This body wanted to choose your touch as part of an extraordinary memory. The whole body keeps creating, ceaselessly and relentlessly, the chemistry of some unknown sensation. Because man cannot rise above this innate instinct, in a certain moment... he simply—goes blind in the frenzy of bodily touch. You are no exception—for an ordinary human, this intimacy is undoubtedly a fluent response.
Leveraging this scope of evolution... between us... we did welcome a bond called 'relationship,' firm and binding; yet how enduring has it proven to be?
I cannot grasp spiritual touch—what contentment lies in it? I do not know the soul; I have only known the body. In anxious consent I touch the body with terrible clarity. What comes of it, I do not know! And truthfully, I have no wish to know. In emotionless longing I dissolve into the membrane of flesh.
Gradually... after the momentary excitement fades, all my senses grow capable of feeling a wan happiness. Am I suffering from a terrible kind of obsession? Perhaps... I wanted to bind myself to you in an unwritten contract! Are you testing my patience? Look, I am no angel.
Your helpless image disappoints me at every moment. I want freedom from you... and yet, I have seen an illuminated path running through your entire being. Is all of this delusion? You have come to me time and again with lies. You have no power to possess me.
You are bound by a strange law—one that cannot be consumed or claimed. Only fate itself is like that! You said you would draw terribly close to me—and still I live on this phantom utterance alone.
# Body, Soul, and Delusion <p>আমরা যখন শরীর ও আত্মার প্রশ্ন নিয়ে ভাবি, তখন একটি মৌলিক বিভ্রান্তির মধ্য দিয়ে যাই। এই বিভ্রান্তি শুধু দার্শনিক নয়—এটি আমাদের দৈনন্দিন অনুভূতির গভীরে প্রোথিত। আমরা নিজেদের একটি দ্বৈত সত্তা বলে মনে করি: একটি বস্তুগত শরীর এবং একটি অবস্তুগত আত্মা। কিন্তু এই বিভাজন কি সত্যিকারের, নাকি এটি আমাদের ভাষা এবং চিন্তার একটি কাল্পনিক বিভাজন?</p> <p>প্রথমত, আমরা যা "শরীর" বলি তা কখনো বিশুদ্ধভাবে বস্তু নয়। আমাদের শরীর সর্বদা অনুভবের মাধ্যমে আমাদের কাছে উপস্থিত থাকে। আমার হাতের স্পর্শ, আমার পায়ের যন্ত্রণা, আমার হৃদয়ের স্পন্দন—এগুলি কোথাও একটি মানসিক অভিজ্ঞতা। তারা বাইরের জগতের অন্যান্য বস্তুর মতো নয়। একটি পাথর আমার হাতের মধ্যে পড়ে, কিন্তু আমার নিজের হাত—এটি সর্বদা অনুভূত, সচেতনতার সাথে সম্পৃক্ত। তাই শরীর যা আমরা জানি তা সত্যিকারের বস্তু নয়; এটি অভিজ্ঞতা এবং সংবেদনের একটি ক্ষেত্র।</p> <p>দ্বিতীয়ত, যা আমরা "আত্মা" বা "মন" বলি তা সম্পূর্ণভাবে অবস্তু নয়। প্রতিটি মানসিক অবস্থা—প্রতিটি চিন্তা, প্রতিটি আবেগ, প্রতিটি সংবেদন—তার একটি স্নায়বিক ভিত্তি আছে। আমরা যখন দুঃখিত হই, তখন আমাদের মস্তিষ্কে নির্দিষ্ট রাসায়নিক প্রক্রিয়া ঘটে। আমরা যখন ভালোবাসি, তখন আমাদের শরীর নির্দিষ্টভাবে সাড়া দেয়। মন ও শরীরের মধ্যে এমন গভীর, অবিচ্ছেদ্য সংযোগ রয়েছে যে তাদের পৃথক করা প্রকৃতপক্ষে অসম্ভব।</p> <p>এই দৃষ্টিভঙ্গি আমাদেরকে একটি নতুন প্রশ্নের দিকে নিয়ে যায়: যদি শরীর এবং আত্মা এত গভীরভাবে যুক্ত থাকে, তবে তাদের পৃথক করার প্রয়োজন কেন? এই প্রয়োজন আমাদের চিন্তাভাবনা এবং ভাষা থেকে আসে, প্রকৃতির গভীর স্তর থেকে নয়। আমরা যখন আমাদের অভিজ্ঞতাকে বর্ণনা করতে চাই, তখন আমরা এই দুটি শব্দ ব্যবহার করি কারণ আমাদের প্রাচীন ভাষা এবং সংস্কৃতি এই দ্বৈততার জন্ম দিয়েছে।</p> <p>আমাদের যুগের মহান বিভ্রান্তি এখানে নিহিত: আমরা এই ভাষাগত বিভাজনকে একটি অনটোলজিক্যাল সত্যে পরিণত করেছি। অর্থাৎ, আমরা মনে করেছি যে শব্দগুলি বাস্তবতার গভীর বিভাজনের প্রতিফলন। কিন্তু এটি সত্যি নয়। শরীর এবং আত্মা একটি একক সামগ্রী—একটি জীবন্ত, অভিজ্ঞতাশীল সত্তার দুটি দিক মাত্র। একটি একক পূর্ণতা, যা আমরা বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখি।</p> <p>এই সত্যকে স্বীকার করা মুক্তিদায়ক। এটি আমাদের আমাদের শরীরকে আরও সম্মান করতে শেখায়—না এটিকে একটি পণ্যভান্ডার বা একটি সমস্যা হিসাবে দেখে, বরং আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসাবে। এটি আমাদের শেখায় যে আধ্যাত্মিকতা শরীর থেকে দূরে থাকা নয়, বরং আমাদের শরীরে সম্পূর্ণভাবে উপস্থিত থাকা। আমাদের সর্বোচ্চ সম্ভাবনা পূরণ করা মানে শরীর এবং মনকে একটি সামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পূর্ণ হিসাবে বুঝা।</p>
Share this article