প্রতিবছর এই দিনটাতে যেন তোকে একবার ‘ভালোবাসি’ বলতে পারি!
জানিস, এখন সবাই বলে, আমার চোখদুটো অনেক মায়াবী, আগে নাকি এমন ছিল না; আর আমি নিজেকে বলি, তোর চোখে তাকিয়ে আমার চোখ বুঝি মায়াবী হয়ে গিয়েছে!
------------------------------------------------------------------------------------------
: আমায় নিখোঁজ ভাবছিস?
: না তো! ভাবছি, তোর ব্যস্ততার শহরে নিজেকেই আড়াল করে তোর মাঝেই হারাব; অমন দ্বিধায় তাকিয়ে আছিস কেন?
: নিষেধে বা বারণে আমায় নিখোঁজ ভেবেছিস নিয়ে অভিমান, তোর কাছ থেকে হারাইনি তবু্ও।
: আর কত অপেক্ষা করলে তোকে একবার ছুঁয়ে দেখতে পারব, বল না? তোর নাম নিয়েছি কত জ্যোৎস্নায় আমি পথে একা দাঁড়িয়ে, সোডিয়াম-নিয়ন আলোদের অসুখে যেন সবই কোথায় হারিয়ে যায়!
------------------------------------------------------------------------------------------
তোকে নিয়ে লিখতে না পারলে নিজেকে ভীষণ অসহায় লাগে, ব্যর্থতার সমাপ্তিতে নামে রাতের প্রহরগুলো। তবুও তোকে খুঁজে মৃতপ্রায় আমার অনুভূতির প্রহরীরা; আমি তোকে ভীষণ ভালোবাসি রে! তোর নিস্পৃহ অনুযোগে আমার বুকের ভেতরের ক্ষতরা হয়েছিল মুহূর্তেই অন্ধকারে ছন্নছাড়া।
তুই আমার কাছাকাছি আর কক্ষনো আসতে চাস না, আমি জানি রে। তবুও মনকে বোঝাতে পারি না, কী করব, বল! আমার সবটা জুড়ে তোর অভিযোগ লুকোতে পারি না, আমার চোখের জলে তোর চলে যাওয়া আটকে দিতে পারি না।
আমি বড্ড অকাজের, এই তুচ্ছ মানুষটার ভালোবাসা পায়ে মাড়িয়ে গেলেও ধুলোতে তোর পা জড়াবে না। সবটা জেনেও কেন যে তোকে পাগলের মতো খুঁজে বেড়াই!
শোন না...অমন ভালোবাসার অজস্র গানে আমি কেবল তোকেই চেয়েছিলাম, আমার এ তুচ্ছ অনুভূতির একমাত্র আশ্রয় সে গানের সুরগুলোতেই খুঁজেছি।
------------------------------------------------------------------------------------------
আরও একবার আমার মাথায় হাত বুলিয়ে, তোর কাছে টেনে নিতে পারবি? আরও একবার ফোনের ওপার থেকে বলবি, এদিকে আয়, আমার বুকের মধ্যে এসে ঘুমো? আরও একবার বিদায় দেবার সময় তোর দরজার আড়াল থেকে বলবি, “ভালোবাসি”? আরও একবার তোর হাতটা ধরে আমায় থাকতে দিবি? আরও একবার তোর শরীরের ঘ্রাণে আমায় ডুবে থাকতে দিবি?
------------------------------------------------------------------------------------------
তোমার সাথে আমার জীবনের সংঘাত হবার কোনো দায় নেই, কিন্তু সমন্বয় হবার সম্ভাবনাও তো দেখি না!