গল্প ও গদ্য

দুঃখের দীর্ঘায়ু

ভালোবেসেও একসাথে থাকা যায় না! ভালোবেসেও কাউকে ডিভোর্স দিতে হয়!

খুব যন্ত্রণার! মানুষ সব হয়, শুধু মনের মতো হয় না।

তবু সব মেনে নিতে হয়! মেনে নেওয়াই জীবন! মেনে নিতে না পারলে বাঁচার জন্য আর কীই-বা থাকে?

মরে গিয়ে কী হয়? কিছু হয় না, কিছু বদলায় না। তাই জীবনের কাছে ফেরা। হোক একটা ভাঙাচোরা-পরাজিত জীবন, তবু জীবন তো! ঠিক একদিন দাঁড়িয়ে যাবে। বেঁচে থাকলে জীবন দাঁড়ায়।

ভালোবাসা ছাড়াও জীবন চলে, কিন্তু আশা ছাড়া খুঁড়িয়েও চলে না। আশাটুকু তাই বেঁচে থাক, দীর্ঘায়ু হোক। আর কিছু না হোক, একটা গোলাপের ঘ্রাণ নেবার জন্য হলেও আমি বেঁচে থাকতে চাই।

যার চোখের দিকে তাকিয়ে একটা ছোট্ট শিশুর মুখে হাসি ফুটে ওঠে, সে কি কখনো পরাজিত হতে পারে? পারব না আমি একটা হলেও শিশুর মুখে হাসি ফোটাতে? নিশ্চয়ই পারব!

নিজেকে এসব বোঝাই। আমার সামর্থ্য অল্প, তাই নিজেকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য মহৎ কোনো স্বপ্ন আমার ভাবনায় আসে না। আমি খুব যোগ্য কেউ হলে তো নিশ্চয়ই মানুষটার ভালোবাসা পেতাম!

যাকগে! অতকিছু লাগবে না আমার। আমি বরং কিছুই না পেয়ে বাঁচব।

দুঃখ‌ই একমাত্র, যাকে সব বলতে পারি, যাকে জড়িয়ে ধরে আমার কাঁদতে ইচ্ছে হয়। আফসোস, এ জীবনে কেউ আমার দুঃখ হলো না! সবাই কেবল সুখ‌ই হলো, আর পালিয়ে গেল!

এখন থেকে আমি শুধুই দুঃখ খুঁজব।
লেখাটি শেয়ার করুন