গল্প ও গদ্য

ইউসুফ থেকে দিলীপ



এক কিংবদন্তির জন্মকথা বলছি।

পর্ব ১: কিস্যা-কাহানি বাজারের ছেলে

পেশোয়ারের ধুলোমাখা এক গলিতে একটা ফলের দোকান। দোকানের পাশেই একটি বড়োসড়ো বাজার—"কিস্যা-কাহানি বাজার"। নাম শুনেই বোঝা যায়, এখানে মানুষ আসত গল্প নিয়ে, ফিরে যেত গল্প রেখে। বিভিন্ন কিসিমের লোকজন আসত সেখানে; কেউ ব্যাবসার কথা বলত, কেউ পুরোনো দিনের, কেউ-বা এমনি—চায়ের কাপে ঠোঁট ছোঁয়াতে ছোঁয়াতে জীবনের গল্প ফেঁদে বসত।

সেই বাজারের কোণে বসে সব শুনত একটা ছেলে। ফলবিক্রেতার ছেলে। বাইশ বছর বয়স। নাম ইউসুফ।

সে শুধু শুনতই না—খুঁটিয়ে দেখত। মানুষের চালচলন, কথা বলার ভঙ্গি, রাগ-দুঃখ-আনন্দের ছায়া মুখে কীভাবে খেলা করে—সব জমা করত নিজের ভেতর। নিজের কল্পনাজগৎকে রোজ একটু একটু করে সমৃদ্ধ করত। করতেই হতো। কারণ এই ইউসুফকেই একদিন কাঁধে তুলে নিতে হবে একটা গোটা ইন্ডাস্ট্রি, হয়ে উঠতে হবে পরবর্তী কয়েক প্রজন্মের আইকন। ভাগ্যে লেখা ছিল—বিখ্যাত হতেই হবে। যে-সে বিখ্যাত নয়; যাকে বলে গগনচুম্বী খ্যাতি।

আর কপালের লেখা কে-ইবা এড়াতে পারে?

পারেননি সাধারণ ফলবিক্রেতা বাবার সাধারণ ছেলে ইউসুফ খান—ওরফে দিলীপ কুমার।

তাঁকে দেখে ছেলেবেলায় এক জ্যোতিষী বলেছিলেন, "এই শিশু বিখ্যাত হবে। তাকে রক্ষা কোরো। ওর চেহারায় আল্লাহর নূর সবসময় জ্বলজ্বল করবে।" জ্যোতিষশাস্ত্রের নিয়ম বোধ হয় এমনই—তারা তো প্রায় সবাইকেই এই একই কথা বলে। হা হা হা। তবে সেই কথা সঠিক প্রমাণ করতে কয়েক যুগে, কয়েক কালে মাত্র দু-একজন দিলীপ কুমারের জন্ম হয়।

পর্ব ২: দিলীপের জন্ম

নামের বদল তাঁকে অস্বস্তি না দিয়ে বরং মুক্তি দিয়েছিল। তিনি নিজেকে বলতেন—ইউসুফ হয়তো পড়াশোনা করত না, জানত না অনেক কিছুই; কিন্তু দিলীপ কুমারকে জানতে হবে অনেক।

শুরুর দিকে লুকিয়ে সিনেমা দেখতেন। অন্ধকার সিনেমা হলে ঢুকতেন, বুক ধুকপুক করত—যদি কেউ চিনে ফেলে! যদি বাড়িতে খবর যায়! কিন্তু পর্দায় আলো জ্বলতেই সব ভয় মিলিয়ে যেত। কোনো সিনেমার যে-অংশটুকু ভালো লাগত, সেটুকু দ্বিতীয় বার আরও ভালো করে দেখতেন—কীভাবে অভিনেতা চোখ নামালেন, কীভাবে কণ্ঠ কাঁপল। এভাবেই দিলীপ পরিচিত হতে থাকেন দেশ-বিদেশি নামি তারকা ও অভিনয়শিল্পীদের সাথে।

তবে প্রচুর সিনেমা দেখে তিনি একটা জিনিস স্পষ্ট বুঝে ফেলেন—কাউকে নকল করার উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করা যাবে না। অভিনয় হতে হবে স্বতঃস্ফূর্ত। নইলে না অভিনেতা নিজেকে চরিত্রের সঙ্গে একাত্ম করতে পারবে, আর না পারবে দর্শক।

সিনেমায় নামার পরে ইউসুফ বুঝতে পারেন, এ জগৎ কতটা কঠিন। এবং, এই কঠিনকেই ভালোবেসে ধারণ করতে হবে। নইলে সম্পূর্ণ অপরিচিত এক নায়িকার সঙ্গে আবেগের সম্পর্ক তৈরি করা, তাকে ভালোবাসা—এসব স্ক্রিনে বিশ্বাসযোগ্যভাবে দেখানো কখনোই সম্ভব নয়।

পর্ব ৩: গুরু ও পাঠশালা

দিলীপ একবার স্মৃতিচারণায় ফিরে গেছেন সেইসব দিনে, যখন তিনি শুধু একজন মুগ্ধ-বিস্মিত তরুণ—আর তাঁর সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন স্বয়ং অশোক কুমার।

অশোক কুমার তখন অত্যন্ত সফল একজন তারকা, কিন্তু তারকাখ্যাতি তাঁকে একটুও প্রভাবিত করেনি। একবার তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন, লোকাল ট্রেনে ভ্রমণ করবেন। দিলীপ নিজের ভাষায় সেই দিনটির কথা বলেছেন—

"আমরা একটি সিনেমা দেখার টিকিট কিনেছিলাম এবং ট্রেনে করে সিনেমাহলে যাচ্ছিলাম। স্টেশনে যখন মানুষ তাঁকে চিনে ফেলল, তখন প্রশংসার ঢেউ উঠেছিল। কিন্তু তিনি যেন সেই বিস্ময়কর প্রতিক্রিয়াগুলোর দিকে বিশেষ মনই দেননি। ট্রেন আসার পর ভিড় আমাদের কামরায় ঢুকে পড়ল এবং লোকেরা তাঁর সঙ্গে তাঁরই অভিনীত ছবি নিয়ে কথা বলতে লাগল। তিনি উষ্ণ ও বুদ্ধিদীপ্তভাবে তাদের সঙ্গে কথা বললেন। তখন আমি প্রথম বারের মতো তারকাখ্যাতির এই দৃশ্যটি দেখছিলাম।

পরদিন আমি পুরো ঘটনাটি অন্য একজনের সাথে শেয়ার করছিলাম, অশোক ভাইয়ার উপস্থিতিতেই। তিনি মনোযোগ দিয়ে শুনলেন, তারপর আমার দিকে তাকিয়ে বললেন—”এটা ভবিষ্যতে তুমি যা অনুভব করবে, তার কেবল একটি ঝলক। তোমার মতো সুদর্শন মানুষকে মেয়েদের থেকে দূরে রাখা কঠিন হবে।” তখন সবাই জানত যে, মেয়েদের সামনে আমি কতটা লাজুক।"

সেদিন অশোক কুমার আরেকটি কথা বলেছিলেন, যা দিলীপ সারাজীবন মনে রেখেছেন—"তারকাখ্যাতি কখনোই তোমার আত্মসম্মান বা নিজের ইচ্ছামতো কাজ করার শক্তির চেয়ে বড়ো হওয়া উচিত নয়।"

ট্রেনে তাঁর আচরণ দেখেই দিলীপ বুঝেছিলেন, তিনি কী বোঝাতে চাইছেন—কারণ তিনি তাঁর ভক্তদের সঙ্গে সাধারণ মানুষের মতোই মিশছিলেন, যেন তিনি শুধুই অশোক কুমার, পর্দার তারকা নন।

স্টুডিয়োতে কাজ শুরু করার পর দিলীপ বুঝতে পারলেন, অভিনয় শুধু সংলাপ বলা নয়। একজন অভিনেতাকে নিজের শরীর, মুখের অভিব্যক্তি, কণ্ঠস্বর—সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করতে জানতে হয়। অশোক কুমার তাঁকে বলতেন—"ক্যামেরা খুব সূক্ষ্ম জিনিস। তুমি যদি সামান্যও কৃত্রিম হও, ক্যামেরা তা ধরে ফেলবে।"

সিনেমায় নামার আগেই দিলীপ নিজে যা টের পেয়েছিলেন—অভিনয়কে স্বতঃস্ফূর্ত হতে হবে—অশোক কুমার সেই সত্যটিকেই আরও স্পষ্ট করে শিখিয়ে দিলেন: অভিনয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো স্বাভাবিক থাকা।

পর্ব ৪: খ্যাতি ও তার মূল্য

দিলীপ কুমার মনে করতেন, তাঁর সহনশক্তি ছিল অবিশ্বাস্য। এর কারণ হলো বাবার ফলের ব্যাবসার মধ্যে বড়ো হওয়া এবং তাঁর কাছ থেকে পাওয়া দৃঢ় মানসিক শক্তি। সেই শক্তির প্রথম বড়ো পরীক্ষা এল ১৯৪৭ সালে।

সেই বছরের শেষদিকে দিলীপ কুমারের "জুগনু" মুক্তি পায় এবং বড়ো সাফল্য পায়। শহরের অনেক জায়গায় ছবির বড়ো বড়ো পোস্টার লাগানো হয়েছিল। একদিন বাজারে নায়কের বাবা আপেলের চালান নামাচ্ছিলেন। হাতে ভারী বাক্স। সেই সময় কেউ একজন তাঁকে একটি পোস্টার দেখাল। পোস্টারে লেখা—"এক নতুন তারকার আগমন।"

বাবা থমকে দাঁড়ালেন। পোস্টারের ছবিটা চেনা—নিজের ছেলের মুখ। কিন্তু নাম? দিলীপ কুমার। তখনও বাড়ির কেউ তাঁকে এই নামে চেনেন না। বাবা প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারেননি। পরে যখন বুঝলেন, সেটি স্বয়ং তাঁরই পুত্র, খুশি হননি। ছেলে অভিনয়কে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছে—এটা মেনে নেওয়া তাঁর পক্ষে সহজ ছিল না। অনেকদিন তিনি ছেলের সঙ্গে কথা পর্যন্ত বলেননি।

কেউ যদি দিলীপকে জিজ্ঞেস করতেন—অভিনেতারা যদি বাস্তব জীবনে একে অপরের প্রতি আকৃষ্ট হন, তাহলে কি প্রেমের দৃশ্যের অভিনয়ে প্রেম বেশি বাস্তব লাগে? তিনি একটু ভেবে উত্তর দিতেন—হ্যাঁও এবং নাও। "কখনো পরিচালকই এমন আবহ তৈরি করেন যাতে দৃশ্যটি বাস্তব মনে হয়। আবার বাস্তব জীবনের ঘনিষ্ঠতাও কখনো অভিনয়ের আবেগকে আরও তীব্র করে তুলতে পারে।"

দিলীপ কুমার নায়িকা মধুবালার প্রতি ভীষণ আকৃষ্ট ছিলেন। এমনকি তাঁরা বিয়েও করতে চেয়েছিলেন। মধুর বাবা ছিলেন সিনেমার প্রযোজক। তিনি বুঝেছিলেন, মেয়ে যদি নায়ককে বিয়ে করে, তাহলে আখেরে ব্যাবসায়িক লাভ হয়। কিন্তু মধুর কাছ থেকে যখন দিলীপ তাঁর বাবার এই পরিকল্পনার কথা জানলেন, তখন দু-জনকে একই জায়গায় ডেকে স্পষ্ট করে বললেন—"কাজ করার এবং ছবি বেছে নেওয়ার ব্যাপারে আমার নিজস্ব নীতি আছে। এমনকি যদি সেটি আমার নিজের প্রযোজনার ছবিও হয়, তবুও আমি কোনো শিথিলতা দেখাব না।"

এবং, পরবর্তীতে মধুবালার সাথে নায়কের বিয়ে ভেঙে যায়।

পর্ব ৫: শিল্প ও উত্তরাধিকার

মধুবালাকে হারানোর কিছুদিনের মধ্যেই দিলীপের সামনে এল এমন একটি চরিত্র, যে নিজেও প্রেমের মানুষকে হারিয়েছে—দেবদাস।

১৯৫৪ সালের দিকে পরিচালক বিমল রায় দিলীপকে "দেবদাস" ছবির প্রধান চরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব দেন। চরিত্রটির ভেতরকার গভীর বেদনা দিলীপকে টেনেছিল। কিন্তু একটা ভয়ও ছিল: দেবদাসের দুর্বলতাকে ভুলভাবে উপস্থাপন করলে দর্শকেরা ভাবতে পারে—প্রেমে হেরে গেলে মদই একমাত্র আশ্রয়; কিন্তু সঠিকভাবে অভিনয় করতে পারলে ছবিটি স্মরণীয় হয়ে উঠতে পারে—এই বিশ্বাসও তাঁর মধ্যে ছিল।

হিন্দি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে হাতেগোনা যে-কজনকে নায়কদের মহানায়ক হিসেবে ধরা হতো—এমনকি এখনও ধরা হয়—তাঁদেরই একজন এই দিলীপ কুমার। দিলীপ যখন ইংরেজিতে কথা বলতেন, মনে হতো অক্সফোর্ডের কেউ; আর যখন উর্দু বলতেন, শব্দগুলো যেন লক্ষ্ণৌয়ের কোনো পুরোনো হাভেলি থেকে ভেসে আসত। হিন্দিও বলতেন সমান সাবলীলভাবে।

তিনি বই পড়তে ভীষণ ভালোবাসতেন। শিশুরা নতুন খেলনা পেলে যেমন সব ভুলে থাকে, তেমনি দিলীপও বই পড়তে গেলে সব ভুলে যেতেন—এমনকি বিশ্রামও। ঘুড়ি ওড়াতেন, দাবা খেলতেন, ক্রিকেটেও পারদর্শী ছিলেন। কাপড়চোপড়ের যত্ন করতেন অসাধারণ রুচিতে। তাঁর একটি বিখ্যাত কথা ছিল—"রিমেম্বার, হোয়াইট ইজ হোয়াইট অ্যান্ড অফ হোয়াইট ইজ অফ হোয়াইট।"

একাকী ভাবতে ভালোবাসতেন নতুন চরিত্র নিয়ে, স্ক্রিপ্ট নিয়ে। অত্যন্ত প্রচারবিমুখ ছিলেন। তাঁকে নিয়ে পত্রিকায় গল্প ছাপা হতো অহরহ—নানান সত্য-মিথ্যার মিশ্রণে। তিনি পড়তেন, কিন্তু পালটা কিছু বলতেন না। সায়রা বানু তাঁকে বলতেন, "তুমি সব সত্য বলে দিলেই তো তোমার আত্মজীবনী বের করা যায়।" তিনি মুখে একধরনের আধোহাসি ফুটিয়ে বলতেন, "আমাকে ভালো করে বোঝে আর সত্যিটুকু বলবে, এমন কাউকে পেলে আমি সব বলব।"

শেষমেশ সেই কাউকে তিনি পেয়েছিলেন। স্ত্রী সায়রা বানু—তাঁর সমসাময়িক কালের বিখ্যাত অভিনেত্রী—তাঁর উদ্যোগেই দিলীপ কুমারের আত্মজীবনী প্রকাশিত হয়। সেই আত্মজীবনীতে সায়রা দিলীপের সম্পর্কে নানান অজানা তথ্য দিয়েছেন, আর দিলীপ নিজেও খুলে বলেছেন সেই পথের কথা—যে-পথ পাড়ি দিয়ে ফলবিক্রেতার ছেলে ইউসুফ খান হয়ে উঠেছিলেন দিলীপ কুমার।

অমিতাভ বচ্চন বলেন, "ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে আমার মতে দুটি যুগ আছে—একটি দিলীপ সাহেবের আগে, আরেকটি দিলীপ সাহেবের পরে।"

মহেশ ভাট একবার দিলীপ কুমারের ইন্টারভিউ নিয়েছিলেন। তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, "মিস্টার ইউসুফ খান, সারাপৃথিবীর কোটি মানুষের হৃদয়ে জায়গা-করে-নেওয়া 'দিলীপ কুমার' হয়ে ওঠার অনুভূতি কেমন?"

তিনি একটু চুপ করে ছিলেন। তখন বসে ছিলেন তাঁর বিখ্যাত ভঙ্গিতে—হাত দিয়ে মুখ ঢেকে। তারপর ধীরে, প্রায় ফিসফিসিয়ে বললেন—"এই যাত্রাটা ছিল মুগ্ধকর, কষ্টকর এবং অনেকসময় রহস্যময়।"

আরেকটু থেমে যোগ করলেন—"যখন আমি 'দিলীপ কুমার' নামের এই মানুষটির দিকে তাকাই, তখন মনে হয়, আমি নিজেই জানি না, এমন কী করেছি যে, এই সম্মান পাবার যোগ্য হয়েছি।"

জয়া বচ্চন ব্যক্তিগত জীবনে দিলীপ কুমারের অনেক বড়ো ভক্ত ছিলেন। তিনি একবার একনিষ্ঠভাবে বসে নায়কের সব ছবি দেখে শেষ করে ফেলেছিলেন। তাঁর মতে, নায়কের সবচেয়ে বড়ো গুণ হচ্ছে পর্দায় তাঁর "নীরবতা"। নীরব থেকেও কীভাবে কথা বলা যায়, সংলাপ ছাড়াই কীভাবে সংলাপ দেওয়া যায়—সেটা নায়কের কাছ থেকে এই প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের শিখতে বলেছেন তিনি।

ছেলে অভিষেক যখন সিনেমায় নামার প্রস্তুতি নিচ্ছিল, জয়া তাকে বলেছিলেন, "দিলীপ কুমারের সব সিনেমা না দেখে সিনেমায় নামা যাবে না; আবেগের জায়গাগুলোতে যেন হুবহু দিলীপ কুমারকেই অনুকরণ করে।"

জয়া আরও বলেন, "দিলীপ কুমারের একটি মাত্র ছবি—দেবদাস—রিমেইক হয়েছে। আর যেন কোনোটায় কেউ হাত না দেয়, কারণ তাঁর চেয়ে ভালো করে ওগুলো আর কারও পক্ষেই করা সম্ভব নয়।"

নিঃসন্তান দিলীপ ও সায়রা শাহরুখ খানকে অত্যন্ত ভালোবাসতেন। দিলীপ বলতেন, "আমাদের ছেলে হলে অবশ্যই সে শাহরুখের মতোই হতো।"

পুরস্কার এসেছে স্তূপ করে—জীবিত থাকাকালীন এবং মরণোত্তর, বহু বহু সম্মাননায় অলংকৃত হয়েছেন তিনি। অবশ্য, শত পুরস্কার আর শত সম্মাননায়ও একজন কিংবদন্তির কতটুকুই-বা এসে যায়?
লেখাটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *