যন্ত্রণার রং কেমন? পৃথিবীর সমস্ত ভালোবাসা দিয়েও তাকে বাঁচিয়ে রাখা গেল না, তুমি আমাকে ক্ষমা করে দিয়ো। তারও বেঁচে থাকার ইচ্ছেটা কি মরে গিয়েছিল অনেক আগেই?
আজ তোমাকে ছুঁতে না পারার আফসোসটা বড়ো গভীর। আচ্ছা, গভীর ভালোবাসায় ডুবে-থাকা মানুষও কী করে অন্য কারও শরীরের স্পর্শে আসক্ত হতে পারে? এক বিকৃত যৌনতা—যেখানে সে ছাড়া আর কেউই সত্য নয়। তাই কে সত্য, কে মিথ্যা—সেই তর্কে জড়িয়ে তুমি কিচ্ছু পাবে না; কারণ তার সত্য প্রতিনিয়ত আমাকে হত্যা করে।
দীর্ঘশ্বাসে আন্দোলিত আমার বুকের গভীরটা কেমন যেন অস্পষ্টতায় ঘেরা—যা ভবিষ্যতের ভয়ংকর পরিণতি জানে না, পরিপূর্ণতার তোয়াক্কা করে না। এই শীতে আমার জন্য আরও এক বিভীষিকাময় রাত অপেক্ষা করছিল—তীব্র তুষারপাতের নিষিদ্ধ মোহে ডুবতে-দেখা কল্পনাগুলো…আমার মুখের সামনে এসে হাসতে থাকে, উপহাস করে—কিন্তু আমি এই অপমান সহ্য করি না, বরং তোমার উপেক্ষা সহ্য করে চলেছি প্রতিনিয়ত এবং এখনও তোমায় ছেড়ে যাইনি।
দয়া করে তোমার হাসিটুকু…আমাকে দাও, এই ক্ষত সরিয়ে আমাকে কিছু অর্থহীন আনন্দের অংশ হতে দাও; সমস্ত অসুখ লুকিয়ে...আমি এখানে তোমার সন্ধানে আসি এবং তোমার চোখের দৃষ্টি, তোমার কোমল স্পর্শ…আমার শরীরের ব্যথা নিরাময় করে।
আমি আত্মবিশ্বাসী, আমি অবশ্যই পারব তোমার আত্মায় প্রেমময় বোধের জগৎ বানাতে—যা তোমার অস্তিত্বকেই প্রতিফলিত করে—তবেই, এই জায়গাটিকে পুরোপুরিভাবে ভাবা যেতে পারে সত্যিকারের স্বর্গ।
জানো, কেন কারও অপেক্ষায় থাকে মানুষ? তবুও মাঝরাতে হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেলে প্রশ্ন করতে ইচ্ছে করে…কেন এই প্রতীক্ষা? নিজেকেই খুঁজে পাই না আজকাল...তোমায় কী করে পাবো?—মিথ্যে বললাম…তোমাকে খুব তাড়াহুড়োয় হারিয়ে ফেললাম, আর ঠিক তখনই বিষের পেয়ালাটা কাছে টেনে নিলাম।
উপেক্ষার শীতে
লেখাটি শেয়ার করুন