Bengali Poetry (Translated)

নির্বাক প্রত্যাবর্তনের ভাষ্য



: এসো, অপ্রয়োজনীয় আবেগ থেকে নিজেদের দূরে সরাই।
: কিন্তু অনুভূতিগুলোকে অগ্রাহ্য করব কী করে? আমার কাছে তো তোর অপেক্ষায় ক্ষয়ে-যাওয়া সেই অনুভূতিরই মূল্য সবচেয়ে বেশি।
বদলানো যায় না... তোর অনুভবে কাটিয়ে-দেওয়া তীব্র বাতাসের উত্তাপে নিজেকে পুড়িয়ে ফেলার বিলাস।

: যখন ভাবি, তোমাকে ছেড়ে থাকার উল্লাস হয়তো ছাড়িয়ে যাবে এই কষ্টের ক্ষণ—ঠিক তখনই তুমি ফিরে আসো।
যখন ভাবি, আমি তোমায় ছেড়ে কত যে দুঃখী, ঠিক তখনই তুমি ফিরে আসো—আর আমায় ভালোবাসো।

: যত বার তোকে ছুঁয়ে থাকি, মনে হয়—তোর উপেক্ষাই বুঝি আমার প্রাপ্য।
আমার নীরবতায় তোর সশব্দে প্রস্থানই যেন আমার নিয়তি।
ওতে যন্ত্রণা আছে, কিন্তু ভালোবাসার অসম্পূর্ণতা নেই।

: তোমার মতো করে, কে কবে বুঝেছে আমায়?
ভালো না বাসলে কি এতটা গভীরভাবে অনুভবে আনা যায়—বলো?


: থাক না, অস্পষ্টতার ধ্রুব আবেগে তোর নাম লেখা।
তুই আমার অসহায়ত্বের দিনেরাতে ছিলি যতটা সময়, আমি তোর অস্তিত্ব হয়ে থেকেছি তোর অগোচর দৃষ্টির বহু অধিক সময়।
তুই আমায় ভুলে ছিলি যতক্ষণ, তোরই স্বপ্নে বিভোর ছিলাম আমি ততক্ষণ।

তোর স্পর্শে অপ্রত্যাশিত পরাজয় মেনে নিয়েছিল আমার জরাজীর্ণ অনুভবের অব্যাহত প্রকাশ।
তোর অনুভবে অন্তিম যাত্রার সন্ধানে থেমে গিয়েছিল স্পন্দন।
তোর আকস্মিক আবির্ভাবেই এই আত্মদর্শন।

: ভালোবাসো কতটা?
: অবাস্তব নিস্তব্ধতা ভেঙে, শেষহীন যাত্রাপথের দূরত্ব যতটা।
লেখাটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *