Bengali Poetry (Translated)

আত্মমনের গৃহান্তর



আমার জীবনটায় আমি তেমন কিছু পাইনি,
তেমন কোনো বড়ো অর্জনও নেই—
এমনই মনে হয় প্রতিনিয়ত।

তেমন কিছু করছিও না আমি,
তবু জানি—
সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে চেষ্টা আমাকে করতেই হবে।
কিন্তু…আমার সামর্থ্যটা আসলে কতটুকু?

আমি কি কিছু করতে পারব?
এরকম আশা করাটাই কি পাপ?

তেমন ভালো কিছু হয়তো করছি না,
তবে শতচেষ্টায় নিজের মনটাকে সাহস জুগিয়ে চলেছি।

এই মুহূর্তে আমার ছোট্ট পৃথিবীটায়—
তুমিই একমাত্র,
যার হৃদয়ের গভীরে ছিল আমার জন্য একটুখানি জায়গা...
হোক না সে জায়গা ক্ষণিকের জন্য।

আমি জানি—
এসবের যোগ্য আমি নই।
তবু আমি তোমার জন্য অপেক্ষা করেছি;
তুমি আমার জন্য অনেক কিছু করেছ—
আমি তোমার প্রতি চিরকৃতজ্ঞ।

তুমি কি খেয়াল করেছ—
"আমি সবসময় হাসি"?
তুমি আমার হাত ধরলে—
মনটা খুশিতে ভরে ওঠে।
তোমার সঙ্গে কাটানো প্রতিটি মুহূর্ত
আমার কাছে কতটা অমূল্য,
তা তোমায় বোঝাতে আমি কখনোই পারব না।

তুমি বলেছিলে—
এসব নিয়ে না ভাবতে;
বলেছিলে—
"আমরা সবাই তো কষ্ট নিয়েই বাঁচি।"

জানো, আজকাল আমি আর কিছুই ভাবতে পারি না।
কেমন এক দমবন্ধ যন্ত্রণা সারাক্ষণ ঘিরে রাখে।
মানুষের বাইরেরটা দেখে তার ভেতরটা বোঝা যায় না কেন?

তুমি যদি জানতে—
আমি কতটা ভঙ্গুর…
পারতে কি একটুখানি জড়িয়ে ধরতে?

অভিনয় আমি ঠিকঠাক পারি না,
তাই মানুষ ধরে রাখার দৌড়ে আমি বার বার হেরে যাই।
তোমার সঙ্গে আমার যে-অনুভূতিগুলো কথা বলে—
তাদের থামাব কীভাবে, বলো?

একরাশ যন্ত্রণা, অশ্রু আর নিঃসঙ্গতা নিয়ে
তারা কেবল তোমাতেই সীমাবদ্ধ থাকতে চায়।
কীই-বা আসে যায় ওতে?

তারা থাকুক তাদের মতো,
আর তুমি থেকো—
তোমার মতো করেই।
লেখাটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *