1. Love's story left me long ago, so these days I try my hand at poetry. I know too that such verses hardly count as poetry. And yet, to drown sorrow like a drunkard, I sip poetry's wine under the name of letters.
2. When everyone else has fallen asleep, I grope about searching for the child I once was.
3. My Creator gave me the most precious thing—tears; and here I am, squandering that precious gift on a wretch!
4. Standing between love and affection is terribly hard. So I find myself eager to bid my beloved farewell.
5. You mock me because I haven't studied much, yet you never pause to wonder how this undertaught self of mine came to possess such refined taste, such nobility of spirit. That question doesn't trouble you at all.
6. That tears hold within them such artistry, such craft—I would never have known this had you not crossed my path.
7. I said goodbye to you, it's true; but even as I turned toward home, my chest began to tremble.
8. My mother is wildly jealous of your mother. Can you say why?
9. When spring's breeze comes to touch me, I turn my face away, for my days are running short. This old friendship no longer suits me.
10. When the time comes to leave this place, don't say goodbye—sing instead. If I don't grow lost in the music, I might yet ask you to delay your going.
# The Deconstruction of Non-Being স্তিত্বের দর্শন নিয়ে যত কথা বলা হয়েছে, অনস্তিত্বের দর্শন নিয়ে তুলনায় খুব কম। অথচ আমরা জানি, প্রতিটি উপস্থিতির পেছনে একটি অনুপস্থিতি লুকিয়ে আছে। প্রতিটি বাণীর আড়ালে নীরবতা, প্রতিটি আলোর ছায়ায় অন্ধকার। এই বিপরীতগুলি শুধু বিরোধী নয়, এরা পরস্পরের শর্ত — এক একের অস্তিত্বের নিমিত্ত। অনস্তিত্ব কী? শূন্য নয়, এবং অসম্ভবও নয়। এটি সম্ভাবনার অঞ্চল। যা নেই তার সীমানায় দাঁড়িয়ে থাকা প্রতিটি জিনিস পরবর্তী মুহূর্তে অন্য কিছু হয়ে উঠতে পারে। এটিই আমাদের স্বাধীনতার ভিত্তি, এবং এটিই আমাদের ভয়ের উৎস। আমরা যা হাতে ধরি না, তা নিয়ে কথা বলতে অস্বস্তিবোধ করি। দর্শকরা বস্তু নিয়ে লিখেছেন, ধারণা নিয়ে বিশ্লেষণ করেছেন, কিন্তু অনস্তিত্বের গভীরতম স্তরগুলি অন্বেষণ করতে ভুলে গেছেন। কারণ যেখানে কোনো বস্তু নেই, সেখানে ভাষা অসহায় হয়ে পড়ে। যা নেই তা বর্ণনা করতে গিয়ে আমরা শব্দের দ্বিধা অনুভব করি। এবং তবুও — অনস্তিত্ব আমাদের প্রতিদিনের অভিজ্ঞতায় কাজ করে চলেছে। প্রতিটি সম্পর্কে যা বলা হয় না তার ভার কত গভীর। প্রতিটি পছন্দে যা ত্যাগ করা হয় তার ফিরে আসার সম্ভাবনা কত অনন্ত। আমরা যা করি না, যা হই না, যা চাই না — সেই সমস্ত নেতিবাচকতার মাধ্যমেই আমাদের পরিচয় তৈরি হয়। ঈশ্বর যদি সৃষ্টি করেন অনস্তিত্বকে, তবে কি তিনি নিজেও একটি অনস্তিত্ব? প্রতিটি স্বর্গের পেছনে একটি নরক, প্রতিটি স্বর্গের অপূর্ণতা? সৃষ্টির আগে যা ছিল তা শূন্য ছিল না — তা ছিল অনন্ত সম্ভাবনার একটি ঘাম। এবং সৃষ্টির পরেও, প্রতিটি সৃষ্ট বস্তুর মধ্যে রয়েছে তার নিজের অনস্তিত্বের বীজ — তার ধ্বংসের, পরিবর্তনের, অস্বীকারের সম্ভাবনা। এটি বিষাদের দর্শন নয়, বরং মুক্তির দর্শন। কারণ অনস্তিত্ব মানে চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত নই, আমি পরিবর্তনযোগ্য, আমি আবার হতে পারি। আমার ভিতরে যত নেতিবাচকতা, তত অসীম সম্ভাবনা। ভাষা এখানে শেষ হয়ে যায়। কারণ অনস্তিত্বের সত্যিকারের কথা বলতে গেলে, নীরব থাকাই সবচেয়ে সৎ উত্তর।
Share this article