তুরীয়—চতুর্থ অবস্থা
মাণ্ডূক্য উপনিষদ চারটি অবস্থার কথা বলে।
প্রথম—জাগরণ। চোখ খোলা, জগৎ দেখা যাচ্ছে, সব "সত্য" মনে হচ্ছে। দ্বিতীয়—স্বপ্ন। চোখ বন্ধ, মন নিজের জগৎ বানাচ্ছে, সেটাও "সত্য" মনে হচ্ছে—যতক্ষণ স্বপ্ন চলে। তৃতীয়—সুষুপ্তি। গভীর ঘুম। না জাগরণ, না স্বপ্ন—শুধু অন্ধকার, শুধু বিশ্রাম।
আর চতুর্থ—তুরীয়। তুরীয় এই তিনটির কোনোটাই নয়—আবার তিনটিকেই দেখছে। তুরীয় হলো সেই সাক্ষী, যে জাগরণও দেখে, স্বপ্নও দেখে, সুষুপ্তিও দেখে—কিন্তু নিজে এসবের কোনোটাই নয়। যেমন সিনেমার পর্দায় ছবি বদলায়—কখনো দিন, কখনো রাত, কখনো শূন্যতা—কিন্তু পর্দা সবসময় একই থাকে। তুরীয় সেই পর্দা।
সুফির ভাষায় বললে: তোমার ভেতরে এক নীরব উপস্থিতি আছে, যে সব রূপের ভেতর দিয়ে যায়, কিন্তু নিজে রূপহীন। তুমি হাসো, কাঁদো, ভাঙো, জাগো, ঘুমাও—কিন্তু তোমার গভীরে এক সত্তা আছে, যে শুধু দেখে। সেই দেখাই রহস্য। সেই সাক্ষিত্বই পথ। সেই নীরবতাই দরোজা। রুমি তাঁর ‘মাসনাভি’তে বার বার বলেছেন—বাহ্যিক চোখ বন্ধ করো, অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে দেখো। বাইরের চোখ রূপ দেখে, ভেতরের চোখ রূপের পেছনের নুর দেখে। সুফিরা এই ভেতরের দেখাকে বলেন বাসিরা—অন্তর্দৃষ্টি। এই দৃষ্টি চর্মচক্ষু নয়—এই দৃষ্টি হৃদয়ের।
প্রেমিকের অভিজ্ঞতায় এর একটা কাব্যিক আভাস আছে। স্বপ্নে সে মাশুককে ধরে—সেটা সত্য মনে হয়। জেগে উঠে দেখে, মাশুক নেই—সেটাও সত্য মনে হয়। কিন্তু দুই অবস্থাতেই যে-"আমি" অনুভব করছে—সেই "আমি" বদলায়নি। সেই বদলে-না-যাওয়া "আমি"-ই তুরীয়ের ইশারা। তবে এটা কাব্যিক সাদৃশ্য—তুরীয়ের নিজস্ব উপনিষদীয় অর্থ এর চেয়ে অনেক গভীর ও স্বতন্ত্র। মাণ্ডূক্য ওঁ-কারকে তিন মাত্রায় ভাঙে—অ, উ, ম—আর তারপর যে-নৈঃশব্দ্য, সেটাই তুরীয়। অর্থাৎ ওঁ-কার বলা শেষ হলে যে-চুপ, সেই চুপের ভেতরেই আত্মার ঘর। শব্দ পথ—নীরবতা গন্তব্য।
অদ্বৈত বেদান্ত হলো ভারতীয় দর্শনের একটি ধারা, যার মূল কথা—ব্রহ্ম একমাত্র পরম সত্য। এই পৃথিবীতে আমরা যা দেখি—গাছ, পাহাড়, মানুষ, আকাশ—এসব নাম আর রূপের খেলা, এগুলো বদলায়, আসে, যায়, ভাঙে, গড়ে ওঠে। কিন্তু এসবের পেছনে যে একটি অপরিবর্তনীয় সত্তা আছে—সেটাই ব্রহ্ম। ঢেউ বদলায়, সমুদ্র বদলায় না—জগৎ ঢেউ, ব্রহ্ম সমুদ্র।
সুফি দর্শনেও একটি কাছাকাছি কথা আছে, যদিও ভাষা আলাদা। সুফিরা বলেন—এই জগৎ আল্লাহ্র সত্যের ওপর একটি নকাব বা পর্দা। আল্লাহ্ এই জগতের আড়ালে নিজেকে লুকিয়ে রেখেছেন—কিন্তু একই সাথে এই জগতের মধ্য দিয়েই নিজেকে প্রকাশও করছেন। এই প্রকাশকে সুফিরা বলেন তাজাল্লি—আলোর স্ব-প্রকাশ। যেমন সূর্য মেঘের আড়ালে থাকে—মেঘ সূর্যকে লুকিয়ে রাখে, কিন্তু মেঘের ভেতর দিয়ে যে-আলো ছড়ায়, সেটাও তো সূর্যেরই। লুকানো আর প্রকাশ একই সাথে ঘটছে।
এই দুটো দর্শন—অদ্বৈত আর সুফি—এক নয়। তাদের পরিভাষা আলাদা, ইতিহাস আলাদা, সাধনাপদ্ধতি আলাদা। কিন্তু তাদের মধ্যে একটি গভীর আলাপ আছে—দুটোই বলছে একই মূল কথা: তোমার চোখের সামনে যা দেখা যাচ্ছে, সেটা চূড়ান্ত সত্য নয়। চূড়ান্ত সত্য এই দেখার পেছনে আছে—দৃশ্যের আড়ালে, নাম-রূপের ওপারে, পর্দার অন্যপাশে।
গাড়ি চলে না
শাহ আবদুল করিম (১৯১৬-২০০৯) সিলেটের আরেক মহান বাউল কবি. তিনি গেয়েছিলেন: "গাড়ি চলে না, চলে না, চলে না রে—ও গাড়ি চলে না।"
সাধারণ ভাবনায় মনে হয়—গাড়ি চলে না, কারণ কোনো সমস্যা আছে। চাকায় জং ধরেছে, রাস্তা খারাপ, জ্বালানি নেই। কিন্তু করিম যা বলছেন, তা আরও গভীর।
আত্মার গাড়ি চলে না—কারণ সে ইতিমধ্যেই গন্তব্যে আছে।
গন্তব্য আর গৃহ একই জায়গা। যে বাড়িতেই বসে আছে, সে কোথায় যাবে? এই খোঁজের নাম দুনিয়া। আর খুঁজতে খুঁজতে ক্লান্ত হয়ে নিজের ভেতরে ফিরে আসার নাম—মারিফাত। কস্তুরী মৃগ দৌড়ায়—কিন্তু কস্তুরী তো তার নিজের নাভিতে। মানুষও দৌড়ায়—কিন্তু যাকে খুঁজছে, সে তো তার বুকে বসে আছে। গাড়ি চলে না—কারণ চলার দরকার নেই। দরকার শুধু চোখ খোলার—আর এটাই দেখার যে, তুমি যেখানে আছ, সেটাই তীর্থ। কবীর বলেছিলেন—কস্তুরী নাভিতেই আছে, হরিণ খোঁজে বনে বনে। গাড়ি চলে না, কারণ পথই গন্তব্য। তাই "গাড়ি চলে না" মানে শুধু থেমে যাওয়া নয়—এটা কখনো কখনো আগমনেরও লক্ষণ। কারণ যে পৌঁছে গেছে, তার আর চলার দরকার কী?
উন্মোচন রঙে রঙে
এবার একটু অন্য ভাষায় আসি। এতক্ষণ দর্শনের ভাষায় কথা হচ্ছিল—এখন ইন্দ্রিয়ের ভাষায়। কারণ প্রেম শুধু চিন্তার বিষয় নয়—প্রেম শরীরে লাগে, চোখে লাগে, শ্বাসে লাগে। প্রেমের ভাষা শুধু দর্শনের নয়—স্পর্শেরও।
সন্ধ্যার চোখে মধু ছিল—সেই মধু, যা মৌমাছি সংগ্রহ করে না, যা ফুলে জন্মায় না, যা কেবল তখনই দেখা যায়, যখন প্রেমাস্পদ তাকিয়ে থাকেন আর আকাশ লজ্জায় রাঙা হয়ে যায়। কুরআনের সূরা আর-রহমান (৫৫:১৩)-এ আল্লাহ্ বার বার জিজ্ঞেস করেন: "ফা-বি আইয়ি আলা-ই রাব্বিকুমা তুকাযযিবান?"—তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন নেয়ামতকে অস্বীকার করবে? সেই সন্ধ্যার চোখে চোখ পড়াটা ছিল এমনই এক নেয়ামত—এত স্বাভাবিক যে, মনে হয় নেয়ামত নয়, কিন্তু যেদিন সেই চোখ আর নেই, সেদিন বোঝা যায়—সেটাই ছিল সবচেয়ে বড়ো দান।
তাঁর হাত ছিল ফ্যাকাশে চাঁদের মতো—সেই চাঁদ, যা নিজে আলো দেয় না, কিন্তু যে-আলো সে ধার করে, তা এত কোমল যে, পূর্ণিমার চেয়েও বেশি দেখায়। কারণ ভগ্নতাই আলোর সবচেয়ে সুন্দর বাহন। পূর্ণ চাঁদ উজ্জ্বল—কিন্তু অর্ধচন্দ্র কোমল। যেমন ভাঙা পাত্রে জল ধরে কম, কিন্তু সেই জলের স্বাদ মিষ্টি—কারণ ভাঙা পাত্র জানে, সে চিরকাল ধরে রাখতে পারবে না, তাই তার ধারণে একধরনের বিনয় থাকে—এই মুহূর্তটাকে সমস্ত আন্তরিকতায় আঁকড়ে ধরার বিনয়।
রবীন্দ্রনাথ গীতাঞ্জলিতে লিখেছিলেন: "আমারে তুমি অশেষ করেছ, তোমার এমনি ইচ্ছা। এ তুচ্ছ পাত্র বার বার শূন্য করে ভরে দিচ্ছ নব-নব রসে।"—ছোটো পাত্র বার বার শূন্য হয়, কারণ পূর্ণ থাকলে নতুন রস আসবে কোথায়? ভাঙা চাঁদও তা-ই—তার ভগ্নতাই তার কোমলতার কারণ।
কারও হাসি আছে, যা শুধু আনন্দ নয়—তার ভেতরে একটা দূরত্ব লুকিয়ে থাকে। যেমন আকাশের রং নীল—সেই নীল সুন্দর, কিন্তু সেই সৌন্দর্যের ভেতরেই একটা অনাগত ব্যথা আছে।
আকাশের নীল পাখিকে ডাকে—ওড়ো, উঠে এসো, আরও ওপরে। পাখি ওড়ে। কিন্তু যত ওপরে ওঠে, তত বাতাস হালকা হয়, তত নিঃসঙ্গ হয়, তত ক্ষত হয়। আকাশ একই সাথে আমন্ত্রণ দেয় আর আঘাত করে—কারণ আকাশকে ছোঁয়া যায় না। যত কাছে যাও, সে তত দূরে সরে যায়।
সেই মানুষটার হাসিও তেমন ছিল। হাসি বলছিল—এসো, কাছে এসো। কিন্তু সেই হাসির গভীরে একটা দূরত্ব ছিল, যা কখনও ঘুচত না। কাছে গেলেও মনে হতো—সে আরও দূরে। স্পর্শ করলেও মনে হতো—ছুঁতে পারিনি আসলটা। কারণ সেই মানুষটার ভেতরে এমন কিছু ছিল, যা এই জগতের নয়—সেটা অসীমের ইশারা—আর অসীমকে সসীম হাত দিয়ে ধরা যায় না।
সুফি ভাষায় বললে—এই নীল হলো আল্লাহ্র সেই গুণ, যা একই সাথে কাছে টানে আর দূরে রাখে। জামাল (সৌন্দর্য) ডাকে—এসো। জালাল (মহিমা) বলে—থামো, আমি তোমার নাগালের বাইরে। প্রেমের মানুষের হাসিতে এই দুটো একসাথে ছিল—আমন্ত্রণও, অধরাতাও। মিষ্টিও, ক্ষতও।
কুরআনের সূরা আন-নুর (২৪:৩৫)-এ আছে: "আল্লাহু নূরুস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ"—আল্লাহ্ আসমান ও জমিনের আলো। কিন্তু সেই আলোর একটি রং চোখে ধরা পড়ে না—সেটা দূরত্বের নীল, যে-নীল বলে: আমি তোমার কাছে আছি, কিন্তু আমাকে ধরা যাবে না—কারণ আলো ধরার জিনিস নয়, আলোতে দাঁড়াতে হয়। সুফি জানে: সব কাছাকাছি থাকা স্পর্শ নয়, সব দূরত্ব বিচ্ছেদ নয়। কিছু কিছু জিনিস ধরা যায় না বলেই সত্য।
অন্ধকারের মধ্যে সেই ক্ষীণ আলোটুকুই বলত: তুমি একা নও।
আর শোকও তার নিজস্ব পোশাক পরে এসেছিল: কোণে কোণে জমে-থাকা ধূসর ছায়া—যেন কোনো অশুভ সন্ধ্যা ঘরের এককোণে বসে বাসা বেঁধেছে। প্রতিশ্রুতির ভেতর লুকানো সাদা ভয়—সেই শুভ্রতা, যা কাফনের, যা আত্মসমর্পণের, যা "আমি থাকব" বলার ভেতর লুকিয়ে-থাকা "আমি যাব"-র। সে বলেছিল—আমি থাকব; এটা জেনেও যে, মাশুক কখনও থাকে না।
আর কখনও যায়ও না।
যা আসে, তা যায় না—রূপ বদলায়।
তরঙ্গ ওঠে, তরঙ্গ নামে—সমুদ্র কিছুই করেনি। সে যেখানে ছিল, সেখানেই আছে। ওঠাটা তার খেলা, নামাটাও তার খেলা। আমরা ঢেউ দেখে ভাবি—এল। ঢেউ মিলিয়ে গেলে ভাবি—গেল। কিন্তু জল কোথায় গেল? জল তো জলেই আছে।
প্রেমও তা-ই। কাছে আসা তার এক রূপ। দূরে যাওয়া তার আরেক রূপ। মিলন এক আয়না—সেখানে প্রেম নিজেকে দেখে উপস্থিতির আলোয়। বিচ্ছেদ আরেক আয়না—সেখানে প্রেম নিজেকে দেখে অনুপস্থিতির ছায়ায়। দুটোই দেখা। দুটোতেই প্রেম আছে। শুধু আয়না বদলেছে।
সাধারণ চোখ বলে—সে নেই। গভীর চোখ বলে—সে আছে, শুধু এখন অন্যভাবে আছে। যেমন সূর্য রাতে "নেই"—কিন্তু রাতটাই তো সূর্যের প্রমাণ। অন্ধকার বলছে—আলো আছে, শুধু এখন অন্য পাশে।
দেওয়া আর নেওয়া একই হাত। কাছে আসা আর দূরে যাওয়া একই পা। ভাঙা আর গড়া একই ইচ্ছা। একটা শক্তি আছে, যা কখনো মিলনের মুখোশ পরে, কখনো বিচ্ছেদের মুখোশ পরে—কিন্তু মুখোশের পেছনে সবসময় একই মুখ।
সেই মুখকে কেউ বলে প্রেম। কেউ বলে আলো। কেউ বলে তাজাল্লি—স্ব-প্রকাশ। নাম যা-ই হোক, সত্য একটাই: যা সত্যিই আসে, তা কোথাও যায় না। সে শুধু রূপ বদলায়—যেমন জল বদলায় বরফে, বাষ্পে, মেঘে, বৃষ্টিতে—কিন্তু জল থাকে জলই।
তাই শোক কোরো না যে, তরঙ্গ নেমে গেছে। সমুদ্র আছে। সমুদ্র সবসময় ছিল। সমুদ্র সবসময় থাকবে। আর তুমি নিজেও সেই সমুদ্রের অংশ—তুমিও একটি তরঙ্গ, যে ওঠে, নামে, আর ভাবে, সে আলাদা—অথচ সে কখনও আলাদা ছিলই না।
মাকাম-ই-সবর: ধৈর্যের উপত্যকা
সবর কী? সুফি-পথের দ্বিতীয় মাকামের নাম সবর—ধৈর্য।
সাধারণ ধৈর্য মানে—দাঁতে দাঁত চেপে সহ্য করা। কষ্ট আসছে, মুখ বুজে থাকো, একসময় থামবে। কিন্তু সুফি সবর এর চেয়ে অনেক গভীর। সুফি সবর মানে—অভিযোগের বদলে অন্তরের কান খোলা রাখা। আগুনের ভেতরে থেকেও রূহকে কালো না হতে দেওয়া। সহ্য করতে করতে সহ্যের ভেতরেই একটা নতুন স্বাদ আবিষ্কার করা। তেতো জিনিস মুখে রাখতে রাখতে একসময় তার ভেতরে একটা লুকানো মিষ্টি খুঁজে পাওয়া। বিচ্ছেদের যন্ত্রণার ভেতরেই প্রেমের গভীরতর রূপ চিনতে পারা।
কুরআনে (সূরা আশ-শারহ ৯৪:৬) আছে: "ইন্না মাআল উসরি ইউসরা"—নিশ্চয়ই কষ্টের সাথেই স্বস্তি আছে। লক্ষণীয়—"পরে" নয়, "সাথেই।" স্বস্তি কষ্টের পরে আসে না—স্বস্তি কষ্টের ভেতরেই আছে, শুধু চোখ খুলে দেখতে হয়। দুঃখের দরজা ঠেলে যে ঢোকে, সে-ই একদিন রহস্যের ঘরে পৌঁছে।
সাধারণ ধৈর্য বলে: "সহ্য করো, একদিন শেষ হবে।" সুফি সবর বলে: "এই মুহূর্তেও রহমত লুকানো আছে—চোখ থাকলে দেখো।" পার্থক্যটা সূক্ষ্ম কিন্তু বিশাল। একটায় ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে সহ্য করা, অন্যটায় বর্তমানের ভেতরেই রহস্য খোঁজা।
কুরআনে আইয়ুবকে বলা হয়েছে ধৈর্যের প্রতিমূর্তি—সব হারিয়েছিলেন, শরীর রোগে ক্ষয়ে গিয়েছিল, সম্পদ গেছে, সন্তান গেছে—কিন্তু তিনি বলেননি, "কেন?"—বলেছিলেন, "তুমি আছ, এটুকুই যথেষ্ট।" আইয়ুবের সবর শুধু সহ্য নয়—সব কিছু হারিয়েও উৎসকে ভুলে না যাওয়া। ক্ষতের দিকে তাকিয়ে নয়—ক্ষতদাতার দিকে তাকিয়ে থাকা।
শূন্যের সপ্তক: ৫
লেখাটি শেয়ার করুন