বাংলা কবিতা

ভালোবাসার অজুহাতে

 
সবাই ক্ষমা করতে জানে না। ক্ষমা করতে গেলে
অনেক বড়ো একটা মন লাগে…শুরু থেকেই,
আমি তোমাকে সেভাবেই জানি। বলে রাখছি,
মাঝে মাঝে আমার কিছু ভুল হবে…
তখন তুমি ক্ষমা করে দিয়ো…দেবে না?


এই পৃথিবীতে, দুজন মানুষের সাথে, আমি কখনও,
রাগ করি না। আমার যতই কষ্ট হোক, যতই খারাপ লাগুক,
তবু, আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকে ওঁদের মানিয়ে নেওয়ার, সহ্য করার।
এখন থেকে সেখানটায় তোমাকে যুক্ত রাখার আপ্রাণ চেষ্টা থাকবে…।
বাবা এবং আমার গানের শিক্ষক। এঁদের পাশে,
আমি তোমাকে রাখতে চাই…অদ্ভুত এক বিশ্বাস থেকে!


এখন রাত বারোটার বেশি বাজে। চোদ্দই ফেব্রুয়ারি হয়ে গেছে।
আমার অতিবাহিত এই গোটা জীবনে, আমি কোনও দিনই…
ওদের মতো, ভালোবাসা দিবসটা যাপন করিনি।
তাই, আজ তোমাকে কী বলা যায়, ঠিক বুঝতে পারছি না।


কাল নামাজ পড়ে মন থেকেই চাইব---
আল্লাহ্‌ যেন তোমাকে সব সময় বিপদমুক্ত রাখেন, সুস্থ রাখেন।
আমি নামাজটা, অনেক সময়ই, ঠিকমতো পড়ি না, বাবা আমাকে প্রায়ই বকেন।
তবে তোমার জন্য অনেক মগ্নতা নিয়ে পড়ব, এটা ভেবে দারুণ লাগছে।


জাদু, কখনও যদি, আমার প্রতি কোনও বিরক্তি বা অসম্মান জাগে,
আমাকে নির্দ্বিধায় সহজ করে বোলো। আমি নিজেকে শুধরে নেবো।


আমাকে কখনও ছোট কোরো না! ভালো না বাসলেও অসম্মান কোরো না।
তুমি যদি কোনও দিন এমন কিছু করো, আমার প্রচণ্ড কষ্ট হবে, অনেক দুঃখ পাবো সেদিন।


নিজের মতো করে…কিছু কাজ করতে করতে,…আমি মরে যাব।
আমার কোনও রকমের চাওয়া-পাওয়া নেই কারও কাছে।
তবে, আজকাল তোমাকে ভালোবাসার লোভে…
ভাবনায় কিছু পরিবর্তন এসেছে---যা তোমাকে বলব না।
পাশাপাশি, এটাও সত্যি, তোমাকে ভালোবাসতে পারার অজুহাতে
যদি কিছুটা সময় বেঁচেথাকার সুযোগ পাই, তবে ভালো কিছু করবই!
লেখাটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *