সেদিনের পর যদি তোমার সঙ্গে আবার দেখা হতো,
জিজ্ঞেস করতাম—
অমন শান্তির ঘোর কেন ভেঙে দিয়েছিলে?
বেশ তো স্মৃতি আঁকড়ে ছিলাম।
চোখের পাতার নিচে বুনে-রাখা স্বপ্নগুলো
শিশির হয়ে ঝরে পড়ছিল।
অমন জিভে চেটে নিতে চাইছিলে কেন?
আমার শিয়রের পাশে যে-টেবিল,
তার ক্লথ দেখেই চিনেছিলাম ওই খাটিয়ার ছাঁচ।
তুমি কি নিজের নিয়তি বদলাতে চাইছিলে?
না কি নিজেকে ঈশ্বরের চেয়েও বড়ো কিছু ভাবছিলে?
নয়তো কেন
নেহাতই স্বাভাবিক এক ডালভাতের প্লেটে
আবার ভাগ বসাতে এলে?
জিজ্ঞেস করতাম তোমাকে,
আমার শরীরময় মেরব্রোমিনের ছাপের মতন
বিষাদ কিংবা না-পাওয়ার ক্ষত,
এ ব্যথা, এ ক্ষত, এ না-পাওয়া শরীর
উত্তাপে পুড়িয়ে ফেলতে চাইলে,
তুমি আগুনটুকু দেবে কি?
মেরব্রোমিনের বিষাদ
লেখাটি শেয়ার করুন