমন একজন মানুষ জীবনে থাকুক, যাকে খুব করে বলতে ইচ্ছে করে, "ফিরে আসা যায় না?"... তবু কিছুতেই বলা যায় না।

শূন্যতাই প্রার্থনার অক্সিজেন।

তেতাল্লিশ। অঞ্জলির স্বামী: বার বার অঞ্জলির অভিমান ভাঙানোর ব্যাপারটা কী যে বিরক্তিকর, তুমি যদি দেখতে!
অঞ্জলির প্রাক্তন: অঞ্জলির অভিমান ভাঙানোর অধিকার পুরো জীবনের জন্য হারিয়ে ফেলার সত্যটা কী যে যন্ত্রণার, তুমি যদি বুঝতে!

চুয়াল্লিশ। কার‌ও সময় কাটে একটা রিপ্লাই দেবার ইচ্ছেকে অভিমানে গলা টিপে মারতে মারতে,
কার‌ওবা সময় কাটে একটা রিপ্লাই পাবার ইচ্ছেকে লজ্জাহীনতায় বাঁচিয়ে রাখতে রাখতে।

পঁয়তাল্লিশ। একটা সুন্দর ব্যালকনি একজন মানুষকে সুস্থ করে তুলতে পারে।

আমাদের শুধুই ঘর আছে, সুন্দর একটা ব্যালকনি নেই। আমাদের সেই ঘরে শুধুই জায়গা আছে, বসার কোনও জায়গা নেই।

আমরা শুধুই ভুল ঘরে ফিরি।
আমাদের ভুল ঘরেই বাঁচতে হয়।
ঘর খুঁজতে খুঁজতে একসময় জীবনটাই হারিয়ে ফেলি।

ছেচল্লিশ। তোমার প্রেমে পড়তে গেলাম কেন? তোমার প্রেমে না পড়লেও তো জীবন ঠিক‌ই কেটে যেত!

সাতচল্লিশ। If you plan to watch only one movie in 2023, watch Zindagi Na Milegi Dobara.

If you plan to get married, before doing that watch Zindagi Na Milegi Dobara.

If you plan to die, before dying just watch Zindagi Na Milegi Dobara.

If you want to settle down with someone, before deciding that watch Zindagi Na Milegi Dobara.

If you are off to fantasizing about love at first sight, you better consider watching Zindagi Na Milegi Dobara.

Then decide.

Your life is more important than everything else. Your parents, your job, your friends, your everything... are secondary. You never need to take anything for granted.

Just watched it, though have been planning to watch it for the last 7-8 years. I regret not watching it before dot dot dot. Trust me, this movie is one of the best wines I've ever consumed. A pure food for my soul!! Even Blue Label fails, dude!! (Don't tell me to post the photo! Ha ha ha)

I wish I watched it long before. But you know, better late than never.

Watch it, feel it, kiss it. Thank me later.

Maybe I'm talking much, but trust me, it's worth it!!!

আটচল্লিশ। Sometimes, not asking... Why are you feeling sad?... is the best way to remove sadness from your friend. Just stay beside them silently, let them be with their sadness, the rest will follow. Trust me, it's a magic. You do everything by doing nothing for your friend. Trust me, just your silent company works.

উনপঞ্চাশ। Sometimes, you need a place where you can do whatever you want to do, provided that no one around notices or judges you... to mend yourself.

পঞ্চাশ। Sometimes, alcohol and Zindagi Na Milegi Dobara together make you feel much better than your possessive girlfriend.

You can try it!!!

একান্ন। Somehow your heart knows what you want. Listen to it, or you will suffer later.

বায়ান্ন। Sometimes you need someone to sleep with under the roof.
Sometimes you need someone to sleep with under the stars.

Life is difficult.

তিপান্ন। I wish I had no one in my life whose call I have to receive. Obligation sucks!

চুয়ান্ন। তুমি আমার মেসেজের রিপ্লাই দিয়ো না, প্লিজ! তুমি রিপ্লাই না দিলে আমার পাপের কিছুটা হলেও প্রায়শ্চিত্ত হয়। কাউকে চিরদিনের জন্য চলে যেতে দেবার পর তার প্রেমে পড়ে যাবার চাইতে বড়ো পাপ যে আর হয় না! তুমি তো সেই দেবী, যাকে উপেক্ষা করেছি বলেই আমার সারাটা জীবন অভিশপ্ত হয়ে গেছে। তুমি আমার পুরো জীবনের আফসোস!

পঞ্চান্ন। If you are poor, never underestimate the power of money consoling yourself, telling... Money cannot buy happiness... or such rubbish things. Only the rich people have got the right to underestimate the power of money. Of course, poverty deserves some silence.

ছাপান্ন। যে দেশে বিসিএস ক্যাডার হ‌ওয়াকে জ্ঞানী হ‌ওয়া মনে করা হয়, সে দেশে জ্ঞানের চর্চা বিসিএস গাইডব‌ইতেই হবে... স্বাভাবিক।

মেসি পিএসজি'তে ফিরে গিয়ে কী লাভ হলো? তার চেয়ে বরং বিসিএস কোচিংয়ে ভর্তি হলে জ্ঞানী হবার একটা চান্স অন্তত থাকত! আর ক্যাডার হয়ে যেতে পারলে কথাই ছিল না... হাজারে হাজারে মুরিদ, লাখে লাখে টুরুলাভ!

সাতান্ন। Stop telling me about your philosophy. People suffer for your practice, not for your philosophy. If your practice is tolerable, your philosophy is tolerable. If you're bad, your beliefs can't be good. What you practise is more important than what your philosophy teaches. Period.

আটান্ন। হাইট অব কিপটামি:

লোকটা এতটাই কিপটা ছিল যে সব‌ই জমিয়ে রাখত, কিছুই খরচ করতে চাইত না... এমনকী বিয়ের সময় সে খুঁজছিল সন্তান আছে, এমন কোনও মেয়েকে, যাতে বিয়ের পর সন্তান উৎপাদন করার জন্য কিছুই খরচ করতে না হয়!

উনষাট। Love not, suffer not.

ষাট। ১. আমি বেশিরভাগ ব‌ই‌-ই কিনি অনলাইনে। সেই সূত্রে, ক্যুরিয়ারের ডেলিভারি-ম্যানদের সাথে আমার ব‌ইবাহিক সম্পর্ক।

২. দীর্ঘসময় ধরে স্টুডেন্ট পড়ানো এবং অনলাইন ও অনস্টেজ স্পিচ ডেলিভারির সুবাদে আমি একজন অমাইক মানুষ... আমার কণ্ঠস্বর যথেষ্ট জোরালো।

একষট্টি। পুরুষমানুষ
সন্তানকে ভালোবাসে,
স্ত্রীকে ভয় পায়।

(উল্লেখ্য, 'সন্তানকে' এবং 'স্ত্রীকে' শব্দদুটির আগে নিজদায়িত্বে 'নিজের' শব্দটি বসিয়ে না পড়লে পোস্টটির বক্তব্য ভুল বোঝা হয়ে যাবে।)

বাষট্টি। ১২ হাজারের বেশি ব‌ইয়ের একটি পার্সোনাল লাইব্রেরি, তার পাশেই ছিমছাম বেড-ডাইনিং-ড্রয়িং রুম, খুব কাছের দূরত্বে অফিস।

এ-ই আমি।

তেষট্টি। আমি মাঝে মাঝে ভাবি, যাঁরা আমার মতো শীতে কাবু হয়ে পড়েন, ঠাণ্ডা সহ্য‌ই করতে পারেন না, তাঁরা বাংলাদেশ ছেড়ে শীতল দেশগুলিতে গিয়ে থাকেন কীভাবে?! (আমি ইমিগ্রেশনের কথা বলছি, মাইগ্রেশনের নয়।)

অভিজ্ঞতা থেকে এ ব্যাপারে কেউ কিছু বলবেন?

আচ্ছা, খুব ঠাণ্ডায় কি মানুষ হঠাৎ হঠাৎ বিষণ্ন হয়ে পড়ে?

('ধন ধান্য পুষ্প ভরা' জাতীয় কমেন্ট চাইছি না; ওসব আমরা জানি ও মানি।)

চৌষট্টি। Never underestimate your boss's ability to underestimate you.

পঁয়ষট্টি। সাদিয়ার বাচ্চাটা অন্য বাচ্চাদের তুলনায় অনেক তাড়াতাড়ি কথা বলা শিখল কেন?

স্বাভাবিক! সাদিয়া যে পরিমাণে বদমেজাজি, বেচারা আর কতদিন মুখ বুজে সহ্য করবে!

ছেষট্টি। যেদিন ঘরদোর পরিচ্ছন্ন ও গোছানো, ফ্রিজে ও টেবিলে অনেক ধরনের খাবার থাকে, রান্নাও হয় ভালো, হাতে গল্প করার মতো সময় থাকে, সেদিন ঘরে আসে না কেউই।
অথচ যেদিন ঘরদোর অপরিচ্ছন্ন ও এলোমেলো, ফ্রিজে ও টেবিলে খাবারের আয়োজন থাকে সামান্য, রান্না হয় মোটামুটি, ব্যস্ততা থাকে ভালোই, সেদিন‌ই দরজায় কড়া নাড়ে অতিথি।
এ কী পরিহাস!

সাতষট্টি। : I've a bad habit... I pee in the washbasin.
: I've the worst habit... I love you.

আটষট্টি। Your smile is a treat for my eyes.
Your voice is a treat for my ears.
Your face is a treat for my soul.
Your touch is a treat for my feelings.
Your absence is a treat for my existence.

Thank you for your beauty.

উনসত্তর। তুমি যেন জানালার শার্সিতে ছড়ানো বৃষ্টিফোঁটার স্তিমিত শোভাযাত্রা...
এখানেও নেই, নেই ওখানেও...
তবু আছ সবখানেই।

সত্তর। While giving quality time to a stranger, I usually check whether it adds value or pleasure to my life or not. If the answer is yes, I give time. If the answer is no, I simply ignore them. I usually prefer spending time with myself to spending it with someone else. Often, giving time to a stranger destroys our inner peace.

একাত্তর। যদি সত্যিই ভালোবাসো,
তবে আমার দিকে এভাবে তাকিয়ে থেকো না;
বরং সেদিকে তাকাও, যেদিকে তাকাই আমি।

বাহাত্তর। আমাদের এই জীবন, যাকে নিয়ে আমরা দিব্যি আছি, তা কিছু সাহসী মানুষের দেখা স্বপ্ন। জীবনটা একরকম অনুবাদ, সেটাকে উপভোগ করার সময়-ই হয়তো মহান পাণ্ডুলিপিস্রষ্টাদের হয়না কখনোই। স্বপ্নে-দেখা জীবনটাতে ক'জনই বা বাঁচতে পারে? ওরা ম'রে গিয়ে বুঝিয়ে দেয় কী প্রচণ্ডভাবেই ওরা বেঁচে থাকে! আমাদের বাঁচাতেই যারা বাঁচতে ভুলে গিয়েছিলো, সেইসব মহান জীবনশিল্পীদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি। শুভ বিজয়।

(২০১৩ সালের এই দিনে স্ট্যাটাসটা দিয়েছিলাম। এক প্রিয় বন্ধু সংগ্রহে রেখেছিল।)

তিয়াত্তর। যেখানে কোথাও কোনও আলো চোখে পড়ে না, সেখানেও আড়ালে কোথাও একটুখানি আলো থেকে যায়... খুঁজে নিতে হয়।
যে ঘর থেকে আশার সকল প্রদীপ নিভে গেছে একটা একটা করে, সে ঘরেও হঠাৎ করেই হাজার সূর্যের আলো জ্বলে ওঠে... যদি থাকে অদৃষ্টে।
যার জীবনের সঙ্গীসাথী ভয়‌ই কেবল, সে-ও কখনও চেঁচিয়ে ওঠে প্রবল দুঃসাহসে... সময় প্রসন্ন যদি হয়।
যদি কিছু-না থেকেও জন্ম হয় অনেক কিছুর... সময়ে সময়ে, তবে বলো, কী এমন আছে, যার জন্ম ও মৃত্যু শূন্য দুই-ই?

চুয়াত্তর। শুভ সকাল

আমার যত লেখা, তার বেশিরভাগই আমার ওয়েবসাইটে রাখা আছে।

আমার লেখা যাঁরা পড়েন, তাঁরা মূলত ৪ জায়গা থেকে পড়েন:

পেইজের ওয়াল থেকে
ওয়েবসাইট থেকে
ইউটিউবের ওয়াল থেকে
গুগল প্লেস্টোর থেকে Sushanta Paul সফটওয়্যারটি নামিয়ে

যাঁরা ওয়েবসাইট থেকে আমার লেখাগুলো পড়েন কিংবা যাঁরা কখনও কখনও আমার ওয়েবসাইট থেকে ঘুরে আসেন, তাঁদের কাছ থেকে পরামর্শ চাইছি, ওয়েবসাইটে কী কী ধরনের পরিবর্তন আনলে ভালো হয় বলে আপনি মনে করেন? কী কী ফিচার যোগ করা যায়? কী কী বাদ দেওয়া যায়?

আপনাদের মূল্যবান মতামত কমেন্ট করে জানিয়ে দিতে পারেন।

(আপনাদের সুবিধার্থে আমার ওয়েবসাইটের লিংক কমেন্টে দিয়ে দিলাম।)

পঁচাত্তর। চৌধুরি সাহেবের বাড়ির কুত্তা হয়ে কী লাভ, যদি ওই বাড়ি হতে ঠিকমতো খাবার পাওয়া না যায়? হাড়-জিরজিরে ফিগার দেখিয়ে দেখিয়ে "জানিস, আমি কে? আমি চৌধুরি সাহেবের বাড়ির কুত্তা!"... হাটে-ঘাটে এটা বলে বলে হুদাই ফুটানি মেরে কোনও লাভ আছে? রাজার ছেলে যখন ভিক্ষা করে, তখন সে কোনোমতেই রাজপুত্র নয়, কেবলই একজন ভিক্ষুক। এই সহজ জিনিসগুলো বুঝতে রকেট সায়েন্টিস্ট হতে হয় না। আমাদের দেশের ভার্সিটিগুলোর ক্লাবের শেষ নাই, প্রেসিডেন্টের‌ও শেষ নাই। ভাইস-প্রেসিডেন্ট আর হাবিজাবি পদের ছেলে-মেয়ে তো অগণিত! এ নিয়ে ওদের ভাবের আর খুশির শেষ নাই। এদের মধ্যে কেউ কেউ এখান থেকে অনেক কিছু শেখে, পরিপক্ব হয়, শেখা জিনিস কাজে লাগায়; বেশিরভাগই প্রেসিডেন্টত্বের গরমে নারকেল দিয়ে ভাপাপিঠা বানায় আর স্রেফ সময় নষ্ট করে। সময় ভীষণ দামি জিনিস, নষ্ট করলে দুঃখ পেতে হয়।

ছিয়াত্তর। নিচের বুদ্ধিটা মানতে মন না চাইলেও মেনে চলার চেষ্টা করো; দেখবে, অনেক সময় বেঁচে যাবে:

তোমার পরামর্শের প্রয়োজন হলে পরামর্শ চাইতে কখনোই যার কাছে যেতে না, সে যদি কখনও গায়ে পড়ে কোনও পরামর্শ দিতে আসে, চেষ্টা করবে সেটা গ্রহণ না করার। উটকো লোকের পরামর্শ উপেক্ষা করতে জানতে হয়।

(আমি যদি ওই দলে পড়ি, তবে আমার দেওয়া উপরের বুদ্ধিটা সানন্দে এড়িয়ে যাও।)

সাতাত্তর। জীবন যাদের দেয়নি তেমন কিছুই, মাঝে মাঝে তাদের আপনাকে গালাগালি করার সুযোগ দিয়ে জিতে যাবার অনুভূতি পেতে দিন। এটাও পুণ্যের কাজ। ব্যর্থদের কাছে সফলদের মনের সুখে গালি দিতে পারাটাও একধরনের সাফল্য।

আটাত্তর। আমি যেদিকেই তাকাই, কবিতা ঝরে। হে ঈশ্বর, এত সৌন্দর্য আমি কোন চোখে সইব? আমার সহ্য করার ক্ষমতার বাইরে এসব, তাই কিছু কিছু লেখায় উগড়ে দিয়ে বাঁচতে চাই। ঠিকঠাকভাবে উগড়ে দিতে পারলে ঠিক‌ই বেঁচে যাব। এত সুন্দর সুন্দর সব কবিতা ঝরে পড়ে কিশোরীবেলার আলতারাঙা ঝকঝকে পায়ের মতন একধ্যানে তাকিয়ে থাকে... যেন ওতে কোন‌ও গান আছে, সুর আছে।

এই সৌন্দর্য আমায় পাগল করার আগেই তুমি আমাকে দিয়ে লিখিয়ে নাও, ঈশ্বর। কিছু প্রমাণ থাকা উচিত। শুধু কুৎসিত, কদাকার জিনিসের প্রমাণ দিয়েই ভরে রেখো না পৃথিবীর বুক। সৌন্দর্যকে ঠাঁই দাও, সৌন্দর্যকে ঠাঁই দাও...

উনআশি। কেন জড়িয়ে ফেলব নিজেকে তোমার সাথে?
আমি তো অলকানন্দার মতো স্বাধীন!
কেনই-বা রাখতে যাব মাথা তোমার কাঁধে?
তুমি যে পুরুষমানুষের মতো পরাধীন!

আশি। আই লাভ ইউ। আমার এটা বার বার বলতে ইচ্ছে করে। ঘুমোও, পিচ্চি। তুমি খুব সুন্দর। আমার শুধু তোমার চোখে চুমু দিতে ইচ্ছা করে। সাহস হয় না বলার। তুমি শুধু চলে যেতে বলো, বকো, আর গালি দাও।
আরে, চলে তো যাবই! বিয়ের আগে যে কয়দিন আছি, একটু তোমার হাতে, কপালে, চোখে চুমু দিয়ে যে যাব, তারও উপায় নেই। শুধুই বকা দাও তুমি। আমার অনেক কান্না পায়।
আমি বিয়ে করে দূরে পালিয়ে যাব। স্বামী-সংসার করব। তখন তো আর আমাদের মধ্যে কিছু থাকবে না। তুমি বোঝো না। আমার শেষ সময়টাতে যে একটু আমার কাছাকাছি থাকবে, তা-ও থাকলে না।
যা-ই হোক, ঘুমোচ্ছ?
খুব সুন্দর দেখাচ্ছে হয়তো তোমাকে।
ঠিক এরকম সময়ে ঘুম থেকে জেগেই সবার আগে যে তোমাকে দেখতে পায়, সে অনেক লাকি, আমার তাকে প্রচণ্ড হিংসে হয়।

একাশি। আমি বলতে গেলে নাইনটি পার্সেন্টই বেকার।
কাজ করি না এখন; দু-একটা টিউশনি ছিল, তা-ও আর নেই।

আমাকে একসময় কিছু টাকা দিয়েন। সামনের মাসে হলেও চলবে।

“কী করবি?” “কত দিব?” "কোন অনলাইন পেইজ থেকে কী অর্ডার করবি, সত্যি করে বল?" “বিকাশের দোকানের ওই ছেলেটা কে?” “সাত বছর আগে যে তোকে নগদ ৪৫৯ টাকা দিয়েছিলাম, অতগুলি টাকা কী করেছিস?” “অমুককে টাকা কেন দিলি?” “শীতকাল এলে এত জায়গায় দান করার কী আছে?”

… এহেন উদ্ভট উদ্ভট প্রশ্নের অবতারণা না করিয়া এই অসহায় প্রাণীটিকে বাধিত করিবার জন্য সনির্বন্ধ অনুরোধ করা হইল।

অনুরোধক্রমে
একজন সাময়িক বেকার মহিলা

বিরাশি। জানি, আপনারা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন আমার পোস্টের জন্য।

কী আর বলব! অফিসের কাজে একসময় সাউথ কোরিয়ায় গিয়েছিলাম। এক বাসায় দাওয়াত করে সাত পদের রান্না করে খাইয়েছিল। সেই আতিথেয়তা আমি ভুলে যাইনি। কিন্তু কী করব বলুন! চার পদের বেশি রাঁধতেই পারলাম না। রান্নার মাঝখানে হঠাৎ গ্যাসের চাপ কমে গেল! দেখলেন‌ই তো সব...!

উল্লেখ্য,
আর্জেন্টাইন-কোরিয়ান ভাই ভাই,
দাওয়াত খাওয়ায় কোনও লজ্জা নাই।

তাই খালিহাতে আসবেন না, প্লিজ। আপনার বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আর্জেন্টাইন বন্ধুদের‌ও সঙ্গে নিয়ে আসুন। আপনার বন্ধুরা এত অল্প পদের আয়োজনে খেতে পারবেন তো? নিজগুণে একটু কষ্ট করে খেয়ে নেবেন, গরিব মানুষ আমি...

নিউজফিডে বার বার আমার পোস্ট আসায় যারপরনাই বিরক্ত হচ্ছেন, জানি। তবুও আনফলো করতে পারছেন না। কীভাবে পারবেন?! আমাকে ভালোবাসেন যে!

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছেন, পিরিতি যেন কাঁঠালের আঠা... ছাড়ে না সহজে!
আপনারা কবিগুরুর কথা অমান্য করতে পারেন না বলেই ছেলে-মেয়ে নির্বিশেষে সবাই মিলে আমার বুকে এভাবে ছুটে ছুটে আসেন! আহা, আবেগে দু-চোখে জল এসে যায়!

নিশ্চয়ই এ-ও জানেন, তিনি আরেক জায়গায় লিখেছেন, ঘনঘন গোল হলে ঘনঘন পোস্ট দিয়ো।
আপনারাই বলুন, এমন মহাত্মার নির্দেশ আমিই-বা অমান্য করি কী করে?! আমার ঘাড়ে ক'টা মাথা!? আমার পোস্ট করার হৃদয় যে আকাশিরঙা আকাশের মতো বড়ো!

আমি আচার খেতে খুব খুব খুব পছন্দ করি। সৌদি খেজুরের আচার খাচ্ছি, সৌদি আরবকে মিস করছি। আপনারা আমাকে এত ভালোবাসেন, কখনও এক বয়াম আচার পাঠাতে পারেন না? কুট্টুস কিপ্টুস টুট্টুস কত্তগুলা... হুহ্!

পুনশ্চ। জয় যখন সুনিশ্চিত, তখন বেশি অ্যাগ্রেসিভ মুডে না খেলে নিজেকে পরবর্তী খেলার জন্য সেইফ রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ।
ক্যুইজ: ছবিতে একটা বিশেষ রঙের কলম দেখা যাচ্ছে। বলতে হবে, রংটার নাম কী?

তিরাশি। জাপানের জন্য খারাপই লাগছে। পুরো ম্যাচে এভাবে লড়াই করে শেষটায় এসে এমন নার্ভাস হয়ে গেল! শেষ পর্যন্ত চাপ নিতে পারা অনেক বড়ো একটা ব্যাপার। ক্রোয়েশিয়ার জন্য শুভকামনা।

শ্বাসরুদ্ধকর একটা ম্যাচ দেখলাম! সত্যিই দৃষ্টিনন্দন!!

চুরাশি। চাকরিসূত্রে সত্যজিৎ রায়ের বাপের বাড়িতে...

এই প্রাচীন বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে কীরকম জানি শিহরন ও সম্ভ্রম অনুভব করলাম।

সুকুমার রায়ের ছোটোবেলা কেটেছে এ বাড়িতে।

পঁচাশি। If the person you lie with is the person you cannot live without, you are likely to suffer very soon.

ছিয়াশি। Sometimes taking the decision no one imagines you taking is the only way of living the life no one imagines you living.

সাতাশি। যার যায়, তার শুধু যেতেই থাকে...

আটাশি। 'শূন্য' অবস্থানে সত্য-মিথ্যা, পাপ-পুণ্য, ভালো-খারাপ এসবের কোনো জায়গা আছে কি? আমার অবস্থান বরাবরই শূন্যের কোঠায় থাকে। যদি আবেগশূন্য মানুষ হই, পৌঁছে যাব দরজার কাছাকাছি—আমি নিয়ন্ত্রণে বিশ্বাসী।

উননব্বই। তুমি যত ভালোই হ‌ও না কেন, তোমাকে কষ্ট দেবার লোক থাকবেই।

নব্বই। মনটা ভারি অশান্ত হয়ে আছে, কাল তোমাকে খুব ছুঁয়ে দেখতে ইচ্ছে করছিল। অনেক কথা লিখতে ইচ্ছা করছে তোমাকে, কিন্তু পারছি না।

আমি কখনও বলতে পারি না, আমার তোমার কাছে যেতে কতখানি ইচ্ছে করে। শরীর ও মন কখনও একসাথে সেরে ওঠে না কেন? তুমি কাছে থাকলেই কেবল এই দুটো সত্তা এক হয়, তারা সেরে ওঠে। তুমি আমাকে কেন এসব শেখালে?

আচ্ছা, কারও কথা খুব বেশি মনে পড়লে তাকে কি আদৌ সে কথা লিখে বা বলে বোঝানো সম্ভব? আমার তো মনে হয়, শুধু জড়িয়ে ধরলেই অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেত।

তোমার আলিঙ্গনটি ছিল গভীর, স্পর্শ করে বুঝতে পারতাম, আমাদের আত্মা খুব কাছাকাছি অবস্থান করছে।

একানব্বই। প্রায়ই তোকে কাছে ডাকি, একটু কথা বলার জন্য। নাহলে আমার মাথায় কোনো লেখা আসে না, সেই অনুভূতিটাও কাজ করে না। তুই না থাকলেও আমি অস্থির হয়ে পড়ি। কারণ একটাই—তোর সঙ্গে কথা না হলে আমি লিখতে পারি না। যেন তোর সঙ্গে দুটো কথা বললেই একটু স্বস্তি পাই।

একবার তুই আমার ওপর রাগ করেছিলি। তখন ভেবেছিলাম, আর কখনোই লিখব না। তারপর আবার তোর সঙ্গে দেখা হবার পর কী যেন একটা হয়ে গেল আমার। আগের চেয়েও বেশি করে তোকে ভালোবাসতে শুরু করলাম।

যা-ই হোক, এই ব্যাপারটা না থাকলে হয়তো তোর সঙ্গে ১ মাস, ২ মাস, ১ বছর, এমনকি ৩ বছর পর কথা হলেও আমার কোনো সমস্যা হতো না—বিশ্বাস কর। আমি আসলে এমন নই। আমি নিজেই সবার কাছ থেকে সরে যাই, কিছুক্ষণ কথা বলে আবার ইগনোর করি।

তবে একটা কথা ভেবে আমি খুব ভয় পাই। তুই যদি কোনোদিন আমার ওপর বিরক্ত হয়ে চলে যাস, আমি সেটা সহ্য করতে পারব না। তাই নিজে থেকেই দূরে সরে যাবার চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু তুই কীভাবে যেন প্রতিবারই সেটা বুঝে গেছিস, আর সব কিছু ঠিকও করে নিয়েছিস।

বিরানব্বই। একটা কথা বলি।

তুই একবার বলেছিলি, আমার লেখাই আমার মন। কেননা, তুই তো জানিস, আমার আগে থেকে লেখালেখি করার কোনো অভিজ্ঞতা নেই। আরও বলেছিলি, ব্যথা এবং প্রেমের এরকম সহাবস্থান কেবল আমার হৃদয়েই তুই দেখতে পাস।

তুই এত কিছু বুঝে যাস! আচ্ছা, তুই কি জানিস, আমার কিছু-একটা হয়...তোর কাছাকাছি এলে? জানিস? তোকে ছুঁয়ে থাকলে কিংবা অনুভব করলে এমন কেন হয়?

তুই কি জানিস, এই সম্পর্কটাকে কী বলে? এটা কি কোনো আধ্যাত্মিক কিছু, যা আমরা বুঝতে পারি না? ঠিক যেমন বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই, মানুষ তার সক্ষমতাকে আন্দাজ করতে পারে না?

তিরানব্বই। (লেখক ও তাঁর ৮ বছর বয়সি ছেলের মধ্যকার কথোপকথন)

: বাবা, স্কুলের ম্যাডাম বলেছেন আমার ফ্যামিলি নিয়ে পুরো একটা প্যারাগ্রাফ লিখে নিয়ে যেতে। এখন আমি কী করি!?
: ধুর বোকা! এটা কোনও ব্যাপার? আমাকে দেখিস না, আস্ত ব‌ই লিখে ফেলি!
: কিন্তু বাবা, আমি তো ভালো কিছু লেখার কথা ভাবছিলাম, তাই খুব টেনশনে আছি!

চুরানব্বই। তোমার মধ্যে একটা হৃদয় আছে। তা দিয়ে অনুভব করতে শেখো।
তোমার মধ্যে একটা সূর্য আছে। তা থেকে আলো ছড়াতে শেখো।
তোমার মধ্যে ভালোবাসা আছে। তা ছুঁয়ে নিজেকে ভালো রাখতে শেখো।
তোমার মধ্যে একটা সমুদ্র আছে। তা জাগিয়ে গর্জন করতে শেখো।
তোমার মধ্যে নীরবতা আছে। প্রয়োজনে তা ভাঙতে শেখো।

এসব করতে গিয়ে ভয় লাগবে। খুব স্বাভাবিক। যারা করতে পেরেছে, তারাও ভয় পেয়েছে। নতুন কিছু করতে যাবার প্রথম ধাপটিই হচ্ছে: ভয় পাওয়া। এবং পরের ধাপটি হচ্ছে: তবু থেমে না যাওয়া।

পঁচানব্বই। অপেক্ষা করে থাকলে অপেক্ষা শুধু বেড়েই যায়।

ছিয়ানব্বই। লাস্ট অনস্টেজ প্রোগ্রাম করেছিলাম প্রায় তিন বছর আগে। এরপর তো কোভিড ছড়িয়ে গেল!

দীর্ঘবিরতির পর আবারও আপনাদের সাথে কথা বলতে আসছি রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাব আয়োজিত ক্যারিয়ার আড্ডায়।

আসছে শনিবার। সকাল ১০টায়। রবীন্দ্র কাছারি বাড়ি অডিটোরিয়ামে।

সকলের জন্য উন্মুক্ত।

শুক্রবার সিরাজগঞ্জে আসার ইচ্ছে র‌ইল। আচ্ছা, সিরাজগঞ্জে ঘোরার এবং খাওয়ার মতো কী কী আছে?

সাতানব্বই। তুমি আমার পাশে থেকো। তুমি পাশে থাকলে জীবনে ঝড় উঠবে না, তা বলছি না। ঝড় উঠবে, এলোমেলো লাগবে। তবে হারিয়ে যাব না, দু-জন মিলে ঠিক সামলে নেব। তুমি পাশে থাকলে সাহস পাবো। এ বয়সে একলা কাঁদতে বড়ো ক্লান্ত লাগে।

আটানব্বই। যারে দিলে সুখ, সে যখন দুঃখ দেয়,
কেন তখন তার কাছেই খোঁজো
দুঃখ তাড়াবার সঠিক রাস্তাটি,
যারে তুমি কখনও দাওনি কিছুই।

নিরানব্বই। ভালোবাসার কথা যদি না-ই বলো,
তবে কেন বলবে না, ওটুক অন্তত বলো;
তবু চুপ থেকো না।

এক-শো। শৃঙ্খলে ও শৃঙ্খলায়... আপনাদের সেবায়।

এক-শো এক। সুখবর! সুখবর!

আমার সব লেখা খুব সহজে একসাথে পেতে এই অ্যাপটি মোবাইলে নামিয়ে নিতে পারেন গুগল প্লেস্টোর থেকে।

এখন থেকে আমার লেখাগুলো পড়া যাবে আরও সহজে, যখন-তখন!

এক-শো দুই। যদি পায়ে পড়ে কারও সাথে থেকে যাও,
তবে বাকিটা জীবন তার পায়ে ধরেই বাঁচতে হবে।

এক-শো তিন। Smart people believe, 'I'll make him an offer he can't refuse.'
Unsmart people dream, 'I'll make him a request he can't refuse.'

That's why, only a few can get it done.

এক-শো চার। যে-ভালোবাসা দিই তোমায়, তা তো তোমারই দেওয়া। তোমায় আমার নিজের বলতে আর কিছুই দেওয়া হলো না!
লেখাটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *