দর্শন ও মনস্তত্ত্ব

অপ্রেরিতের অদাফন



১। আমি কখনও কারও হতে চাইনি, অথচ সবার হয়ে বসে আছি।

২। আমাকে সবাই থামিয়ে দেয়, নয়তো...ওসব মাঠ, নদী, পাহাড়, আকাশ কোথাও কিছুই থাকত না আমার লেখা বাদে।

৩। রাতের ঘুম-কামাই-যাওয়া চোখ কাজলে ডুবিয়েছে যে-মেয়ে, তার কেন তাড়া থাকবে অন্যের স্ত্রী হওয়ার! তার তো শুধুই প্রেমিকা হওয়া সাজে।

৪। আলাদা করে আমার এই ক'টা রোজার হিসেব কোথায় লিখবে, খোদা? না খেয়ে কত কত দিন কাটালাম, সেগুলোর হিসেব তুমি লিখে শেষ করতে পারবে তো?

৫। আমি যখন থাকব না, আমার লেখা চিঠিগুলোকেও আমার সাথে দাফন করে দিয়ো। ওগুলো পাঠাব—পৃথিবীতে আমার এমন একটাও মানুষ নেই।

৬। আমার সফল হবার ভীষণ তাড়া। সফল হলেই আমি বিদায় নিতে পারব।

৭। তুমি সুখে আছ, আমি জানি। আমি যে সুখে নেই, সেই খবরটা তুমি জানো না কেন?

৮। আমি জীবিত না মৃত, বুঝতে পারি না। আচ্ছা, মৃত মানুষ কি কাঁদতে পারে?

৯। আমার মৃত্যু হলে তুমি আমার জন্য অপেক্ষা করবে না, অন্য কারও হাত ধরে চলে যাবে। সেই ভয়ে আমি মৃত্যুকামনা করা ছেড়ে দিয়েছি।

১০। বাড়ির উঠোনজুড়ে আলপনায় যার নাম লেখা থাকে, তাকে আদর করে ডাকনামে
ডাকার কোনো মানুষ থাকে না।
লেখাটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *