বাংলা কবিতা

নিয়ত নিয়তি, দুই খসড়া

 
যখন আকাশ কিছু বলতে চায়,
পৃথিবী তখন চুপ হয়ে যায়!
চাঁদটা যখন হাত বাড়ায়,
সূর্য তখন ঠিক লুকায়!


যখন রংধনুটা দেয় উঁকি,
বর্ষা বলে, কই ঝুঁকি?
সবুজ যখন প্রান্ত ছোঁয়,
প্রান্ত বলে, সীমানা কই?


ঝরনা যখন নদীতে মেশে,
নদী তখনই সাগরে ঘেঁষে!
দুঃখ যখন হাতড়ায় সুখ,
সুখ তখনই স্বপ্নভুক!


আশা যখনই খোঁজে বাঁচার মন,
মৃদুহেসে, মৃত্যু তখন টানে জীবন!
হায়, এ কেমন বাঁচছি দিয়ে ছাড়,
জীবন কি শুধু অপেক্ষাতেই পার?


অপেক্ষার এ ভিড়েই আছে যত দীর্ঘশ্বাস,
আশাহত তত নতুন প্রাণের দুরন্ত আভাস!
ভাবে ওরা, দেখবে আবার পাখির শিসে ভোর,
শিউলিতলায় হাঁটলে পাবে নতুন ঘরের দোর।


অথই সায়র, ডুব দেবে!
রোদেলা দুপুর, সাথে যাবে!
ঘুমন্ত বিকেল, পাখি ডাকে!
শ্যামা পথটা, তার বাঁকে!


সে ফিরবে ঘরে, হাতে পলাশ,
নিয়তিরও কি ওরকমই আশ?
যে যা পারে, সে তা নাড়ে!
নিয়তেও হারে, ভাগ্যে ছাড়ে!
লেখাটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *