গল্প ও গদ্য

মানসিক দাসত্ব প্রসঙ্গে

মেধাবী লোকজন সাধারণত কারও মানসিক দাসত্ব করেন না। এই সহজ ব্যাপারটা মাথায় রাখলে কিছু নির্দিষ্ট ধর্মীয় সম্প্রদায়ের ফলোয়াররা মেধাবী লোকজনের কাছ থেকেও সম্মান পেতেন।

শিষ্যদের কোয়ালিটি দেখে গুরু চেনা যায়, তা বলছি না, তবে সম্প্রদায় তো চেনা যায়‌ই! গোয়ালঘরে বাঘ থাকতে পারে না, এই সহজ কথাটা গোরু যদি জানত, তবে বাঘকে গোয়ালে ঢোকাতে টানাটানি করা দূরে থাক, সে নিজেই কি আর গোয়ালঘরে থাকত? অবশ্য গোরুর চোখে বাঘ‌ও গোরুই!

অঙ্কে পাশ নম্বর ৩৩ পেতেই কষ্ট হয়ে যায় যাদের, তাদের ৯৯ পেতে হবে না (অতটা পাবার সম্ভাবনা এবং সামর্থ্য তাদের নেই বললেই চলে), তবে তারা যখন এমন কাউকে গায়ে পড়ে জোর করে অঙ্ক শেখাতে চায়, যে কিনা অঙ্কে ৯৯ পেলেও ১ নম্বর কম পাবার দুঃখে মন খারাপ করে, তাহলে তো বিপদ!

থাকুক না যে যার মতো! ভালো না লাগলে উপেক্ষা তো করাই যায়, তাই না? করার মতো কাজ কি আর কম আছে!
লেখাটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *