কখনো দুঃখের আঁচে নিজেকে পুড়িয়ে অসামান্য কিছু হয়ে ওঠার গল্প শুনিয়েছি নিজেকে। সফলতা ব্যাপারটা কি শুধুই জাগতিক?
অত্যন্ত সফল মানুষটাকেও বলতে শুনেছি—সে-ও জীবন থেকে পালানোর জন্য আত্মহত্যা করতে চেয়েছিল!
সে-ও আজ বলছে—জীবনে যা পেয়েছি, তার পুরোটাই বোনাস। তোমাদের জন্য কিছু উৎসর্গ করে যেতে চাই; আমার হয়তো বেঁচে থাকারই কথা ছিল।
কতখানি কৃতজ্ঞতাবোধে নিজেকে উজাড় করলে অন্যের দুঃখে ডুব দেওয়া যায়?
কিছু ভালো অনুভূতি, লেখা পাণ্ডুলিপি তোমাদের কল্যাণে দিয়ে যেতে চাই। সে চলে যায়, মহাকাল ধরে রাখে তাকে, পৃথিবীর শেষ ক্লান্ত মানুষটাও তার কণ্ঠে উজ্জীবিত হয়ে ওঠে—যেন নিভে-যাওয়া কোনো আলো তীব্র গতিতে ছুটে চলেছে।
এভাবেই কালে কালে মহান সৃষ্টি বেঁচে আছে—সবটার আড়ালে রয়েছে গভীর জীবনবোধ, অনাবিল শান্তির স্পর্শ, স্পষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি।
তুমি বলবে আমায় এমন কিছু?—সময়কে সময় দিতে শেখো। কিংবা আরও মহৎ কিছু?
যে-তোমাকে সময় দিতে গিয়ে আমি কখনও সময়কে সময় দিতে পারিনি, সেই তোমার কাছ থেকে এমন কিছু শুনতে আজ আমার মন্দ লাগবে না। তুমি বলো, আমি শুনছি।
উজাড়ের পর
লেখাটি শেয়ার করুন