তুমি শুধু ভেজা চোখে আমার দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকো। এ শরীরের ক্ষতটাকে যখন কিছুটা নিজের করে নিতে চাইলে—আমি না করতে পারিনি, তুমি ছিলে আমার অনেকটা।
যেদিন আমাকে ছেড়ে গেলে না-ফেরার দেশে—সেদিন খুব জোরে চিৎকার করে কেঁদেছিলাম। আমার তীব্র শোকে কাতর মুখখানি তুমি ফিরেও দেখলে না, তোমার এত কীসের তাড়া?
সেদিনই বুঝেছিলাম, এই পৃথিবীতে ভালোবাসার শেকলে বন্দি কেউ হয় না। আমি কেন এখনও তোমার কাছে যেতে পারলাম না? আমি কি এতটাই পাপী?
একটা দুঃস্বপ্ন—আমাদের সুন্দর মুহূর্তগুলো কেড়ে নিয়েছিল খুব কৌশলে। তুমি কেমন আছ, বলো না? এত যে বলতে, যোগাযোগ বন্ধ করে দেবে, ভয় দেখাতে, কখনও তো থাকতে পারোনি আমায় ছেড়ে—ঠিকই ফিরে আসতে!
আমি ভাবতাম, আর কোথায় যাবে! যাবার জায়গাটাই-বা কোথায় তোমার—আমাকে মিথ্যে প্রমাণ করতেই হলো? যোগাযোগটা এবার সত্যিই ছিন্ন করলে? এখন স্বস্তিতে আছ?
আমার এখন আর প্রেম পায় না খুউব, স্পর্শ করি না সৌন্দর্য, দেখি না নিখুঁতভাবে কারও অভিনয়। তোমার চুলের ঘ্রাণটা ইদানীং আমাকে জাগিয়ে রাখে।
তুমিই তো বলেছিলে, রোজ পত্র দেবে—চুক্তিটি অলিখিত ছিল বলেই কি তোমার কোনো পিছুটান রইল না? এত অভিমানী হলে কীভাবে হয়, বলো?
আমি কথা দিচ্ছি—তোমাকে আর কষ্ট দেবো না, কাঁদতেও দেবো না। এতখানি মায়া আমি কারও চোখে আজ পর্যন্ত দেখি না আমার জন্য...তুমি জানো, রোজকার ডায়েরির অর্ধেকটা এখনও তোমাকে নিয়ে লিখি।
অস্পৃশ্য ঘ্রাণ
লেখাটি শেয়ার করুন